গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ - প্রেগনেন্সি টেস্ট - কিট ব্যবহারের নিয়ম জানুন
প্রিয় পাঠক গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ ও প্রেগনেন্সি টেস্ট এর নিয়ম নিচে ভালোভাবে জানানো হয়েছে। আপনি গর্ভবতী হয়েছেন কিনা এই বিষয়টি বোঝার ভুল নিয়ম অবলম্বন করার মাধ্যমে হতে পারে নানা সমস্যা।
সূচিপত্র: প্রেগনেন্সি টেস্ট ও গর্ভবতী হওয়ার সকল লক্ষণ
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ - প্রেগনেন্সি টেস্ট - কিট ব্যবহারের নিয়ম জানুন
একটি মহিলা গর্ভবতী হওয়ার চেয়ে আর কোন বড় আনন্দের সংবাদ তার জন্য মনে হয় হতে পারে না। একজন নারী গর্ভবতী হওয়ার জন্য অনেক কষ্ট সহ্য করে এবং কষ্ট সহ্য করার পরে একটি সুন্দর ফুটফুটে বাচ্চা জন্ম দেয়।
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ গুলো জানার ফলে আমরা খুব সহজে বুঝতে পারবো যে আমরা কি আসলেই গর্ভবতী নাকি না। চলুন জেনে আসে গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ গুলো:
- একজন মহিলা গর্ভবতী হওয়ার প্রথম লক্ষণই হল তার পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়া।
- গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণের মধ্যে আরেকটি লক্ষণ হলো সাদা স্রাব হওয়া।
- গর্ভবতী হওয়ার ফলে অনেক সময় মহিলাদের বুক জ্বালা পোড়া করে।
- বেশিরভাগ সময়েই মাথা ব্যাথার মত সমস্যা দেখা দেয়।
- ঘন ঘন প্রস্রাব এর সমস্যা ও অনেকের দেখা যায় যে গর্ভবতী হওয়ার পর থেকে তার ঘন ঘন অনেকবার প্রস্রাব হচ্ছে।
- বুকে স্তন নরম হয়ে আসা বা বুকের স্তন কোমল হয়ে যাওয়া।
- অনেকের ক্ষেত্রে গর্ভবতী হওয়ার পর থেকে বমি বমি ভাব এর সম্ভাবনা থাকে বেশি আবার অনেকের ক্ষেত্রে এমনটা দেখা দেয় যে তাদের বমি হয়ে যায়। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে শুধু বমি বমি ভাব টাই থাকে।
- গর্ভবতী হওয়ার ফলে নারীদের মেজাজের পরিবর্তন আসে অনেকের মেজাজ অনেক খিটখিটে হয়ে যেতে পারে।
উপরে এই সকল লক্ষণগুলো যদি আপনার মধ্যে দেখা দেয় তবে অবশ্যই নিশ্চিত না হয়ে প্রথমে আপনি প্রেগনেন্সি পরীক্ষা করতে পারেন। অনেক সময় এমন লক্ষণ দেখা দেওয়ার পরও অনেকে গর্ভবতী হতে পারে না। তাই এ সকল লক্ষণ দেখার পরও আপনি প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে পারেন। প্রেগনেন্সি টেস্ট কিড ব্যবহারের নিয়ম হলো:
সর্বপ্রথম আপনাকে বাজার থেকে কিংবা ফার্মেসির দোকান থেকে একটি প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট কিনে আনতে হবে। এবং তারপরে সেই প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট এর প্যাকেটটি খোলার পরে আপনি একটি নির্দেশনা পাবেন সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আপনাকে সেই প্রেগনেন্সি কিট টা ব্যবহার করতে হবে।
এবং আপনার যখন নিয়মিত মাসিক হওয়ার পরে হঠাৎ করেই এমন লক্ষণের সাথে মাসিক ছুটে যাবে তখনই এই পরীক্ষাটা করা উত্তম হবে। সেই কিটটি আপনার প্রস্রাবে এর মধ্যে স্ট্রিপ ডুবি বা প্রস্রাব করার সময় প্রস্রাবের সামনে ধরতে হবে। এবং তারপরে যদি +চিহ্ন আসে তবে বুঝতে হবে আপনি গর্ভবতী।
আর যদি -চিহ্ন আসে তবে বুঝে নিতে হবে আপনি গর্ভবতী না। আবার সেটি যদি কাঠের মত দাগ টান ভাবে বোঝাই তবে দুইটি কাঠি আসলে বুঝতে হবে আপনি গর্ভবতী আর একটি কাটে আসলে বুঝতে হবে আপনি গর্ভবতী ।
