দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ - সমাধান জেনে নিন
প্রিয় পাঠক নিচে দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ ও সমাধান দেওয়া রয়েছে। নিচে পড়ার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন যে আপনার দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সার হয়েছে কিনা।
সূচিপত্র: দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ ও সমাধান
দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ - সমাধান জেনে নিন
দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের সমস্যা দিন দিন আমাদের দেশে বেড়ে চলেছে। অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং দাঁতের ভালোভাবে যত্ন নেওয়ার নেওয়ার কারণে দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সার এর সমস্যা বেড়ে চলেছে। এই ক্যান্সার যদি আমরা সাধারণত সঠিক সময়ে বুঝতে না পারি তবে ঘুরতে পারে মর্মান্তিক সমস্যা।
যে কারণে দাঁতের মাড়িতে যে কন সমস্যা হলে এটি কি কারণে হয়েছে। এবং ওই সমস্যাটির কারণ কি সেগুলো খুজে বাহির করা উচিত। কেননা দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের মত নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাই আমাদের লক্ষণ বুঝে জানতে হবে এগুলো কি কিসের লক্ষণ।
চলুন জেনে আসি দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ: দাঁতের মাড়ির লক্ষণ গুলো হল:
- ব্যথা: দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সার হলে সর্বপ্রথম যে লক্ষণ টি দেখা দেয় সেটি হল দাঁতের মাড়িতে প্রচন্ড পরিমাণে ব্যথা। যে ব্যথাটি সবসময় অনুভব হয়।
- মাড়ি সাদা: মাড়িতে ক্যান্সার হলে অনেক সময় মাড়ির যে আশেপাশের অংশ আছে বা পুরো মাড়ি টাই সাদা হয়ে যাই।
- ঘা: দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ এর মধ্যে অন্যতম একটি লক্ষণ হল মাটিতে ঘা হয়ে যাওয়া মাড়ির আশেপাশের যে সকল অংশ রয়েছে সে সকল অংশে ঘা হতে থাকা এবং সেটি দীর্ঘদিন ধরে থাকা।
- রক্ত: দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ গুলোর মধ্যে আরেকটি লক্ষণ হল দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া বা মাটির আশেপাশের যে সকল দাঁত রয়েছে সেগুলো থেকে রক্তপাত হওয়া।
- ফুলে যাওয়া: মাড়ি হঠাৎ করেই ফুলে যাওয়ার মাধ্যমেও বা মাড়ি বড় হয়ে যাওয়ার মাধ্যমেও ক্যান্সারের লক্ষণ বোঝা যায়।
- দাঁত নড়া: দাঁতে বা মাড়িতে ক্যান্সার হওয়ার মাধ্যমে মাড়ির আশেপাশের দাঁতগুলো নড়াচড়া করতে পারে।
উপরের এমন ধরনের লক্ষণ যদি আপনার দেখা দেয় তবে অবশ্যই খুব দ্রুত এর চিকিৎসা নেওয়া উচিত। দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ এর সাথে যদি কোন লক্ষণ বা কিছু লক্ষণ আপনার সাথে মিলে যায় তবে অবশ্যই চিকিৎসা নিতে হবে। কেননা ক্যান্সার যদি বৃদ্ধি পায় তবে হতে পারে ভয়াবহ সমস্যা।
তাই আমাদের খুব দ্রুত মাড়িতে ক্যান্সার হলে এটির চিকিৎসা করতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগের চিকিৎসা করলে বা প্রথম দিকেই এই রোগের চিকিৎসা করলে এই রোগটি ঠিক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বেশি থাকে।
