ওজন বাড়ানোর উপায় - ১৫ দিনে মোটা হওয়ার উপায় জানুন

প্রিয় পাঠক নিচে ওজন বাড়ানোর উপায় ১৫ দিনের মধ্যে মোটা হওয়ার উপায় জানানো হয়েছে। এই আর্টিকেল অনুসরণ করলে আপনি খুব সহজেই রোগা শরীর থেকে স্বাস্থ্যবান শরীরের অধিকারী হয়ে যাবেন।
ওজন-বাড়ানোর-উপায়-১৫-দিনে-মোটা-হওয়ার-উপায়-জানুন
সূচিপত্র: ১৫ দিনে মোটা হওয়ার উপায় ও ওজন বাড়ানোর উপায়   

ওজন বাড়ানোর উপায় - ১৫ দিনে মোটা হওয়ার উপায় জানুন

অনেকেই রোগা স্বাস্থ্যর সমস্যায় ভুগতে ভুগতে সিদ্ধান্ত নেয় যে সে মোটা হবে। কিন্তু অনেক সময় ভুল প্রন্থা অবলম্বন করার মাধ্যমে সে মোটা হয় ঠিকই কিন্তু স্বাস্থ্য দিক থেকে হয়ে যায় শূন্য। তার স্বাস্থ্য একদম হয়ে যায় নষ্ট। তাই আমাদের মোটা হতে হবে প্রাকৃতিক উপাদান খাওয়ার মাধ্যমে। 

ওজন বাড়ানোর উপায় অনুযায়ী আমরা যদি ওজন বাড়াই তাহলে আমাদের কোন স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকবে না। তাই চলুন জেনে আসে ওজন বাড়ানোর উপায়:
  • বাদাম: সকল ধরনের বাদাম খাওয়ার মাধ্যমে ওজন বাড়ানো সম্ভব ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম অনেক উপকারী কেননা বাদামের মধ্যে রয়েছে অনেক বেশি ক্যালরি। যেমন আপনি কাজুবাদাম কাঁচা বাদাম চিনা বাদাম এবং ইত্যাদি অন্যান্য বাদাম খেতে পারেন।
  • কিসমিস বা খেজুর: কিসমিস ভাত খেজুর খাওয়ার মাধ্যমেও আমাদের স্বাস্থ্য বৃদ্ধি হতে পারে এবং বিশেষ করে খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং ওজন বাড়াতেও সাহায্য করে খেজুর। এবং সাথে কিসমিস খাওয়ার মাধ্যমে আরো বেশি উপকারী তাই খেজুর ও কিসমিস একসাথে খেতে পারেন পানিতে ভিজিয়ে।
  • দই: দুই জাতীয় সকল ধরনের খাদ্য আপনি গ্রহণ করতে পারেন বেশি বেশি করে এতে অধিক পরিমাণে ক্যালরি থাকার কারণে মোটা বা ওজন বাড়াতে সাহায্য করে যেমন ফুল ক্রিম দই বা পনির বা ক্রিম জাতীয় খাবার আপনি গ্রহণ করতে পারেন ‌
  • মাংস: মাংসের মধ্যে রয়েছে বিশেষ ক্যালরি যেগুলো খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের ওজন বাড়তে খুব দ্রুত সাহায্য করে। এবং মাংসের সাথে অল্প পরিমাণে চর্বি বা মাংসের সাথে যে চর্বি পাওয়া যায় সেটি খাওয়ার মাধ্যমে ওজন বাড়ে। তবে অতিরিক্ত চর্বি খাওয়া উচিত নয়।
  • কলা: কলা খাওয়ার মাধ্যমে আপনার উচ্চতা ও ওজন দুইটাই বৃদ্ধি পাবে এবং কলা সাথে আপনি অ্যাবাকার্ডো ও চকলেট এবং ইত্যাদি আরো অন্যান্য কিছু খেতে পারেন যেগুলো থেকে অধিক পরিমাণে ক্যালরি পাওয়া যায়।
  • দুধ: প্রত্যেকদিন দুধ খাওয়ার মাধ্যমে ওজন বৃদ্ধি হতে সাহায্য করে বিশেষ করে ননি যুক্ত দুধ বা স্বর বা মালাই যুক্ত দুধ খাওয়ার মাধ্যমে ওজন বৃদ্ধি হতে সাহায্য করে এর মধ্যে রয়েছে বিশেষ ক্যালরি।
  • ফল: শুকনো ফল খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের ওজন বাড়তে সাহায্য করে যেমন কলা পেয়ারা আপেল ইত্যাদি শুকনা জাতীয় ফল খেলে ওজন বাড়ে দ্রুত।
  • বীজ: বীজ জাতীয় খাবার খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের ওজন বাড়তে সাহায্য করে। বীজ জাতীয় খাবারের মধ্যেও রয়েছে অধিক পরিমাণে ক্যালরি।
১৫ দিনের মধ্যে ওজন বাড়ানোর উপায়
অনেকে মনে করে 15 দিনের মধ্যে ওজন বাড়ানো সম্ভব নয় কিন্তু এটি ভুল ধারণা ১৫ দিনের মধ্যেও ওজন বাড়ানোর সম্ভব তবে মেনে চলতে হবে নানান বিষ হয়। ১৫ দিনের মধ্যে ওজন বাড়ানোর জন্য আপনাকে প্রত্যেকদিন আপনার ক্যালরি অনুযায়ী ৫০০ ক্যালোরি বেশি গ্রহণ করতে হবে।
 
