মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায় জেনে নিন
মানসিক চাপ ও ডিপ্রেশন থেকে বের হওয়ার জন্য মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায়
খুবই কার্যকরী। এ উপায় গুলো অবলম্বন করার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই কারো স্মৃতি
থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন।
সূচিপত্র: মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায়
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায় জেনে নিন
কারো যদি মানসিক চাপ থেকে থাকে তবে তার অবশ্যই এটি দূর করা উচিত। কেননা এই মানসিক
চাপ থেকে ঘটতে পারে নানা ধরনের সমস্যা। যেটির কারণে মানসিক ও শারীরিক দুই ধরনের
রোগী হতে পারে। যে কারণে কারো যদি মানসিক চাপের সমস্যা থাকে বা মানুষিক রোগে
ভুগছেন তবে তার অবশ্যই সেটি নির্মূল করা উচিত।
এর জন্য মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায় জেনে নিন আপনি। যে উপায় গুলা
অবলম্বন করার মাধ্যমে আপনার মানসিক চাপ কমে আসবে। এবং আপনি চাইলে আপনার ওপর
কন্ট্রোল নিয়ে আসতে পারবেন। আপনাকে আর মনের দাসত্ব করতে হবে না।
মানসিক চাপ থেকে বেরিয়ে আসার পরে আপনার জীবন হয়ে উঠবে অনেক বেশি সুন্দর। যে
কারণে একজন সুস্থ মানুষের কখনোই মানসিক চাপের মধ্যে থাকা উচিত নয়। তাই মানসিক
চাপ নিয়ন্ত্রণে ১০টি উপায় জেনে নিন। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের উপায় হল:
- কারো কথা না শুনে আপনি যখন মানুষিক চাপের মধ্যে থাকবেন তখন আপনি আপনার পছন্দনীয় কাজগুলো করার চেষ্টা করুন। সেটি হতে পারে গেম খেলা পছন্দের, মুভি পছন্দের, গান শোনা পছন্দের, বই পড়া বা পছন্দের খেলাধুলা। যেগুলো আপনার পছন্দনীয় সেগুলোই করুন।
- মানসিক চাপ কমানোর জন্য ব্যায়াম অনেক জরুরী। অনেকেই মনে করেন মানসিক চাপ কমে যায় অনেক দ্রুত ব্যায়াম করার মাধ্যমে। কেননা আপনি যখন ব্যায়াম করেন তখন আপনার মনোযোগ দেন এর দিকে চলে যায় এবং আপনার শরীরের অনেক শক্তির খরচ হয় যে কারণে আপনার মানসিক চাপ কমে আসে। এর জন্য মানসিক চাপে থাকলে ব্যায়াম করুন নিয়মিত।
- আমরা যখন আমাদের মস্তিষ্কে পর্যন্ত পরিমাণের অক্সিজেন পাইনা তখন আমাদের মস্তিষ্ক বিভিন্ন ধরনের চিন্তা করতে থাকে বা দুশ্চিন্তা করতে থাকে। যেগুলো আমাদের ভাবার বিষয় নয় সেগুলো ভাবতে থাকে। এর জন্য আপনি চুইংগাম চালাতে পারবেন। কেননা চুইংগাম চিবানো এর মাধ্যমে অক্সিজেন আমাদের মস্তিষ্কে পৌঁছাই। এবং এভাবেই চুইংগাম চিবানো এর মাধ্যমে আমাদের মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকবো আমরা।
- যখন আপনার মানসিক চাপ বেড়ে যাবে বা আপনি দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে যাবেন তখন আপনি ভ্রমণ করতে পারেন। ভ্রমণ করার মাধ্যমে আমাদের মন অনেক ভালো হয়ে যায়। কেননা তখন আমাদের মন ও মস্তিষ্ক দুটি নতুন নতুন জিনিস দেখতে শুরু করে। এবং মন ভালো হতে শুরু করে যে কারণে দুশ্চিন্তা তখন দূরে থাকে। যে কারণে মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা হলে অবশ্যই ভ্রমণ করা উচিত।
