বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি - বাচ্চা কিভাবে নিতে হয় জেনে নিন

প্রিয় পাঠক নিচে বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি ও বাচ্চা নেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া রয়েছে। যেগুলো না জেনে কখনোই আমাদের বাঁচান নেওয়া উচিত নয়। তাই সুস্থ বাচ্চা জন্ম দেওয়ার সঠিক উপায় জানুন।
বাচ্চা-নেওয়ার-সঠিক-পদ্ধতি-বাচ্চা-কিভাবে-নিতে-হয়-জেনে নিন
সূচিপত্র: বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি  

বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি - বাচ্চা কিভাবে নিতে হয় জেনে নিন

একটি সুস্থ বাচ্চা জন্ম দেওয়ার জন্য সুস্থ বাবা-মা প্রয়োজন। বাবা মা যখন সুস্থ স্বাভাবিক ও ভালো জীবন বজায় রেখে চলাফেরা করবে তখন তারা ভালো সন্তান ও একটি সুস্থ সন্তান জন্ম দিতে পারবে। যে কারণে সুস্থ সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য সুস্বাস্থ্যবান ও ভালো জীবন যাপনের অধিকারী বাবা মা সর্বপ্রথম আমাদের হতে হবে। 

আমরা যখন জীবন যাত্রার মান ও নিয়মিত বা অস্বাভাবিক করে ফেলব তখন সেটি আমাদের বাচ্চাদের ওপর প্রভাবিত হতে পারে। এবং আজকে আমরা জানব বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি। কেননা আমরা যদি বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি না জেনে বাচ্চা নেই তবে আমাদের বাচ্চা হতে পারে দুর্বল শরীরের বা অসুস্থ। 

তাই আমাদের সকল নিয়ম মেনে বাচ্চা নেওয়া উচিত। এখানে কিছু নিয়ম উল্লেখ করা হচ্ছে:
  • সুস্থ বাচ্চা নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম আমাদের মাসিক চক্রের ওপরে নজর দিতে হবে। কেননা ওভুলেশন যখন একটি নারীর হয় তখনই সে মা হওয়ার জন্য ভালোভাবে প্রস্তুত থাকে। এই ওভুলেশন শেষ হওয়ার পরে ১৫ থেকে ১৬ দিনের মধ্যে বা কম বেশি হয়ে থাকে।
  • বাচ্চা নেওয়ার জন্য অধিক পরিমাণে সহবাস করুন। পারলে প্রত্যেকদিন সম্ভব করুন। অথবা প্রত্যেকদিন না পারলে ২-৩ দিন পর পর সহবাস করুন।
  • বাচ্চা নেওয়ার পূর্বে একটি ভালো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে থেকে ভালো কিছু ভিটামিন ওষুধ লিখে নিয়ে সেটি খেতে পারেন।
  • বাচ্চা নেওয়ার জন্য সহবাস করার পর কখন আমি সাথে সাথে বিছানা থেকে উঠে বাথরুমে বা কোথাও হাঁটাচলা করা উচিত নয়। সহবাসের পরশে বীর্য যোনিতে প্রবেশ করার পরে ১৫-২০ মিনিট কিংবা আধা ঘন্টা শুয়ে থাকুন।
  • যখন আপনি বাচ্চা নেওয়ার জন্য চেষ্টা করবেন তখন অবশ্যই পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করবেন স্বামী স্ত্রী দুজনেই। কেননা পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মাধ্যমে সুস্থ ও শক্তিশালী বাচ্চা জন্ম দেওয়া সম্ভব।
  • অতিরিক্ত ওজন কিংবা অতিরিক্ত কম ওজনের মহিলাদের গর্ভধারণ এ সমস্যা হতে পারে। তাই বাচ্চা নেওয়ার পূর্বে আপনার ওজন একদম স্বাভাবিক রাখুন একদম কমও না আবার একদম বেশি না।
  • বয়স হিসাব করে বাচ্চা নেওয়া উচিত আপনার যদি অতিরিক্ত কম পরিমাণে বয়স হয়ে থাকে তবে বাচ্চা নেওয়া উচিত নয় আবার অনেক বেশি বয়স হয়ে গেল বাচ্চা নেওয়ার চেষ্টা করা বৃথা যায়। কমপক্ষে ২০ বছর এর ওপর থেকে বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা করা উচিত।
  • ডায়াবেটিস ক্যান্সার মৃগী রোগ ইত্যাদি এমন ধরনের ওষুধ যদি আপনি বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা করার সময় রেগুলার বা খেতে থাকেন তবে সেই সময়তে গর্ভধারণের সমস্যা হতে পারে। তাই আপনার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ওষুধগুলো পরিবর্তন করে নিতে পারেন বা সেই সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে পারেন।