এমন ভাবেই পরীক্ষা করার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন আপনি গর্ভবতী হয়েছেন কিনা এবং গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ গুলো আপনার মধ্যে বুঝতে পারার পরেই এই পরীক্ষাটি করবেন।
প্রিয় পাঠক আমরা এতক্ষন গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ ও প্রেগনেন্সি টেস্ট করার নিয়ম জানলাম। এখন আমরা গর্ভবতী হওয়ার আরো যে লক্ষণগুলো রয়েছে তা আরো বিস্তারিতভাবে নিচে সেগুলো জানানোর চেষ্টা করব।
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায়
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ কত দিন পর বোঝা যায় এ বিষয়ে নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন। গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ গুলো সাধারণত বাচ্চা নেওয়ার চেষ্টা যখন করবেন তার থেকে কয়েকদিনে পর থেকে এরকম গুলো দেখা। আপনি যখন সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন যাপন করার পর বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা করার জন্য সহবাস করবেন।
তার থেকে প্রথম সপ্তাহ থেকে দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে এই লক্ষণগুলো আপনার দেখা দিবে। উপরের এই লক্ষণগুলো দেখার মাধ্যমে এবং আপনি যখন বুঝতে পারবেন যে আপনার এই সকল লক্ষণ হচ্ছে তখন আপনি অবশ্যই প্রেগনেন্সি টেস্ট করবেন। এবং ভালোভাবে শিওর হয়ে নিবেন যে আপনি আসলেই গর্ভবতী হয়েছেন কিনা।
আবার আপনি যদি আপনার প্রেগনেন্সির ল্যাবে পরীক্ষা করান তবে আরও বেশি ভালো হয়। কেননা কিটের মাধ্যমে পরীক্ষা করার মাধ্যমে অনেক সময় ভুল রিপোর্ট চলে আসে যে কারণে ল্যাবে পরীক্ষা করার নিয়ম খুবই ভালো হয়। এবং সুস্থ বাচ্চা নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের মেনে চলতে হবে বিশেষ কিছু নিয়ম ও নীতি সেগুলো হল: আরো পড়ুন
গর্ভবতী হওয়ার ১ম সপ্তাহের লক্ষণ
একজন মহিলা গর্ভবতী হওয়ার জন্য প্রথম সপ্তাহ কিংবা ২ সপ্তাহের মধ্যেই গর্ভধরন করার জন্য যে সকল লক্ষণ প্রয়োজন হয় সেই সকল লক্ষণ প্রথম সপ্তাহ থেকে দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই ভালোভাবে দেখা যায় বা বোঝা যায়। এই সকল লক্ষণ গুলো দেখে বা বোঝার মাধ্যমেই একজন ভালোভাবে শিওর হয়ে যেতে পারে যে সে গর্ভবতী হয়েছে।
গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ গুলো উপরে ভালোভাবে জানানো হয়েছে আমি চাই যে উপর থেকে পড়ে আসতে পারবেন আবার গর্ভবতী হওয়ার প্রথম সপ্তাহের লক্ষণ গুলো এখন ভালোভাবে আলোচনা করা হবে। গর্ভবতী হওয়ার প্রথম সপ্তাহের লক্ষণ গুলো হল:
- আপনি যখন সহবাস করবেন বাচ্চা নেওয়ার জন্য তার পরের যেই যে পিরিয়ড টি আপনার হওয়ার কথা ছিল সেই পিরিয়ড টি সেই মাসে আর হবে না। আর যদি পিরিয়ড টি হয়ে যায় তবে বুঝে নিতে হবে আপনি পেগনেন্ট না।
- অনেক সময় এমনও হয় যে সহবাস করার পরে প্রেগনেন্ট হওয়ার পরেও প্রথম মাসের পিরিয়ড টি স্বাভাবিকভাবেই হয়ে যায় কিন্তু দ্বিতীয় মাসের পিরিয়ড টি স্বাভাবিকভাবে হয় না।
- এবং যখন একটি মহিলা গর্ভবতী হয়ে যায় তখন তার ক্ষুধার পরিমাণটি একটু বেশি হয়ে যায়। প্রথম সপ্তাহের দিকে এমন লক্ষণ টি বেশি অনুভব হয়।