তাই দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ গুলো বুঝতে পারা সাথে সাথেই প্রাথমিক পর্যায়ের চিকিৎসা করতে হবে। আপনি ক্যান্সার রোগ এর নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসা গুলো করতে পারেন যেমন কোমোথেরাপি দিতে পারেন। আবার রেডিয়েশন বা দাঁতের সার্জারি করাতে পারেন।
এ সকল চিকিৎসা ও অপারেশনের মাধ্যমে দাঁতের ক্যান্সার ঠিক হয়ে যেতে পারে। দাঁতের চিকিৎসা করবেন তত তাড়াতাড়ি এটি ঠিক হবে।
দাঁতের মাড়িতে ইনফেকশন হলে কি করনীয়
দাঁতের মাড়িতে ইনফেকশন হলে কি করনীয় এ বিষয়ে যদি আমাদের জানা থাকে তবে আমাদের দাঁতের মাড়িতে ইনফেকশন হলে আমরা খুব দ্রুতই এর চিকিৎসা ও এ দাঁতের মাড়িতে ইনফেকশন হলে কি করণীয় তা খুব সহজেই করতে পারো।
যাতে মাড়িতে ইনফেকশন হলে সর্বপ্রথম ডাক্তারের পরামর্শ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং সে পরামর্শ অনুযায়ী দাঁতের চিকিৎসা করা উচিত। এবং আপনি যে সকল কাজ করতে পারেন তা হল:
- প্রত্যেকদিন নিয়মিত ভাবে ব্রাশ করার মাধ্যমে তাদের ইনফেকশন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
- দাঁতের মধ্যে যদি খাবার আটকে থাকে তাহলে সেটিকে পরিষ্কার করতে হবে। বা আপনি রাতে বা যে কোন সময় খাবার খাওয়ার পর ব্রাশ করতে পারেন।
- অ্যান্টিসেপটিক মাউথওয়াশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করতে পারেন।
- এবং ইনফেকশনের কারণে যদি আপনার দাঁতের মধ্যে ব্যথা হয়ে থাকে তবে আপনি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে পারেন।
- দাঁতের যে অংশে ইনফেকশন হয়েছে সে অংশে এলোভেরার জেল দিতে পারেন।
- প্রত্যেকদিন সকালবেলায় লবণ পানি দিয়ে কুচকুলি করার মাধ্যমে দাঁতের ইনফেকশন দূর হতে পারে।
মুখের ক্যান্সার কেন হয়
মুখের ক্যান্সারের অনেক ধরনের কারণ রয়েছে যে কারণগুলো আমরা দীর্ঘ দিনে নিয়মিত করে আসছি। আমাদের স্বাভাবিক জীবন-যাপন করার মাধ্যমেও আমরা বয়ে আনছি ক্যান্সার। কেননা আমরা যেটাকে স্বাভাবিক জীবনযাপন মনে করেছি সেটি আসলেও স্বাভাবিক জীবন।
আমাদের খাবারের অভ্যাস ও জীবনযাপনের ধারা অনুযায়ী হতে পারে আমাদের ক্যান্সার। সব সময় আমরা যদি গরমও ঠান্ডা জাতীয় খাবার খেয়ে থাকি সেটাও আমাদের দাঁতের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। আবার আমরা তেলে পড়া বা মিষ্টি জাতীয় খাবারও যদি খেয়ে থাকি সেটির কারণেও হতে পারে আমাদের মুখে ক্যান্সার।
কেননা মিষ্টি জাতীয় ও তেল জাতীয় খাবার খাওয়ার পরে যদি আমরা ঘুমিয়ে পড়ি তবে সেটি হতে পারে ক্যান্সারের কারণ। যে কারণে তৈল বা মিশ্র জাতীয় কোন কিছু খাওয়ার পর অবশ্যই ব্রাশ বা কুলি করা উচিত। আবার সব থেকে বেশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় পান, সুপারি বা জর্দা খাওয়া মানুষ গুলি।
এর মধ্যে পড়ে যাই বিড়ি সিগারেট ও অন্যান্য তামাক জাতীয় দ্রব্য সেবনের মানুষগুলো। এর জন্য আমাদের এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। কেননা মুখের ক্যান্সার বিষয়টি অনেক খারাপ এবং অনেক মারাত্মক হয়ে থাকে।