গর্ভধারণের পূর্বে আমাদের কিছু বদ অভ্যাস ও ভালো অভ্যাস ও ত্যাগ করতে হবে যে প্রকাশ গুলো করার মাধ্যমে আমাদের সন্তান ভালোমতো জন্ম নেবে এবং সুস্বাস্থ্যবান হয়ে জন্ম নেবে। সেই অভ্যাসগুলো ত্যাগ না করলে হতে পারে না নানান ধরনের সমস্যা বা গর্ভধারণও না হতে পারে। সেই অভ্যাসগুলো হলো:
  • অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যায়াম বা কঠোর পরিশ্রম।
  • চা কফি খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া।
  • যেকোনো ধরনের অ্যালকোহল জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা।
  • ধূমপান এড়িয়ে চলা।
  • যৌন উত্তেজিত কোন ধরনের ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকা।
কমবেশি এগুলোই হল বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি। আপনি এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে আপনার বাচ্চার জন্য টাই করতে পারেন। এতক্ষণ আমরা বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি ও বাচ্চাকে কিভাবে নিতে হয় এই বিষয়ে জানলাম। প্রিয় পাঠক এখন নিচে বাচ্চা নেওয়ার বিষয়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দেওয়া হচ্ছে।

বাচ্চা নেওয়ার আগে পুরুষের করনীয়

একটি বাচ্চা জন্ম দেয়ার ক্ষেত্রে একজন নারীর ও পুরুষের দুজনেরই অনেক ধরনের করণীয় রয়েছে এবং সচলতা রয়েছে। তবে বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পূর্বে বাস বাচ্চা পরিকল্পনা করার আগে পুরুষের অনেক ধরনের করণীয় রয়েছে যেগুলো অবশ্যই করা উচিত।

বাচ্চা নেওয়ার আগে পুরুষের করনীয় ভালোভাবে জেনে বুঝে তারপর সেগুলো মেনে একজন পুরুষ যদি বাচ্চা নেওয়ার জন্য ট্রাই করে তবে অবশ্যই সুস্থ সন্তান জন্ম দিতে পারবে সে। তাই বাচ্চা নেওয়ার আগে পুরুষের করনীয় গুলো ভালোভাবে জানা উচিত করণীয় গুলো হল:
  • বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা করার আগে সর্বপ্রথম একজন পুরুষকে সুস্বাস্থ্যবান হতে হবে।
  • বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা করার পূর্বে একজন পুরুষকে তার সকল ধরনের খারাপ অভ্যাস ও অসুস্থ কর কর্মকাণ্ড থেকে এড়িয়ে চলতে হবে যেমন ধূমপান বা ফাস্টফুড খাওয়ার মতন বদ অভ্যাস এড়িয়ে চলতে হবে এক কথায় বলতে গেলে অস্বাস্থ্যকর খাবার কোনটাই খাওয়া যাবে না।
  • খাদ্য তালিকা নিয়ে আসতে হবে ভিটামিনযুক্ত এবং ক্যালসিয়াম যুক্ত খাদ্য এবং যে খাদ্যে আয়রন ও ফলিক এসিড রয়েছে এমন ধরনের খাদ্য। যেমন সবুজ শাকসবজি বা রঙিন শাকসবজি, ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, কলিজা, বাদাম ইত্যাদি।
  • একটি জরুরী বিষয় হলো বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা করার পূর্বে একজন ভালো চিকিৎসক এর সাথে পরামর্শ করে আপনার সকল রোগের সমাধান করতে হবে। যেমন আপনার যদি রক্তশূন্যতা, ডায়াবেটিস, জন্ডিস বা ইত্যাদি অন্য ধরনের রোগ থাকে তবে সেগুলো আগে নির্মূল করতে হবে।
  • ফলিক এসিড ওষুধ একটি পাওয়া যায় যেটি খাওয়ার মাধ্যমে বাচ্চার জন্মগত মানসিক ও শারীরিক যদি কোন সমস্যা থেকে থাকে সেটিই সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে বা এই ফলিক এসিডের কারণে এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাই ফলিক এসিড ওষুধ খাওয়া উচিত।

