রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব - বিষয়গুলি জেনে নিন
মুসলিম হিসেবে রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব বিষয়গুলি আমাদের খুব ভালোভাবে জানা উচিত। ফজিলত ও গুরুত্ব গুলো জেনে আমরা আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য সাওম পালন করব। এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার চেষ্টা করব।
সূচিপত্র:রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব
রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব - বিষয়গুলি জেনে নিন
সারা বছরের মাসের চেয়ে মুসলিমদের কাছে রমজান মাসের গুরুত্ব অনেক বেশি। কেননা রমজান মাসে আল্লাহর সব থেকে নিয়ামত বেশি এবং আল্লাহর দয়া ও আল্লাহর দরজা খুলে যাই মুসলমানদের জন্য। রোজা পালন করার মাধ্যমে মুসলিমরা আল্লাহর প্রিয় বান্দা হয়ে ওঠে।
রোজা থাকার মাধ্যমে মুসলিমরা সকল খারাপ কাজ ও অন্যান্য আহার থেকে বিরত থাকে। এবং রমজান মাসেই মুসলিমরা অনেক বেশি ইবাদত করে আল্লাহ তাআলার। তাই রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব আলোচনা করা হবে এখন। রোজা রোজার পর হয়েছিল ও গুরুত্ব অনেক বেশি।
রোজার মাসে অনেক বেশি ইবাদত করা যায় এবং এর মাধ্যমে অনেক বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। রোজার মাসে রোজার ফজিলত নিচে জানানো হলো:
- মানুষের মুখ থেকেও দুর্গন্ধ বের হলে কেউ তার সাথে সঠিকভাবে কথা বলতে চাই না এবং তার থেকে দূরে সরে আসে। তবে রমজান মাসে রোজা রাখার মাধ্যমে রোজা ধারের মুখ থেকে যদি কোন ধরনের গন্ধ বা দুর্গন্ধ বের হয় তবে আল্লাহ তায়ালা বলেন রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আমার কাছে মৃণনাভির সুগন্ধ অপেক্ষা বেশি উৎকৃষ্ট।(বুখারী হাদিস: ১৯০৪) তাই আমি রোজা থাকা অবস্থায় আপনার মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হলে লজ্জিত মনোভাব করবেন না এটি আল্লাহর কাছে পছন্দনীয়।
- যে ব্যক্তি পূর্ণাঙ্গ ঈমানসহ ও সওয়াব এর আশায় রোজা পালন করেন ও আল্লাহ তাআলার খুশির জন্য শুধু আল্লাহ তাআলার জন্যই রোজা পালন করেন সে ব্যক্তির পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। এই বর্ণনা দিয়েছেন আবু হুরায়রা (রা.) (বুখারি, হাদিস:৩৮)
- আপনি যদি কোন রোজাদার ব্যক্তিকে ইফতারি করেন তবে আপনি একই পরিমাণ সওয়াব পাবেন যে পরিমাণ সওয়াব সে রোজাদার ব্যক্তি পাবে। তবে সেই রোজা দের ব্যক্তির থেকে কোন সওয়াব কমানো হবে না। আপনি যদি সে ব্যক্তি কে পানি বা খেজুর দিয়েও ইফতারি করান তবুও আপনি সওয়াব পাবেন।
- খেজুর দিয়ে ইফতারি করা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নত। তাই যদি আপনি পারেন তবে খেজুর দিয়ে ইফতারি করার চেষ্টা করবেন। তবে আপনি যেকোনো খাবার দিয়ে ইফতারি করতে পারেন। তবে খেজুর দিয়ে ইফতারি করা নবীজি (সাঃ)এর সুন্নত।
- হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন রোজাদারের দুইটি আনন্দ একটি হচ্ছে যখন সে ইফতার করে আর অপরটি হচ্ছে যখন সে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাত করবে.(তিরজিমি হাদিস ৭৬৬)
- হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন প্রতিটি ইফতারের সময় ও রমজানের প্রতিটি রোজাতে মানুষদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয় (ইবনে মাজাহ হাদিস:১৬৪৩)