আরো পড়ুনঃ মধু ও কালোজিরা খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও উপকারিতা কি বিস্তারিত জানুন

যেমন পুরুষের জন্য ২৫০০ ক্যালোরি গ্রহণ করতে হয় প্রতিদিন এবং মহিলার জন্য ২০০০ ক্যালোরি গ্রহণ করতে হয় প্রতিদিন। এক্ষেত্রে ১৫ দিনের মোটা হওয়ার জন্য আপনি যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তবে ৩০০০ ক্যালরি গ্রহণ করতে হবে। 

আর আপনি যদি মহিলা হয়ে থাকেন তবে ২৫০০ ক্যালোরি গ্রহণ করতে হবে। এবং সকালের নাস্তায় প্রত্যেক দিন দুধ ডিম কলা খেজুর রাখতে হবে। এগুলো খাওয়ার মাধ্যমে আপনার ক্যালোরির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। এবং নিয়মিত রাতে ও সকালে দুধ খাওয়া যেতে পারে।

এতে রয়েছে ভিটামিন বি ১২ ও ক্যালসিয়াম এর জন্য প্রতিদিন দুধ খাওয়া উচিত। এবং ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে সব সময় খেয়াল রাখতে হবে আপনার ওজন বাড়ানোর সঠিক সময় এটি কিনা। আপনার লিঙ্গ বয়স ও স্বাস্থ্য বিষয়ে বিবেচনা করে ওজন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

কোন ভিটামিন খেলে ওজন বাড়ে

আমরা যদি ওজন বাড়ানোর উপায় অনুযায়ী খাদ্য গ্রহণ করে তবে আমরা অবশ্যই আমাদের ওজন বাড়াতে পারবো কিন্তু আমরা যদি জানতেই না পারি যে কোন ভিটামিনের কারণে আমাদের ওজন বাড়ে। এবং সেই ভিটামিন কোন খাবারের মধ্যে আছে সেই বিষয়টা যদি আমরা না জানতে পারি

 তবে আমরা অন্যান্য খাবার খেয়ে ফেলতে পারি তাই কোন ভিটামিন খেলে ওজন বাড়ে সেটি আমাদের জানা উচিত। যে ভিটামিন গুলো খাওয়ার মাধ্যমে ওজন বাড়ে তা হল:
  • ভিটামিন এ।
  • ভিটামিন সি।
  • ভিটামিন ই।
  • ভিটামিন বি কমপ্লেক্স।
অনেকেই অনেক সময় মনে করে থাকেন যে শুধু বাজার থেকে এ সকল ধরনের ভিটামিন কিনে এনে খাওয়ার মাধ্যমে ওজন বাড়ানো সম্ভব তবে এটি ভুল ধারণা এটি করলেও করতে পারে নানান সমস্যা। 

এর জন্য আমাদের এ সকল ভিটামিন খাবারের মধ্যে খুজে বের করে সে সকল খাবার গ্রহণ করা উচিত। নয়তো শুধু ভিটামিন গ্রহণ করার ক্ষেত্রে আমাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