- এবং স্বাভাবিক সময় যেমন অনেকের স্তন স্বাভাবিক থাকে তবে গর্ভধারণ করার পরে অনেক মহিলাদেরই স্তন নরম হয়ে যায়। যেটি স্বাভাবিক স্তন এর চেয়ে আলাদা অনুভব হয়।
- প্রথম সপ্তাহে কিংবা দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে আপনার জরায়ু থেকে হালকা পরিমাণে রক্তপাত হতে পারে কিংবা দাগ এর মতো হতে পারে।
- এবং সকালের দিকে ঘুম থেকে ওঠার পরে বমি বমি ভাব এর সমস্যা দেখা দিতে পারে আবার বমি ও হয়ে যেতে পারে।
- এবং আরো একটি বড় লক্ষণ হল ঘন ঘন প্রস্রাব এর চাপ দেওয়া।
- এবং গর্ভধারণ করলে প্রথম সপ্তাহ থেকেই মেজাজের পরিবর্তন হওয়া শুরু করবে এবং এটি একদম বাচ্চা জন্ম দেওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত থাকে।
গর্ভবতী হওয়ার তৃতীয় সপ্তাহের লক্ষণ
গর্ভবতী হওয়ার তৃতীয় মাসের লক্ষণ গুলো কিছু দেয়া প্রথম মাসের প্রথম সপ্তাহের মতই। প্রথম মাসে যেমন নরম হয়ে যায় তেমন তৃতীয় মাসেও এটি অব্যাহত থাকে। এবং ওপরে বলে আসলাম যে মেজাজের পরিবর্তন হয়ে যায় বা খিটখেটে টাইপের হয়ে যায়।
এটি যতদিন না সে মহিলা বাচ্চা জন্ম দিচ্ছে ততদিন পর্যন্ত এমন খিটখেটে মেজাজ থাকে। কেননা তার পেটের মধ্যে অনেক ব্যথা কিংবা আরো অন্যান্য মানসিক চাপ থাকার কারণে এমন খিটখিটে মেজাজের সমস্যা দেখা যায়। এবং গর্ভবতী মহিলার একটি কমন সমস্যা হল সে কোন কাজ করতে পারে না।
ভালোমতো কোন কাজ করতে লাগলেই সে ক্লান্ত হয়ে যায়। অনেক সময় গর্ভবতী মহিলা মনে করে যে গ্যাসের কারণে তার বুক জ্বালাপোড়া করতে এসে মনে হয় তবে এটি গর্ভবতী প্রত্যেকটি মহিলারা এমন সমস্যা দেখা দেয় বুক জ্বালা পোড়ার।
এবং তৃতীয় মাস থেকেই একজন গর্ভবতী মহিলার ওজন বাড়তে থাকে কেননা দ্বিতীয় মাস থেকে একটি বাচ্চা দ্রুত বড় হতে শুরু করে এবং সেই মহিলার ওজন খুব দ্রুতই বাড়তে থাকে। এবং গর্ভবতী মহিলার মাথা ঘোরার মত কিংবা মাথা ব্যথার মতো সমস্যা হওয়ার স্বাভাবিক।
প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট এর ছবি
সাবান দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট
আপনি ঘরোয়া ভাবেই বুঝতে পারবেন যে আপনি পেগনেন্ট হয়েছেন কিনা। যখন গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ গুলো আপনার শারীরিক জীবনের সাথে মিলিয়ে যাবে তখন আপনি ঘরোয়া ভাঙবেই প্রেগনেন্সির পরীক্ষা করতে পারবেন এর জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি সাবান।
সাবান ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি গর্ভবতী হয়েছেন কিনা। তবে কিটে পরীক্ষা করা অনেক ভালো এটিতে সঠিক রেজাল্ট হতেও পারে নাও হতে পারে তবে সঠিক রেজাল্ট হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি আর সঠিক রেজাল্ট নাও হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
সাবান দিয়ে পরীক্ষা করার পরে আপনি আবার কিট দিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। সাবান দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য আপনি যা যা করবেন তা হল:
একটি পাত্রের মধ্যে আপনার প্রস্রাব নেন। এবং অপর একটি পাত্রের মধ্যে প্রস্রাব পরিমাণে সাবান পানির মধ্যে ভালোভাবে গলানো। এবং তারপর সে প্রস্রাবের পাত্রের মধ্যে সাবানের পানি গুলো ঢেলে দিন।