আমরা শুধু মনে করি রোজা থাকার মাধ্যমে শুধু আল্লাহর ইবাদত করাই হয়। তবে রোজা শুধু আমরা আল্লাহর ইবাদতের জন্যই ও আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্যই করি। একজন মুমিন যখন আল্লাহ তা'আলা কে রাজি খুশি করানোর জন্যই রোজা থাকবেন তখন আল্লাহ তা'আলা তাঁর জীবনের গুনাহ মাফ করে দেন।
তবে রোজা থাকার মাধ্যমে আমাদের জীবনধারার অনেক পরিবর্তন হয়। রোজা থাকার মাধ্যমে আমাদের মন মানসিকতা। খারাপ আচরণ থাকলেও সেটিও পরিবর্তন হয়ে যায়। এবং রোজা থাকার মাধ্যমে আমাদের শরীরের অনেক ধরনের রোগ নির্মূল হয়ে যায়। ক্যান্সারের ক্ষেত্রের রোজা অনেক ভালো ভূমিকা রাখে।
একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে রোজা থাকার মাধ্যমে ক্যান্সার নির্মূল হতে সহায়তা করে। এবং কিডনি রোগীদেরও রোজা থাকার মাধ্যমে অনেক উপকার রয়েছে। এবং রোজা রাখার মাধ্যমে আল্লাহ খুশি হয়েও আমাদের সকল দুর্দশা দূর করে দেন। এগুলোই রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব।
প্রিয় পাঠক এতক্ষণ আমরা রোজা থাকার গুরুত্ব ও ফজিলত নিয়ে আলোচনা করেছি। নিচে রোজা নিয়ে আরো বিস্তারিত ও আরো অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
রমজানে করণীয় ও বর্জনীয়
রমজান মাসে আমাদের সকল ধরনের খারাপ ও মন্দ বিষয়গুলো পরিহার করার মাঝ। আমরা রমজান মাসে রোজা থাকার মাধ্যমে এবং আল্লাহ তা'আলা কে সন্তুষ্টি করার মাধ্যমেই আমাদের জীবন যাত্রার মান উন্নত করে তুলতে পারব।
রমজান মাসে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো জেনে আমরা খুব সহজেই এটি পালন করে আমাদের জীবনের সকল মন্দ বিষয় পরিহার করতে পারব। রমজানে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো হল:
করণীয়
- কোরআন তেলাওয়াত: রমজান মাসে কোরআন তেলাওয়াত করার অনেক ধরনের ফজিলত রয়েছে। তাই রমজান মাসে আমাদের অনেক বেশি বেশি করে কোরআন তেলাওয়াত করতে হবে এবং আমরা যদি কোরআন তেলাওয়াত করতে না পারি তবে কোরআন তেলাওয়াত শেখার চেষ্টা করতে হবে। এবং আমাদের বেশি বেশি করে কোরআন তেলাওয়াত শুনতে ও কোরআন তেলাওয়াত করতে হবে।
- জিকির: জিকির করার মাধ্যমে মানুষের অন্তর পরিষ্কার হয়ে থাকে তাই ঠিকই এর করতে হবে রোজার মাসে। বেশি বেশি জিকির করতে হবে এবং আল্লাহর কে ডাকতে হবে।
- দান করা: রমজান মাসে দান করার অনেক বেশি ফজিলত রয়েছে অন্যান্য মাসের চেয়ে রমজান মাসে দান করলে এর গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি। তাই রমজান মাসে বেশি বেশি দান করতে হবে এটি উত্তম।
- নফল ইবাদত: নফল ইবাদত করার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নিকট অর্জন করা যায় যে কারণে রোজার মাসে নফল ইবাদত করার গুরুত্ব অনেক বেশি তাই চেষ্টা করুন নফল ইবাদত করার। সফল ইবাদত করতে পারেন আপনি ইসরাক, চাশত তাহাজ্জুদ এর নামাজ আদায় করে।
- তারাবি: তারাবির নামাজ পড়ার মাধ্যমে অনেক সওয়াব ও অন্যের ফজিলত পাওয়া যায়। হযরত মুহাম্মদ সাঃ বলেন যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদের সালাত সওয়াব এর আশায় ও ঈমান সহ আদায় করে আল্লাহ তা'আলা তার পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করে দেয়।
- ভালো কাজ করা: রমজান মাসে ভালো কাজ করার মাধ্যমে বেশি নেকি অর্জন করা যায় তাই আপনি বেশি বেশি করে ভালো কাজ করুন এবং মানুষের উপকার করার চেষ্টা করুন।
