রমজানে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা - করণীয় জেনে নিন
রমজানে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা বিষয়ে আমরা অনেকেই অনেক কিছু না জেনে থাকি। ডায়াবেটিস রোগীর জন্য রমজান মাসে রোজা রাখা খুবই উপকারী। তবে মেনে চলতে হবে বিশেষ ধরনের নিয়ম-কানুন।
সূচি পত্র: রমজানে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা - করণীয়
রমজানে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা - করণীয় জেনে নিন
একজন স্বাভাবিক রোজাদার এর মত একজন ডায়াবেটিস রোগে খুব আরাম ও সহজেই রোজার রাখতে পারবেন। এতে কোন ধরনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। শুধু রমজানে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা ও রোগীদের কিছু নিয়ম অবলম্বন করে রোজা থাকার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই বিষয়গুলো অবলম্বন করে যদি একজন ব্যক্তি রোজা রাখে তবে তার পুরো রমজান মাস জুড়ে রোজা করতে কোন ধরনেরই সমস্যা দেখা দেবে না। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের রমজান মাসে অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করার প্রয়োজন তেমন হয় না
কেননা নামাজ বা তারাবির নামাজ পড়ার মাধ্যমে হাঁটাহাঁটি বা অন্যান্য সকল ধরনের ব্যায়াম করার উপকারিতা গুলো পাওয়া যায়। তবে ব্যায়াম করেই কি শুধু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় না। যাদের ডায়াবেটিসের ইনসুলিন দেওয়া লাগে তারা অবশ্যই সেই ইনসুলিন দিতে পারবে রোজা থাকা অবস্থায়।
এতে রোজার কোন ধরনের ক্ষতি হবে না। তবে আপনি রোজা থাকা অবস্থায় ডায়াবেটিস এর ওষুধ সেবন বা খেতে পারবেন না। আপনি এমনটা করতে পারেন ইফতারির সময় রাতের ওষুধ খেতে পারেন আর সেহেরির সময় সকালের ওষুধ খেতে পারেন। তবে ওষুধ ও ইনসুলিন রোজা থাকা অবস্থায় গ্রহণ বা সেবন করার পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেটি গ্রহণ করতে হবে।
কেননা অনেকের ওষুধ সেবনের মাত্রা বেশি হতে পারে আবার কম হতে পারে যে কারণে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রমজানে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করতে হবে। শুধু রমজানে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করলে ডায়াবেটিস রোগী সুস্থ থাকবে এমনটি নয়।
যদি এই ডায়াবেটিস রোগীর রোজা থাকা অবস্থায় বা রোজা না থাকা অবস্থায় যদি কোন ধরনের অসুস্থতা দেখা দেয় অবশ্যই তাকে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। রমজানের ডায়াবেটিসের চিকিৎসার পাশাপাশি আমাদের খাদ্য ও জীবনযাপনের বিষয়টি ও খেয়াল রাখতে হবে যেটি নিজে জানানো হয়েছে।
রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর করণীয়
রমজান নিয়ে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা ও করণীয় বিষয়গুলো আমাদের খুব বেশি মাথায় রাখতে হবে। রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর করণীয় বিষয়গুলো জেনে ও ভালোভাবে বুঝে সেই বিষয়ে রোজা রাখতে হবে ডায়াবেটিস রোগীদের। ডায়াবেটিস রোগীরা যদি তাদের নিয়ম অনুযায়ী রোজা না পালন করে তবে ঘটতে পারে নানান সমস্যা।
যে কারণে রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর করণীয় হলো:
- যাদের অতিরিক্ত পরিমাণে ডায়াবেটিস রয়েছে এবং রক্তের শর্করা কমে গেলে যারা বুঝতে পারে না এবং যাদের জটিল ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের রমজানের রোজা না রাখাই ভালো। তবে যদি আপনার এমন ধরনের বা অল্প সমস্যা থেকে থাকে তবে অবশ্যই রোজা থাকা উত্তম।
- রমজানে খাদ্য অভ্যাস ও ব্যায়াম ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করার মাধ্যমে রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর অনেক ধরনের উপকার রয়েছে। যে কারণে রমজান মাসে খাদ্য অভ্যাস ও ব্যায়াম ও জীবনযাত্রার মান উন্নত ও ভালো করতে হবে। এবং ডায়াবেটিস রোগীদের খাবারের ক্ষেত্রে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে যেন ডায়াবেটিসজনিত খাবার গ্রহণ না করে ফেলে।
- রোজা থাকা অবস্থায় যদি চোখে ঝাপসা দেখা মাথা ঝিমঝিম করা বা অতিরিক্ত পরিমাণে হাত কাঁপা, এবং অন্যান্য সমস্যা বোধ করলে অবশ্যই সময় নির্ধারণ করে রক্তের গ্লুকোজ পরিমাপ করতে হবে। এবং দেখতে হবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কিনা। যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকে তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
আরো পড়ুন: রোজা রেখে লাভ নেই যাদের তা বিস্তারিত জানুন
ইনসুলিন ও ওষুধ সেবন করবেন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। এবং ওষুধও ইনসুলিন নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নিয়মে নিতে হবে নয়ত বা ডায়াবেটিসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে। রমজানে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা মেনে চললে রোজার মাস পুরোটাই আপনি সুস্থ থাকবেন।
রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর খাবার তালিকা
রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর খাবার তালিকা অনুযায়ী যদি একজন ব্যক্তি খাবার গ্রহণ করে এবং নিয়ম মেনে এবং খাবারের পরিমাপ অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করে তবে সে ব্যক্তি খুব সুস্থ ভাবেই রোজা পালন করতে। ডায়াবেটিস রোগীদের সকল ধরনের খাবার খাওয়া উচিত নয়।
যে কারণেই রমজানের ডায়াবেটিসের চিকিৎসা ও খাবার তালিকা দুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রমজানে যে সকল খাবার আপনি খেতে পারবেন তা হল:
- শরবত: রমজান মাসে অনেকেরই সবথেকে প্রিয় পানীয় হচ্ছে শরবত। তবে আমাদের যাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে তাদের সকল ধরনের শরবত খাওয়া একদমই ঠিক নয়। যে কারণে আমাদের চিনি জাতীয় পানীয় বা শরবত খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। আপনি অতিরিক্ত পরিমাণে মিষ্টি শরবত থেকে বিরত থাকুন এবং যেকোনো ধরনের সবজি বা ফল এর যেগুলো ডায়াবেটিসের সমস্যা করে না সে ফলের শরবত খেতে পারেন।
- যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা অবশ্যই তেল ও জাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। এগুলো খাওয়ার মাধ্যমে মেয়ে ঘটতে পারে না নানান সমস্যা। যে কারণে সমস্যা কাবাব বা পরোটা জাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকতে। এবং সাথে ছোলা মুড়ি বুট ইত্যাদি খাবার থেকে বিরত থাকতে।
- আপনি ইফতার তালিকায় রাখতে পারেন ফলমূল শাক-সবজি এবং আঁশ জাতীয় খাবার।