প্রাথমিক পর্যায়ে মুখের ক্যান্সারের লক্ষণ
প্রাথমিক পর্যায়ের মুখের ক্যান্সারের লক্ষণ ও দাঁতের মাড়ির ক্যান্সারের লক্ষণ কমবেশি একই ধরনের হয়ে থাকে এবং আপনি যে কারণগুলো দেখে বুঝবেন যে আপনার মুখের ক্যান্সার হয়েছে সেগুলো আপনি ভালোভাবে বুঝে ওপরে নিতে পারেন এখান থেকে।
নিজে যে সকল লক্ষণ গুলো দেওয়া আছে সেগুলো দেখে আপনি বুঝতে পারবেন প্রাথমিক পর্যায়ের মুখের ক্যান্সারের লক্ষণ। এই প্রাথমিক পর্যায়ের মুখের ক্যান্সারের লক্ষণ গুলো দেখার বা আপনার সাথে যদি মিলে যায় তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন কোনো দেরি না করে।
কেননা মুখের ক্যান্সার থেকে আরো অন্যান্য জায়গাতেও ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণ গুলো জেনে ক্যান্সারের চিকিৎসা করতে হবে লক্ষণ গুলো হল:
- মুখে ক্যান্সার হলে মুখের মধ্যে বা গলার মধ্যে ব্যথা হতে পারে আবার কোন কিছু খাবার সময় জ্বালাপোড়া করতে পারে।
- মুখের মধ্যে যদি ক্যান্সার হয় তবে আপনার মুখের মধ্যে অবশ্যই ঘা হবে এবং সেই ঘা টি খুব সহজেই ভালো হতে চাইবে না এবং অনেক সময় ধরে এই ঘা টি রয়ে যাবে।
- আপনার যখন মুখের মধ্যে ঘা বা জ্বালাপোড়া বা ব্যথা হবে তখন আপনি কোন কিছু পান করতে বা খাইতে ব্যথা অনুভব করবেন বা কোন কিছু খাইতে পারবেন না।
- আপনার পুরা জিহ্বায় ও পুরো মুখের মধ্যে ঘা হতে পারে।
- আপনার মুখের মধ্যে একটা হওয়ার কারনে জিব্বায় বা মুখের ওপর থেকে ঘা এর মধ্যে থেকে রক্ত বের হতে পারে।
- ঘা হওয়ার কারণে বা ক্যান্সার হওয়ার কারণে আপনার মুখের মধ্যে লাল ও সাদা কালারের দাগ হতে পারে যেটি ঘা এর মত দেখতে হবে।
- আপনার মুখের বা গলার কাছে কোন কিছু আটকে থাকার মত অনুভব হতে পারে।
দাঁতের মাড়ি ফোলার কারণ কি
দাঁতের মাড়ি ফুল আর অনেক ধরনের কারণ রয়েছে যে কারণগুলো খুবই ভয়াবহ কারণ এর মধ্যে একটি হলো দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সার হওয়া। শুধু দাঁতের মাড়ি ফোল্ডার কারণেই দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সার হয় না আরো অন্যান্য লক্ষণ এর সাথে মিলে যাওয়া দরকার হয় যে কারণে আপনি দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ গুলো ভালোভাবে জেনে আসতে পারেন।
সেই লক্ষণ গুলোর সাথে যদি মিলে যায় তবেই দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এবং দাঁতের মাড়িতে আরো ক্যান্সার হয় নিয়মিত না করার কারণে। আমরা যখন নিয়মিত ব্রাশ করি না তখন আমাদের দাঁতের মধ্যে প্লাক নামের একটি ব্যাকটেরিয়া জমা হয় যেটি আমাদের দাঁতের মাড়ি ফোলার অন্যতম কারণ হয়ে থাকে।
এর জন্য আমাদের প্রত্যেকদিন ব্রাশ করতে হবে। এবং আরো অন্যান্য কারণে ও দাঁতের মাড়ি ফুলতে পারে। যেমন ভিটামিন ডির অভাবেও আমাদের দাঁতের মাড়ি ফুলতে পারে আবার ভিটামিন সি এর অভাবেও আমাদের দাঁতের মাড়ি ফুলতে পারে। অনেক সময় দেখা যায় যারা গর্ভবতী মহিলা তাদের অনেক সময় দাঁতের মাড়ি ফুলে থাকে।
মুখের ঘা থেকে কি ক্যান্সার হয়?