- আপনি যখন প্রিয় মানুষদের সাথে থাকেন এবং হাসাহাসি মজা করেন তখন আপনার চিন্তা বা মানসিক চাপ কোনটাই থাকে না। যে কারণে প্রিয় মানুষদের সাথে হাসাহাসি এবং খেলাধুলা ইত্যাদি। আপনি যখন আপনার প্রিয় মানুষদের সাথে থাকবেন যেমন সেটি হতে পারে আপনার বাবা-মা বন্ধু ভাই বোন ইত্যাদি। তখন আপনার অবশ্যই মন ভালো হয়ে যাবে। যে ধরনের মানসিক চাপ বেড়ে গেলে প্রিয় মানুষদের সাথে থাকুন বা যোগাযোগ রাখুন।
- আপনার যখন মানসিক চাপ বেড়ে যাবে বা দুশ্চিন্তা পেয়ে যাবে তখন আপনি আপনার কাছে থাকা ফোন কম্পিউটার ল্যাপটপে যেকোনো ডিজিটাল ডিভাইস দূরে রাখুন। আপনি যখনই এ সকল ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করবেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করবেন তখন আপনার মানসিক চাপ আরো বেশি বেড়ে যাবে। যে কারণে এগুলো থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন।
- মানুষের চাপে যখন আপনি থাকবেন তখন আপনি আপনার ইচ্ছামত কোন কিছু করার চেষ্টা করুন। যেমন আপনার যদি বাগান করার শখ থাকে তবে আপনি বাগান করুন। যদি আপনার ছাদে হাঁটার শখ থাকে তবে ছাদে হাঁটুন। আবার আপনার যদি পোশাক কোন প্রাণীর সাথে সময় কাটাতে ভালো লাগে বা আপনার যদি কোন পোশাক প্রাণী থাকে তবে তার সাথে সময় কাটান। এতে করে আপনার মানসিক চাপ কমে আসবে।
- দৌড়ানো বা হাঁটাহাঁটির মাধ্যমে আমাদের মনোযোগ ভালো হয় ও দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যায়। যে কারণে হাঁটাহাঁটি ও দৌড়াদৌড়ি করার মাধ্যমে আপনি আপনার মনোযোগ নিজের দিকে নিয়ে আসতে পারবেন।
- আপনার যদি কোন বিশেষ কিছুর উপর থেকে মনোযোগ উঠে যায় বা সেই বিষয়ে দুশ্চিন্তা হতে শুরু করে। তবে কিছু সময়ের জন্য সেই বিষয় থেকে এড়িয়ে চলুন। এবং তারপরে মনোযোগ ও মনকে স্থির করে সেই বিশেষ কাজটিতে আবার লেগে পড়ুন। এতে করে আপনার দুশ্চিন্তা কমে যাবে এবং মানসিক চাপও কমে যাবে।
- দুশ্চিন্তা ও মানুষের চাপ কমানোর সবথেকে উপযোগী বিষয় হলো ধর্মীয় কাজে নিয়োজিত থাকা। আপনি যখন আপনার ধর্মীয় কাজে নিয়োজিত থাকবেন তখন আপনার মানসিক চাপ কমে আসবে। যেমন নামাজ পড়ার মাধ্যমে আমাদের অনেকেই সকল ধরনের মানসিক চাপ কমে আসে এবং মন অনেক শান্ত লাগে। আবার কোরআন শরীফ পড়া ও তেলাওয়াত শোনার মাধ্যমে আমাদের মন অনেক শীতল ও ঠান্ডা হয়ে যায়। এমন ভাবেই আমাদের ধর্মীয় সকল কাজে নিয়োজিত থেকে আমাদের দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমিয়ে আনতে পারি আমরা।
প্রিয় পাঠক উপরে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায় জানানো হয়েছে যেগুলো
আপনি অবলম্বন করে আপনার মানসিক চাপ এবং দুশ্চিন্তা কমিয়ে আনতে পারবেন। এবং
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায়ে অবলম্বন করার মাধ্যমে আপনার খুব দ্রুতই
মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যাবে।
যে কারণে মানসিক চাপ দূর করা খুব কঠিন বিষয় নয় উপরের বিষয়গুলো অবলম্বন করলে।
মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তায় নিয়ে আরো বিশেষ তথ্য নিচে দেওয়া হল যেগুলো আপনি
চাইলে পড়তে পারেন।
মানসিক রোগের শারীরিক লক্ষণ
মানসিক রোগের শারীরিক লক্ষণ গুলো দেখে আমরা খুব সহজে বুঝতে পারবো যে আমাদের
মানসিক রোগ হয়েছে কিনা। অনেক সময় মানসিক রোগের শারীরিক লক্ষণ গুলো অনেক বেশি