- রমজানে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা অনুযায়ী রোজার থাকা অবস্থায় সেহরি বা ইফতারের কোন সময়েই অতিরিক্ত পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ করা যাবেনা।
- এবং সেই সময় ডায়াবেটিসের রোগীদের একই ধরনের খাবার খেয়ে রোজা রাখা উচিত একসাথে অধিক পরিমাণের খাদ্য গ্রহণ বা ভিন্ন ভিন্ন খাদ্য গ্রহণ করা উচিত নয়।
- রোজা থাকার জন্য অধিক পরিমাণে সেহরির সময় বা ইফতারের পরে অধিক পরিমাণে সর্বোচ্চ পানি গ্রহণ করা ঠিক নয়। তবে অল্প অল্প করে অধিক সময় ধরে পান করতে পারেন।
- সব সময় এমন ধরনের খাবার গ্রহণ করুন যেটি ডায়াবেটিস রোগীদের কোন ধরনের সমস্যা করে না।
রমজানে ইনসুলিন ঠিক করার উপায়
রমজানে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা এর জন্য ইনসুলিন নেয় অনেকেই। আবার অনেকেই মনে করে যে এর রোজা থাকা অবস্থায় কি ইনসুলিন নেওয়া যাবে। তবে ইসলামের দৃষ্টি ছেলেকে রোজা থাকা অবস্থায় ইনসুলিন নেওয়ার বিষয়টি জায়েজ করা হয়েছে।
যে কারণে রোজা থাকা অবস্থায় ডায়াবেটিস রোগীদের বা অন্যান্য রোগীদের ইনসুলিন নেওয়া ক্ষেত্রে রোজার কোন ধরনের সমস্যা হয় না। তবে আপনার ইনসুলিন এর বিষয় বস্তু ও আপনার রোজা থাকা অবস্থায় কতটুকু ইনসুলিন দিতে হবে সেই বিষয়টি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে।
আপনি রোজা থাকা অবস্থায় সকালের ইনসুলিন ইফতারির সময় এবং রাতের ইনসুলিন সেহরির সময় দিতে পারেন। আবার আপনি রোজা থাকা অবস্থায় ইফতারির ১৫ মিনিট আগেও ইনসুলিন দিতে পারেন। আবার ইফতারি করা শেষেও ইনসুলিন দিতে পারেন।
এবং রোজা থাকা অবস্থায় আপনি ডায়াবেটিসের ওষুধ গ্রহণ করতে পারবেন না। যে কারণে আপনি সকালের ওষুধ ইফতারের সময় এবং রাতের ওষুধের সময় খেতে পারেন। রোজা থাকা অবস্থায় পান করা বা খাদ্য গ্রহণ করা নিষিদ্ধ। তাই ওষুধ খেতে পারবেন না। তবে রমজানের ডায়াবেটিসের চিকিৎসা এর জন্য ইনসুলিন নিতে পারবেন।
তবে ইনসুলিন নেওয়ার পূর্বে অবশ্যই অভিজ্ঞ বা আপনার অভিজ্ঞ যে চিকিৎসক রয়েছে তার কাছে থেকে ডায়াবেটিস রোগীর রোজা থাকা অবস্থায় ইনসুলিন এর পরিমাণ কতটুকু হতে পারে তা এবং কোন সময়তে নিয়ে উত্তম হবে সেটি নিয়ে আলোচনা বা পরামর্শ নেওয়া উচিত।
কি খেলে ডায়াবেটিস দ্রুত কমে
রমজান মাসের ডায়াবেটিসের চিকিৎসার পাশাপাশি আমরা যখন খাদ্য ও ডায়াবেটিস কোন কোন খাদ্যে নিয়ন্ত্রণ থাকে বা দ্রুত কমে যায় সেই সকল খাবার গ্রহণ করব তখন আমাদের রোজা থাকা অবস্থায় তেমন কোন ক্ষতি হবে না। যে কারণে রোজা থাকা অবস্থায় ডায়াবেটিস রোগীদের বাছাইকৃত খাদ্য গ্রহণ করা খুবই উপকারিতা।
যে কারণে ডায়াবেটিস হলে যে সকল খাদ্য গ্রহণ করলে আপনার ডায়াবেটিস খুব দ্রুত কমবে তা হল:
- সর্বপ্রথম আমাদের সকল ধরনের সবজি খেতে হবে যেমন আমরা যখন ভিন্ন ভিন্ন রং বা ভিন্ন ভিন্ন ধরনের সবজি গ্রহণ করব তখন আমাদের ডায়াবেটিস এর পরিমাণ কমতে থাকবে যেমন আমরা সকল রঙের সবজি খেতে পারি।
- সবজির মধ্যে আমরা ফুলকপি বাঁধাকপির ঢেঁড়স পালং শাক লেটুসপাতা এবং মটরশুটির মতো আরও অন্যান্য সবজি খেতে পারি। এতে ডায়াবেটিস কমতে থাকে।
- এবং আমরা যখন চর্বি বিহীন মাংস গ্রহণ করবো তখন আমাদের ডায়াবেটিসের পরিমাণ কমতে থাকে এজন্য চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণ করা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উত্তম নয়।