মোটা না হওয়ার কারণ কি

অনেক ধরনের কারণের ক্ষেত্রে আমাদের ওজন বাড়তে সমস্যা হয়। এবং আমরা যখন ওজন বাড়ানোর উপায় গুলো অবলম্বন করে খাবার খায় এবং চলাফেরা করি তারপরেও আমাদের ওজন বাড়তে চাই না। এ কারণগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
  • ওজন না বাড়ার সর্বপ্রথম কারণ হলো কোন কিছু অতিরিক্ত পরিমাণে চিবিয়ে খাওয়া। আমরা যখন অতিরিক্ত পরিমাণ নিয়ে কোন কিছু চিবিয়ে খাব তখন সে তার পুষ্টি কমতে বা ক্যালোরি কমতে শুরু করে। তাই কোন কিছু অতিরিক্ত চিবিয়ে না খাওয়া উচিত।
  • সকল ধরনের ভিটামিন রয়েছে এমন ধরনের খাবার খেতে হবে কোন ধরনের ভিটামিন এড়িয়ে চলা যাবে না যেগুলোতে সেই ভিটামিন রয়েছে।
  • অতিরিক্ত পরিমাণে ধূমপান করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • ভালোভাবে ঘুমাতে হবে কেননা ভালোভাবে ঘুম না হলে স্বাস্থ্য কমতে থাকে যে কারণে খাওয়ার ফলেও ওজন বাড়ে না।
  • সকল ধরনের সবজি না খাওয়া সকল ধরনের সবজি না খাওয়ার মাধ্যমে আমরা মোটা বা ওজন বাড়াতে পারবো না।
  • অনেকের বংশগত বা হরমোন এর সমস্যার কারণে অনেকে মোটা হতে পারে না।
  • শরীরে বাড়ন্ত হওয়ার সময় অনেক সময় অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যালরি প্রয়োজন হয় এবং আপনি যে পরিমাণ খাদ্য গ্রহণ করেছেন। তাতে আপনার ক্যালরি পূরণ হতে পারে না।

দ্রুত ওজন বাড়ে কি খেলে

দ্রুত বাড়ানোর জন্য অনেক সময় আমরা অধিক পরিমাণে খাদ্য খেয়ে থাকি তবে আমরা ভুল খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের ওজন আমরা বৃদ্ধি করতে পারি না। 
দ্রুত-ওজন-বাড়ে -কি-খেলে-জানুন
আমরা যে সকল খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে দ্রুত ওজন বাড়াতে পারবো সে খাদ্যগুলো হলো:
  • ডিম।
  • দুধ।
  • গরুর মাংস।
  • মুরগি মাংস।
  • ভেড়ার মাংস।
  • ছাগলের মাংস।
  • কলিজা।
  • চিনা বাদাম।
  • কাজুবাদাম।
  • কাচা বাদাম।
  • চকলেট।
  • মিষ্টি আলু।
  • আলু।
এবং আপনি আরও অন্যান্য ওজন বাড়ানোর উপায় অবলম্বন করে আপনি আরো অন্যান্য যে খাদ্য গুলোতে উল্লেখ করা রয়েছে এবং তার বাইরেও আপনি আপনার ইচ্ছেমতো যে খাদ্য গুলোতে অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যালরি রয়েছে সেই খাদ্য গুলো গ্রহণ করতে পারেন।

কী ফল খেলে মোটা হয়

সব থেকে ওজন বাড়ানোর উপায় ভালো হলো ফল খাওয়ার মাধ্যমে। আমরা যখন ফল খেয়ে ওজন বাড়াবো সেটি আমাদের প্রাকৃতিক ওজন বাড়ানো হবে। যে ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে আমাদের কোন ক্ষতির দিক নেই। এ কারণে প্রাকৃতিকভাবে আমাদের ওজন বাড়ানো উচিত। 

যে ফলগুলো খাওয়ার মাধ্যমে আপনি ওজন বাড়াতে পারবেন তার মধ্যে সবথেকে ভালো ফল সেগুলো যেগুলো শুকনো ফল। ফল গুলো নিচে দেওয়া হল:
  • আম।
  • পেঁপে।
  • কাঁচা পেঁপে।
  • পাকা পেঁপে।
  • কাঁঠাল।
  • আনারস।
  • আঙ্গুর।
  • কিসমিস।
  • খেজুর।
এ সকল ফল খাওয়ার মাধ্যমে আপনি আপনার ওজন বাড়াতে পারেন। এবং এই সকল জাতীয় আপনার জানামতে যে সকল ফলের মধ্যে অতিরিক্ত পরিমাণে ভিটামিন ও ক্যালোরি রয়েছে সেই জাতীয় ফল খেতে পারেন।