পরিমাণে দেখা যায়। মানসিক রোগে শারীরিক লক্ষণ গুলো অল্প অল্প পরিমাণে দেখা
যায়।
তবে আমরা যে সকল মূল মানসিক রোগের লক্ষণ গুলো দেখে বুঝতে পারব সেগুলো নিয়ে
আজকে আলোচনা। মানসিক রোগের লক্ষণগুলো হলো:
- মাথা: মানসিক রোগের অনেক বড় একটি লক্ষণ হলো মাথা ব্যথা বা মাথা অনেক সময় ধরে ঘোড়া। মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরার মত সমস্যা হলে এটি নিয়ে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা উচিত।
- ঘুম: দিনে বার রাতে যে কোন সময় ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে এবং আপনার সম্পূর্ণ ঘুম না হতে পারে। এমন ধরনের সমস্যা বেশিরভাগ রাতে না ঘুম হওয়ার মতোই হয়ে থাকে।
- বমি: অনেক সময় বেশিরভাগ মানুষের যে মানুষ সেই চাপের কারণে বদহজম হয়ে যায় যে কারণে বমি হতে পারে বা বমি বমি ভাব হতে পারে।
- ওজন: যখন কারো মানসিক চাপ বেশি পরিমাণে হয়ে যায় তখন তার ওজন বেড়ে যায় না হয় ওজন কমে যায়। কেননা তখন কোন কোন মানসিক রোগী বেশি পরিমাণে খাবার খায় আবার কোন কোন মানসিক রোগী কম পরিমাণে খাবার খায় যে কারণে ওজন এর সমস্যা দেখা যায়।
- অসুস্থ: অসুস্থ অসুস্থ ভাব অনুভব করা তবে মোটেও সেই বিষয় নিয়ে অসুস্থ নয় তবে সে মানসিকভাবে অসুস্থ ।
আরো অন্যান্য যে সকল লক্ষ্য রয়েছে
যেমন:
- ভয় পাওয়া।
- বিরক্ত হওয়ার ।
- অল্পতেই রাগ করা।
- দুশ্চিন্তা করা।
- নিজের উপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলা।
- সকলের থেকে দূরে থাকা।
- মাদক ও ধূমপানে আসক্ত হয়ে যাওয়া।
ওপরে শো কর লক্ষণ গুলো যদি কারো মধ্যে বা আপনার মধ্যে থেকে থাকে তবে অবশ্যই
অভিজ্ঞ মানসিক চিকিৎসক এর কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে এই রোগ খুব দ্রুতই নির্মূল
করুন। না হলে বেশি দেরি হলে হতে পারে নানা ধরনের ভিন্ন সমস্যা।
এবং আপনি চাইলেই মানসিক চাপ থেকে খুব সহজেই বেরিয়ে আসতে পারেন। এজন্য আপনাকে
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায় অবলম্বন করতে হবে এবং নিয়ম অনুযায়ী চলতে
হবে।
অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণ
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের থেকে একজন বয়ঃসন্ধিকালের পা দিয়ে আয় এমন বয়সের
ছেলে মেয়ের বেশি পরিমাণে মানসিক চাপের ভেতরে থাকে। এর জন্য অতিরিক্ত মানুষের
চাপের কারণগুলো আমাদের বুঝে এবং আমরা যদি বড় হয়ে থাকে সেগুলো আমাদের ওপরে বা
আমাদের নিজের সাথে করা যাবে না।
আর যদি কোন বাবা-মা হয়ে থাকেন তবে আপনি আপনার বাচ্চার সাথে এমনটা করার
সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে তার মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন। অতিরিক্ত মানসিক
চাপের কারণ হলো:
- অনেক সময় জীবন যাত্রার মান পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার কারণে মানসিক চাপ বেড়ে যায়। যেমন হতে পারে কারো স্কুল পরিবর্তন বা বাড়ি পরিবর্তন বা পরিবারের সদস্যদের সাথে সম্পর্ক খারাপ বন্ধুদের সাথে সম্পর্ক খারাপ এমন ধরনের কারনেও অনেকে মানসিক চাপের মধ্যে চলে যায়।
- অনেক সময় দেখা যায় কাজের চাপের কারণ নিয়ে বা বস এর চাপ এর কারণে অনেকেই মানসিক চাপে পড়ে যাই। অথবা নিজের কোন কাজের চাপে কারণে সে বা দুশ্চিন্তাই পড়ে যায়।