তারপরে দেখুন যে সেই প্রস্রাবের পানি আর সাবানের পানি একসাথে মিশিত হওয়ার পরে গোল গোল বেলুনের মত কোন কিছু ভুটভুট করে উঠেছে কি না। এটি কম বেশি সাদা গোলগোল বেলুন এর মত ছোট ছোট হয়ে উঠবে। যদি এমনটা ওঠে তাহলে বুঝে নিবেন যে আপনি গর্ভবতী হয়েছেন।
আর যদি এমন বেলুনের মত না ওঠে তবে বুঝে নিবেন আপনি গর্ভবতী হননি।
প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট এর নাম ও দাম
আমরা আমাদের বাজারে কিংবা সপে কিংবা কোন ফার্মেসিতে পেয়ে যাব প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট। এটি ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি গর্ভধারণ করেছেন কিনা। আবার অনেক সময় আমরা দাম না জানার ক্ষেত্রে আমাদের কাছ থেকে অনেক বেশি দাম নিয়ে নেয় নে।
তাই আমাদের উচিত এর দাম ও নাম জেনে আমরা নিজেরাই নাম বলে ও দাম বলে কিনে আনতে পারবো। যে কারণে আমাদের থেকে টাকা বেশি নিয়ে নেওয়া সম্ভব না থাকবে না।
- Moon Digital Pregnancy Test Cassette: এটার দাম হলো ৫০ থেকে ৫৬ টাকার মধ্যে আপনি এই প্রেগনেন্সির টেস্ট কিনে আনতে পারবেন কোন ফার্মেসি থেকে।
- Pregna News Pregnancy Cassette: এই প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট টি আপনি ৬০ থেকে ৬২ টাকার মধ্যে কিনে আনতে পারবেন যেকোনো ফার্মেসি থেকে।
এই প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট প্যাকেটের মধ্যেই এটি ব্যবহার করার সকল নিয়ম ও ধাপ ভালোভাবে আলোচনা করা আছে আপনি সেখান থেকে ভালোভাবে বুঝে ব্যবহার করতে পারবেন।
টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট
টুথপেস্ট দিয়েও আমরা প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে পারি। যে কারণে আমাদের প্রেগনেন্সি টেস্ট করার ইট কিনতে যে টাকাটা খরচ হতো সেই টাকাটা আর খরচ হবে না। এবং টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি পরীক্ষা করার মাধ্যমে তেমন কোন ভুল রিপোর্ট আসার সম্ভাবনা থাকে না।
তবে কিট দিয়ে পরীক্ষা করাটা উত্তম এবং ল্যাবে গিয়ে পরীক্ষা করাটা আরো উত্তম। টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য যা করবেন তা হলো:
একটি বাটির মধ্যে শুধু টুথপেস্ট নিন যেটি হতে হবে সাদা রং এর যেমন আপনি pepsodent কিংবা sensodine টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। এবং যে বাটির মধ্যে টুথপেস্ট নিয়েছেন সেই বাটের মধ্যে অল্প পরিমাণে আপনার প্রস্রাব দিন। এবং আপনার প্রস্রাব ও টুথপেস্ট একসাথে মিক্স করুন।
মিক্স করার পরে যদি আপনার টুথপেস্ট এর রং পরিবর্তন হয়ে যায় যেমন নীল রঙের বা টুথপেস্ট এর রং যদি পরিবর্তন হয়ে যায় তবে বুঝে নিবেন আপনি গর্ভবতী।
আমাদের পরামর্শ
পাঠক উপরে অনেক বিস্তারিত ভাবে প্রেগন্যান্ট হওয়ার সকল লক্ষণ ও প্রেগন্যান্ট টেস্ট করার নিয়ম ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আপনি যদি ওপরে কোন অংশে বুঝতে না পারেন তবে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন আমরা সেটি আপনাকে ভালোভাবে বোঝানোর চেষ্টা করব।
এবং একটি সুস্থ সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য সুস্বাস্থ্য ও ভালো জীবন যাপন করা খুবই জরুরী তাই সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url