- দোয়া করা: আল্লাহ তাআলা রোজাদার ব্যক্তি দোয়া সব সময় কবুল করেন তাই রোজা থাকা অবস্থায় বেশি বেশি দোয়া করা।
- ইতিকাফ : ইতিকাফ করার মাধ্যমে অনেক বেশি নেকি ও সওয়াব পাওয়া সম্ভব।
- দ্রুত ইফতার করা: ইফতারের সময় হয়ে পড়লে খুব দ্রুতই সুন্নত অনুযায়ী ইফতার করা ইফতারের সময় কোনদিনই না করা। এবং সম্ভাব হলে অন্যকে ইফতারি করানো।
রোজার মাসে আমাদের অনেক কিছু পরিহার ও বর্জনীয় কাজ রয়েছে সে বর্জনীয় কাজগুলো আমাদের মেনে চলতে হবে এবং বর্জন করতে হবে। রোজার মাসে এই বর্জনীয় কাজগুলো বর্জন করতে পারলে আপনি একজন ভালো মানুষ ও ভালো মুসলিম হয়ে উঠবেন।
বর্জনীয় কাজগুলো
- রোজার মাসে আমাদের সকল ধরনের বেহায়া পনা এবং অশ্লীল কথাবার্তা এবং ঝগড়া মারামারি এবং মোবাইলের অশ্লীলতা টিভির অশ্লীলতা রেডিওতে গান বাজনা সোনা সকল মন্দ কাছ থেকে বিরত থাকতে হবে। এবং কাউকে গালি দেওয়া ও অশ্লীল কথাবার্তা থেকেও বিরোধী থাকতে হবে।
- রমজান মাসে অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে কেননা অযথা বা অপ্রয়োজনীয় কথা বলার মাধ্যমে অনেক সময় আমাদের গীবত করা হয়ে যায় এর জন্য বা অন্যান্য খারাপ কাজও হয়ে যায় অযথা কথা বলার জন্য তাই অযথা কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।
- মিথ্যা কথা: আমাদের যাদের মিথ্যা কথা বলার অভ্যাস রয়েছে তারা অবশ্যই মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকুন কেননা রোজার মাসে এই মিথ্যা কথা পরিহার করার উত্তম মাস।
- লোক দেখানো ইবাদত থেকে আমাদের রোজার মাসে বা আমাদের এটি বাদ দিতে হবে কেননা লোক দেখানোর ইবাদতে শুধু লোক দেখানোই হবে আল্লাহর সন্তুষ্ট অর্জন হবে না তাই লোক দেখানো কোন ধরনের ইবাদত করা যাবে না।
- কোরআনে অপচয়কারী হলো শয়তানের ভাই এমনটি বলা হয়েছে তাই অপচয় থেকে বিরত থাকুন কোন কিছু নষ্ট বা অপচয় করা থেকে বিরত থাকতে হবে রোজার মাসে এবং এটি নিয়মিত পালন করতে হবে।
৩০ রোজার ফজিলত দলিল সহ
৩০ রোজার ফজিলত দলিল সহ নিচে দেওয়া হল। এই দলিল গুলো সংক্ষেপে জানানো হচ্ছে। রমজান মাসে রোজার ফজিলত ও গুরুত্বের বিষয় উপরে জানানো রয়েছে তবে ফজিলত গুলো আলাদা ভাবে জানানো হলো:
- রমজান মাসে কোরআন নাজিল হয়েছে তাই বেশি বেশি করে কোরআন তেলাওয়াত করা।
- রমজান মাসে প্রতিটি নেক আমলের জন্য দ্বিগুণ বা বহুগুণ সওয়াব পাওয়া যায়।
- রমজান মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়। এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
- আল্লাহ তাআলা রোজাদারদের পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করে দেয়।
- আল্লাহতালা রোজাদারের দোয়া ফেরত দেন না রোজাদারের দোয়া আল্লাহ তায়ালা কবুল করে নেয়।
- রমজান মাসের শেষ ১০ রাতের বিশেষ ফজিলত হলো লাইলাতুল কদর।
- এবং রোজাদারের দুইটি আনন্দ একটি হলো ইফতারি করার সময়ের আনন্দ এবং আরেকটি হলো যখন সে তার রবের সাথে সাক্ষাৎ করে।
- এমন আরো অনেক ধরনের ফজিলত রয়েছে এই ফজিলত গুলো রমজান মাসে পাওয়া যায়।
রোজার তাৎপর্য ও শিক্ষা
রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব বিষয় আমাদের জেনে বুঝতে হবে তারপর রে আমাদের রোজা করার আগ্রহ ও আরো বৃদ্ধি পাবে। আমরা যখন ফজিলত গুলো জানব তখন আমাদের ইবাদত এর প্রতি আরো বেশি মনোযোগ সৃষ্টি হবে। এবং রমজান ও রোজার মাস থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।