- এবং অতিরিক্ত পরিমাণে মিষ্টি ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত বা নানা ধরনের পুষ্টিকর ফল খাওয়া উচিত।
এবং আরো অন্যান্য যে সকল বিষয় রয়েছে সেগুলো এড়িয়ে চলার মাধ্যমেই আমরা আমাদের ডায়াবেটিস কমিয়ে আনতে পারবো যেমন আমরা যখন অতিরিক্ত পরিমাণে লবণ বা চিনি বা চর্বি জাতীয় খাদ্যগ্রহণ থেকে বিরত থাকব তখন আমাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসবে। যে কারণে আমাদের চর্বি জাতীয় ও চিনি বা ফাস্টফুড জাতীয় খাবার বা মিষ্টি জাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে।
খেজুর খেলে কি ডায়াবেটিস বাড়ে
অনেক গবেষণা করে দেখা গেছে যে, খেজুর খাওয়ার মাধ্যম ডায়াবেটিস রোগীদের ডায়াবেটিস বৃদ্ধি পায়। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে শুধু ডায়াবেটিস রোগীদের ডায়াবেটিস বৃদ্ধি পায়। তবে আপনি যদি মানসম্মত ভাবে বা নিয়ম অনুযায়ী খেজুর গ্রহণ করেন এবং অল্প পরিমাণে খেজুর গ্রহণ করেন
তবে এটি হতে পারে ডায়াবেটিস এর চিকিৎসা বা ঔষধ। এবং অল্প পরিমাণে খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বা ডায়াবেটিসের জন্য উপকার হতে পারে। তাই আপনি অল্প পরিমাণে খেজুর খেতে পারেন।
এবং সব থেকে উত্তম বিষয় হবে যদি আপনি খেজুর খাওয়ার বিষয় নিয়ে আপনার ডায়াবেটিস এর অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। তাই অতিরিক্ত পরিমাণে বা খেজুর খাওয়ার পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেজুর খাওয়া উচিত ডায়াবেটিস রোগীদের।
ডায়াবেটিস কমাতে কতদিন রোজা রাখতে হয়
রমজানে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা মাধ্যম হলো রোজা রাখা। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে রোজা রাখার মাধ্যমে ডায়াবেটিস এর সমস্যা দূর হতে থাকে। তবে এটি সকল ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে নয়। যাদের অল্প পরিমাণে ডায়াবেটিস রয়েছে তারাই শুধু রোজা রাখার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পারে।
যাদের ডায়াবেটিস স্বাভাবিকভাবে বা অল্প পরিমাণে রয়েছে তারা ৩০ টি রোজা রাখার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পারে। কেননা ওজন কমিয়ে আনে ৩০ টি রোজা রাখার মাধ্যমে এবং এবং এটি ইনসুলিন এর কার্যকরিতা উন্নত করতে পারে।
তাই ডায়াবেটিস রোগীদের রোজা রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। আবার আপনি রমজান মাস ছাড়াও সপ্তাহে দুই দিন রোজা রাখতে পারবেন এবং এভাবে রোজা রাখার মাধ্যমে আপনার ডায়াবেটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
তবে এমন ভাবে রোজা রাখার বিষয় এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
আমাদের পরামর্শ
রমজান মাস হল আল্লাহর ইবাদতের মাস। তাই রমজান মাসে রোজা রাখার ক্ষেত্রে আমাদের বিশেষ ধরনের কোন ক্ষতি হয় না। কেননা আল্লাহ তাহলে আমাদের সাহায্য ও রক্ষা করে থাকেন। তাই রমজান মাসের রোজা রাখার ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রোজা রাখতে হবে এবং সকল নিয়ম অনুযায়ী ইনসুলিন ও ওষুধ সেবন করতে হবে। আমরা সকলে ইবাদত করি। সুস্থ থাকি, ভালো থাকি।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url