- সমস্যার কারণে অনেক সময় মানসিক চাপে অনেকেই পড়ে থাকে। যেমন কারো যদিও পর্যাপ্ত পরিমাণ নিয়ে অর্থ না থাকে এবং সে যদি পরিবার বা নিজের খরচ চালাতে না পারে অথবা ঋণের বোঝা থাকে এবং অন্যান্য অর্থের যে সকল সমস্যা রয়েছে সে সকল সমস্যার কারণেও মানুষ মানসিক চাপে পড়ে যায়।
- কারো সাথে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার মাধ্যমেও অনেক বেশি মানুষ মানসিক চাপের মধ্যে পড়ে থাকে। কি এমন কেউ কারো সাথে না থাকার মত সমস্যার কারণে ও মানসিক চাপে পড়ে থাকে মানুষ। যেমন কারো ডিভোর্স হয়ে যাওয়া, কারো ব্রেকআপ হয়ে যাওয়া, কারো বাচ্চা বা সন্তান হারিয়ে যাওয়া বা মারা যাওয়া। এ সকল কারণেও অনেকেই মানসিক চাপে ও দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। ইত্যাদি আরো অনেক ধরনের কারণ রয়েছে যে কারণগুলোর মাধ্যমে মানুষ দুশ্চিন্তায় বা মানসিক চাপে পড়ে যায় আবার কেউ কেউ মানসিক রোগী হয়ে যায়।
উপরের এই সকল কারণগুলো থেকে দূরে থাকুন এবং আপনার যদি মানসিক চাপ বা মানসিক
রোগের মধ্যে আপনি ভুগছেন তবে আপনি মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায়ে অবলম্বন
করে আপনার মানসিক রোগ থেকে দূরে সরে আসতে পারেন।
মানসিক চাপ কমানোর ইসলামিক উপায়
মানসিক চাপ কমানোর ইসলামিক উপায় অবলম্বন করে আমরা খুব সহজেই আমাদের মানসিক চাপ
কমাতে পারি। যেমন আমরা যদি নিয়মিত নামাজ আদায় করি তবে আমাদের মন অনেক শান্ত ও
প্রশান্তি লাভ করবে। আবার আমরাও যখন কোরআন তেলাওয়াত করি বা শুনি তখন আমাদের মন
শীতল হয়ে যায়।
এবং অনেক ভালো অনুভব। আপনি যদি মানসিক চাপ এর মধ্যে থাকেন তবে অবশ্যই আপনি কোরআন
ও হাদিস নিয়ে পড়াশোনা করতে পারেন। এতে করে মানসিক চাপ কমে আসার সম্ভাবনা অনেক
বেশি রয়েছে। এবং অনেক সময় আমরা যখন কোন ভালো পরামর্শ নিয়ে বা কোরআন হাদিসের
আলোকে ভালো পরামর্শ নি তখন আমাদের মানসিক চাপ কমে আসে।
এবং আল্লাহর ওপরে ভরসা এবং আল্লাহকে অনেক বেশি স্মরণ করার মাধ্যমে আমাদের মন ভালো
হয়ে যায়। এর জন্য মানসিক চাপ কমানোর জন্য আপনি ইসলাম এর পথে আসতে পারেন এবং
আল্লাহ তাআলার ইবাদত করতে পারেন এভাবেই আপনি মানসিক চাপ থেকে খুব সহজে এবং
তাড়াতাড়ি বেরিয়ে আসতে পারবেন।
মানসিক রোগের তালিকা
মানসিক রোগের তালিকা অনেক রয়েছে যেগুলো আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন উপরের
মানসিক চাপের লক্ষণগুলো বুঝে। মানসিক রোগের তালিকা মধ্যে সবথেকে বেশি থেকে থাকে
কম বয়সের মানুষ। কেননা কম বয়সের মানুষরাই মানসিক রোগে বেশি ভুগে।
মানসিক রোগের তালিকা এবং মানসিক রোগের নামগুলো নিচে দেওয়া হল:
- ডিমেনশিয়া।
- অটিজম।
- বুদ্ধি প্রতিবন্ধী।
- মাদকাসক্তি।
- ব্যক্তিত্বের সমস্যা।
- ঘুমের সমস্যা।
- খাবার সংক্রান্ত মানসিক রোগ।
- পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার।
- ফোবিয়া।
- প্যানিক অ্যাটাক।
- অবসেসিভ-কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার।
- সিজোফ্রেনিয়া।
- বাইপোলার মুড ডিসঅর্ডার।
- দুশ্চিন্তা।
- বিষণ্ণতা (Depression)।
মানসিক রোগ কি ভালো হয়
অনেকে মনে করে থাকে মানসিক রোগ ভালো হবার সম্ভাবনা অনেক কম হয়ে থাকে। তবে এটি