রমজান মাসে আমরা আমাদের তাকওয়ার ঠিক করতে পারি আল্লাহর তাল আর সন্তুষ্টির জন্য ধরনের খারাপ কাজ ও মন্দনীয় কাজ থেকে দূরে থাকার নামে তাকওয়া। যে কারণে রোজা থাকার মাধ্যমে আমরা লুকিয়ে পানি খেলেও কেউ বুঝতে পারবে না কিন্তু আমরা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করে কোন ধরনের খাবার গ্রহণ বা খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকে এটি হল তাকওয়া।
এবং রোজার মাসে আমাদের জীবনকে নতুন ভাবে সাজিয়ে তুলতে সাহায্য করে আমরা যেমন রোজা থাকা অবস্থায় কাউকে গালি বা কাউকে অশ্লীল কথা কিংবা ও সে কোন কিছু করি না সেগুলোই আমরা সারা বছর পালন করতে পারব এবং সে অনুযায়ী জীবন যাপন করতে পারব এতে আমাদের জীবন হয়ে উঠবে সুন্দর নয়।
রমজান মাসে আমরা গরিব-দুখী মানুষ এর পাশে দাঁড়ায় এবং এই কাজটি আমরা আমাদের জীবনে নিয়ে আসতে পারি এবং সারাবছর এবং সারা জীবন আমরা মানুষের উপকার এবং গভীর মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি এমন শিক্ষা অর্জন করতে হবে রমজান থেকে।
রমজানে করণীয় আমল
রমজান মাসের করণীয় আমলগুলো করার মাধ্যমে আমরা রমজান মাসে অনেক বেশি নেকি অর্জন করতে পারবে। রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব আমাদের রোজার আমলগুলো করতে সাহায্য করে এবং আমলগুলো করার মাধ্যমে আমাদের রোজা আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং আল্লাহর কাছে বেশি পছন্দনীয় হয়ে ওঠে। তাই রমজান মাসে আমাদের করণীয় আমলগুলো হল:
- রোজা রাখা।
- সময় মতো সালাত আদায় করা।
- কোরআন তেলাওয়াত করা।
- কোরআন তেলাওয়াত শিখার।
- কোরআন তেলাওয়াত শেখানো।
- সেহেরি খাওয়া।
- তারাবি পড়া।
- আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া আদায় করা।
- জিকির করা।
- বেশি বেশি ভালো কাজ করা।
- তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া।
- বেশি বেশি দাম সদকা করা।
- যাকাত দেওয়া।
- ইতিকাফ করা।
- দিনের দাওয়াত দেওয়া।
- লাইলাতুল কদর তালাশ করা।
- আল্লাহর কাছে দোয়া করা।
- ইফতারি করা।
- ইস্তেগফার করা।
এবং আরো অন্যান্য সকল ইবাদত করার মাধ্যমে আল্লাহ সন্তুষ্টির অর্জন পাওয়া যায়। তাই সকল ধরনের ভালো কাজ ও ইবাদত করলে আল্লাহ তাআলা সন্তুষ্টি অর্জন করুন রোজার মাসেই।
রোজা নিয়ে কোরআন কি বলে
রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব এর পাশাপাশি রোজা নিয়ে কুরআনে কি বলা রয়েছে সেটি জানার পর থেকেও আমাদের আল্লাহতালার ইবাদত করার ওপর মন আরো বেশি চাহিদা পাবে।
কুরআন এ সূরা আল বাকারার ১৮৩ নাম্বার আয়াতে বলেন, তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া ও অবলম্বন করতে পারো। রোজা নিয়ে করা নিয়ে এটি বলার রয়েছে।
আমাদের পরামর্শ
প্রিয় পাঠক এতক্ষণ আমরা রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেছি। আপনি যদি উপর কোন অংশ বুঝতে না পারেন তবে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন আমরা আপনাকে ভালোভাবে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করব।
এ রোজার মাসে আল্লাহ তায়ালা কে খুশি করার জন্য সকল ধরনের ইবাদত করার চেষ্টা করা উচিত। তাই এই রমজান মাসে খুব বেশি বেশি করে ইবাদত করুন সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url