চর্বি খাওয়ার মাধ্যমে ওজন বাড়ানো

চর্বি খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের ঠিকই ওজন বার। এবং চর্বি খাওয়ার সাথে সাথে আমরা যখন ওজন বাড়ানোর উপায় গুলো অবলম্বন করে চলবো তখন আমাদের ঠিকই ওজন বাড়বে। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে চর্বি এবং দূষিত তেল খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের ওজন বাড়বে ঠিকই কিন্তু আমাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বেড়ে যাবে। 

এর জন্য চর্বি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া থেকে এড়িয়ে চলা উচিত। এবং অস্বাস্থ্য খাবার যেমন ভাজা পড়া বা পোড়া তেল খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের ওজন বাড়ে ঠিকই তবে এটি স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়।

সকালে খালি পেটে কি খেলে মোটা হওয়া যায়

আমরা সকালবেলায় ঘুম থেকে ওঠার পর এই যদি খেজুর ও কিসমিস ভেজানো খেয়ে নি তবে সেটি আমাদের জন্য অনেক উপকারী। এজন্য আমাদের রাতের বেলায় কিসমিস ও খেজুর একসাথে ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সেটি ৬ থেকে ৭ ঘন্টা যেন বিজি থাকে এমন সময় ভিজিয়ে রাখতে হবে। 
সকালে-খালি-পেটে-কি-খেলে-মোটা-হওয়া-যায়
এবং তারপরে সকাল বেলাতে সেটি আমরা খালি পেটে খেয়ে নিতে। এবং এর সাথে আমরা কাঁচা ছোলা মটরশুটি ও মসুরের ডাল ভিজিয়ে খেতে পারি। এবং হুই প্রোটিন পাউডার খাওয়ার মাধ্যমেও আমাদের স্বাস্থ্য ঠিক হবে এবং ওজন বৃদ্ধি পাবে। 

কিছু ধরনের মাছ খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের ওজন বাড়তে সাহায্য করে যেমন টুনা বা স্যামন এ সকল মাছ খাওয়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্য বা আমরা মোটা হতে পারি। এবং প্রত্যেকদিন সকালে ডিম দুধ খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

রাতে কি খেলে ওজন বাড়ে

রাতে সর্বপ্রথম আমাদের বেশি পরিমাণে ক্যালরি গ্রহণ করতে হবে মোটা হওয়ার জন্য এবং এই ক্যালরি গ্রহণ করার মাধ্যমে আমরা মোটা হতে পারব এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মাধ্যমে আমরা মোটা হওয়ার সাথে সাথে আমাদের হাড় দৃষ্টি শক্তি মস্তিষ্ক অনেক বেশি স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠবে। 

এজন্য আমাদের রাতে ঘুমানোর পূর্বে কিসমিস বাদাম দুধ ডিম এগুলো খেয়ে ঘুমানো উচিত। এবং মোটা হওয়ার আরো যে সকল উপকরণ রয়েছে সেগুলো খেতে পারি আমরা। তবে সব কিছু একটি লিমিটের মধ্যে খাওয়া উচিত। 

আমাদের পরামর্শ

প্রিয় পাঠক ওপরে ওজন বাড়ার সম্পর্কে অনেক বিস্তারিত দেওয়া রয়েছে আপনি সেগুলো ভালোভাবে বুঝে জেনে তারপর খাবারগুলো গ্রহণ করে মোটা হওয়ার চেষ্টা করুন। এবং একটি কথা সবসময় মনে রাখবেন অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো না। 

কেননা আপনি যখন সাত দিন বা ১৫ দিন টাইম অনুসরণ করে খাবার খাবেন এবং মোটা হওয়ার চেষ্টা করবেন তখন সেটি অতিরিক্ত পরিমাণে হয়ে যাবে। এর জন্য আপনি যতটুকু খাবার হজম এবং সহ্য করতে পারবেন ততটুকু খাবার খাওয়াই উচিত।

এবং অতিরিক্ত মোটা হয়ে যাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url