মুখে ঘা থাকলে ক্যান্সারের সম্ভাবনা দেখা দেয় কি এটি অনেকেই জানতে চাই এবং জানার ইচ্ছা হয়ে থাকে। কেননা অনেক সময় আমাদের ভিটামিনের অভাবে মুখের মধ্যে ঘা হয়ে থাকে যেটি সকলের একবার না একবার হলেও হয়।। তবে মুখের ঘা ক্যান্সারের রোগ ব্যাধি বহন করে।
যে কারণে মুখে ঘা হলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তবে সব সময় এই সম্ভাবনা থাকে না কোন কোন সময় আমাদের মুখে ঘা হয় ভিটামিন বা অন্যান্য সমস্যার কারণে। যে কারণে সর্বপ্রথম আমাদের দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ গুলো জানতে হবে কোন লক্ষণ গুলো থাকলে আমাদের মুখের মধ্যে ক্যান্সার হতে পারে
ঘা হওয়ার মাধ্যমে তা ভালোভাবে বুঝতে হবে। এবং আমাদের মুখের মধ্যে যদি দীর্ঘ মেয়াদি কোন ঘা থাকে তবে সেটি অবশ্যই ভালোভাবে পরীক্ষা করতে হবে কেননা মুখের মধ্যে দীর্ঘ সময় ঘা থাকা এবং ঘা ভালো না হওয়ার কারণ হতে পারে ক্যান্সার।
তাই মুখের মধ্যে ঘা ভালো না হলে ক্যান্সার পরীক্ষা করে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন ও অপারেশন করা উচিত।
দাঁতের মাড়িতে ঘা এর ঔষধ
দাঁতের মাড়িতে ঘা দীর্ঘদিন থাকার কারণে আমাদের মুখের মধ্যে হতে পারে ক্যান্সারের মতো অন্যান্য সমস্যা। যে কারণে আমাদের দাঁতের মাড়িতে ঘা হওয়ার ঔষধ গুলো সেবন করতে হবে। ওষুধগুলো সেবন করার মাধ্যমে আমাদের দাঁতের মাড়িতে ঘা এর সমস্যা গুলো সমাধান হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি।
যদি এটি স্বাভাবিক ঘা হয়ে থাকে তবে খুব দ্রুতই এক দুই দিনের মধ্যে এটি সেরে যাবে। এবং এটি যদি না ছাড়ে তবে এটি ক্যান্সারের লক্ষণ বহন করতে পারে।
এই ওষুধগুলো আপনি যদি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খান তবে অবশ্যই আরো বেশি কার্যকরী হবে আর আপনি যদি ডাক্তারের কাছ থেকে না ওষুধ খেতে চান তবে আপনি মুখের ঘা এর জন্য যে সকল ওষুধ খেতে পারেন তা হল:
- ব্যথার ঔষধ: অ্যাসিটামিনোফেন বা আইবুপ্রোফেন।
- অ্যান্টিবায়োটিক: Minocycline HCL বা Chlorhexidine।
দাঁতের মাড়ি শক্ত করার উপায়
দাঁতের মাড়ি শক্ত করার উপায় গুলো জেনে আমরা দাঁতের মাড়ি শক্ত করতে পারবো। কেননা অনেক সময় আমাদের তার দুর্বল হয়ে পড়ার কারণেও আমাদের দাঁতের মধ্যে অনেক ধরনের ইনফেকশন ও রোগ জীবাণু আক্রমণ করে। এ কারণে আমাদের দাঁতের মাড়ি শক্ত করা উচিত।
আরো পড়ুন: কাশির সাথে রক্ত আসার কারণ কি ও সমাধান জানুন
তাদের জন্য আমাদের প্রত্যেকদিন ব্রাশ করতে হবে এবং দাঁত পরিষ্কার রাখতে হবে আমাদের দিনে ও রাতে দুইবার ব্রাশ করতে হবে এবং খাওয়ার আগে ও পরে ব্রাশ করা ভালো। এবং এর সাথে আমাদের পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে যেমন ক্যালসিয়াম প্রোটিন বা দুধ এবং আরো অন্যান্য প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে যেটি দাঁত শক্ত করে।
এবং কসকচে ধরনের সবজি ও সবুজ শাকসবজি খেতে হবে এভাবে আমরা দাঁত শক্ত করতে। আর আপনার দাঁতের মধ্যে যদি ইনফেকশন হয়ে থাকে তবে দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ এর মধ্যে পড়ে কিনা তা নির্ণয় করে চিকিৎসা করুন।
আমাদের পরামর্শ
প্রিয় পাঠক ওপরে দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ ও সমাধান দেওয়া রয়েছে এবং আরো অন্যান্য বিষয়েও বর্ণনা করা হয়েছে আপনি উপরের অংশগুলো পড়ার মাধ্যমে অনেক সহজেই বুঝতে পারবেন দাঁতের মাড়িতে কিভাবে ক্যান্সার হয় এবং কোন লক্ষণ গুলো ক্যান্সারের। তাই ওপরের আর্টিকেল টি ভালোভাবে পড়ে আপনার দাঁতের ক্যান্সার হয়েছে কিনা তা নির্ণয় করুন।
এবং উপরে কোন অংশ যদি বুঝতে না পারেন তবে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন আমরা আপনাকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। দাঁতের যত্ন নিন। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url