ভুল ধারণা। মানসিক রোগে যদি সঠিক ধরনের চিকিৎসা এবং রোগ অনুযায়ী চিকিৎসা
দেওয়া যায় তবে এটি খুব দ্রুত ও খুব সহজেই ভালো হয়ে যাওয়া।
প্রথম মানসিক রোগে কোন পর্যায়ে রয়েছে এবং কোন ধরনের মানসিক রোগ হয়েছে সেটি
নির্ণয় করে একজন ভালো সাইকোলজিস্ট ও অভিজ্ঞ মানসিক চিকিৎসক এর সাথে পরামর্শ করে
ওষুধ সেবন করতে হবে এবং মানসিক রোগ নিয়ে অনেক সচেতন থাকতে হবে অনেকেই মনে করেন।
যে মানসিক রোগ বিধাতার অভিশাপ এমন ধরনের কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে
এবং মানসিক রোগ হলে অনেকেই কুসংস্কারের মধ্যে ঢুকে যায় যে কারণে এগুলো থেকে
বেরিয়ে আসতে হবে। রোগীর অনেক পরিমাণে সহযোগিতা লাগে যে যে কারণে মানসিক রোগীর
সাথে ভালো সময় দিতে পারলে মানুষের রোগী অনেক পরিমাণে সুস্থ হয়ে ওঠে।
যেমন বন্ধুদের সাথে মেলামেশা পরিবারের সাথে মেলামেশা করার মাধ্যমে অনেক মানসিক
রোগী অনেক ভালো অনুভব করে। মানসিক রোগ হলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম খাদ্য ও ব্যায়াম
করা অনেক জরুরী।
এবং এর সাথে ভালো চিকিৎসক এবং চিকিৎসকের পরামর্শ এবং ওষুধ সেবন করতে হবে মানসিক
রোগীকে। এভাবেই খুব সহজেই মানসিক রোগ নির্মূল করা যেতে পারে। আবার আপনি মানসিক
চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায়ে অবলম্বন করতে পারে। এবং মানসিক রোগীর আছে খারাপ
ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
মানসিক রোগ থেকে মুক্তির উপায়
মানসিক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমাদের যে সকল উপায় অবলম্বন করতে হবে। তা
খুবই সহজ মানসিক রোগ থেকে মুক্তির উপায় গুলো অবলম্বন করার মাধ্যমে আমরা খুব
সহজেই মানসিক রোগ থেকে বেরিয়ে আসতে পারি।
মানসিক চাপ থেকে এবং মানসিক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় গুলো একই ধরনের।
মানসিক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় গুলো হলো:
- নিজেকে ব্যস্ত রাখা।
- ধর্মীয় চর্চা করা।
- ঠিকমতো ঘুমানো।
- ব্যায়াম করা নিয়মিত।
- প্রিয় মানুষের সাথে থাকা।
- প্রিয় কাজ করা।
- ধূমপান থেকে বিরত থাকা।
- সামাজিক কাজে নিযুক্ত থাকা
- ভালো কাজ করা।
- বিরক্তকর কাজ থেকে দূরে থাকা।
- চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলা।
- সুষম ও ভালো মানের খাদ্য গ্রহণ করা।
- দুশ্চিন্তা জনিত কাছ থেকে বিরত থাকা।
মানসিক রোগ থেকে মুক্তির উপায় এগুলোই হতে পারে কার্যকরী। আপনি চাইলে আপনার
অভিজ্ঞ চিকিৎসক পরামর্শ অনুযায়ী চলতে পারেন আবার এই সকল বিষয়টি অনুযায়ী চলতে
পারেন।
আমাদের পরামর্শ
প্রিয় পাঠক উপরে থেকে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১০টি উপায় জেনে নিন। উপরে
উপায় গুলো অবলম্বন করে আপনি খুব সহজেই আপনার আবেগ ও মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে
পারবেন। তবে আপনার যদি অতিরিক্ত পরিমাণে দুশ্চিন্তা বা ডিপ্রেশনের মধ্যে চলে
যান ।
তবে অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী জীবন যাপন ও চলাফেরা করা উচিত।
এবং ডিপ্রেশনের জন্য অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক এর পরামর্শ নিন। সুস্থ থাকুন
ভালো থাকুন।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url