মেয়েদের বাচ্চা কিভাবে হয়

মেয়েদের বাচ্চা হওয়ার একমাত্র উপায় হল গর্ভধারণ করা। একজন পুরুষ ও একজন মহিলা একসাথে সেক্স বা সহবাস করার মাধ্যমে একজন মেয়ে গর্ভধারণ করে। যখন একজন পুরুষের শুক্রাণু একটি মহিলার যৌনিতে সাঁতার কাটতে কাটতে ফ্যালোপিয়ান টিউবে ডিম্বাণু এর সাথে মিলিত হয় সেখান থেকে মেয়েরা গর্ভধারণ করে। 

এবং গর্ভধারণের পরে ৩৮ সপ্তাহের কম বা বেশি সময়ের মধ্যে বাচ্চা হয়। কারো কারো বাচ্চা যোনি দিয়ে বাহির হয় আবার কারো কারো সিজার বা পেট কেটে বাচ্চা বাহির করতে হয়। আপনি যদি বাচ্চা নিতে চান তবে ওপর থেকে বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি ভালোভাবে জেনে আসতে পারেন।

গর্ভবতী হওয়ার কতদিন পর মাসিক বন্ধ হয়

একজন মহিলা গর্ভবতী হওয়ার প্রথম লক্ষণ হলো তার মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া। তবে গর্ভবতী হওয়ার ক্ষেত্রে শুধু মাসিক বন্ধ হয়ে যায় না আরো অন্যান্য ওর কারণ এর ফলে ও মাসে বন্ধ হয়ে যায়। যে কারণে আমাদের প্রেগনেন্সি টেস্ট করার মাধ্যম নিয়ে গর্ভধারণ নিশ্চিত করা উচিত। 
গর্ভবতী-হওয়ার-কতদিন -পর-মাসিক-বন্ধ-হয়-জেনে-নিন
আরো যে সকল প্রেগনেন্সি চেক করার উপায় রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করে বা সেই নিয়ম অনুযায়ী গর্ভবতী হয়েছেন কিনা সেটি চেক করা। তবে গর্ভধারণ এরপর থেকেই মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। ধরেন আপনি যদি আপনার মাসিক শুরু হয়ে শেষ হয়ে যাওয়ার পরে ১৫ থেকে ১৬ দিন কিংবা এরকম বেশি করে যদি বাঁচানোর পরিকল্পনা করেন

তবে আপনি যদি প্রেগনেন্ট হন তবে সেটি পরের ১৫ দিন পরে যে আপনার মাসিক হওয়ার কথা ছিল সেটি হবে না। এভাবে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি গর্ভধারণ করেছেন কিনা। এবং গর্ভধারণের আরও কিছু লক্ষণ রয়েছে সেগুলো হল আরো পড়ুন।

বাচ্চা নেওয়ার সঠিক সময়

আপনার মাসিক হওয়ার পরে ১০ থেকে ১৫/১৬ দিনের মধ্যে বাচ্চা নেওয়া উচিত। কেননা এই সময়টাতে সহবাস করার মাধ্যমে বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। তাই এমন সময় তিনি বাচ্চা নেওয়া উচিত। এবং বাচ্চা নেওয়ার প্রভুর স্বামী স্ত্রী দুজনকেই সুস্বাস্থ্যবান হওয়া উচিত। 


সুস্বাস্থ্যবান হওয়ার ফলে বাচ্চা হবে সুস্থ। এবং ওপরে থেকে জেনে আসতে পারেন বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি। যে পদ্ধতিগুলো আপনি অনুসরণ করে চললেই আপনার বাচ্চা হবে সুস্থ। এবং বাচ্চা নেওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বড় কিংবা অতিরিক্ত কম বয়সের বাচ্চা নেওয়া উচিত নয়। 

যেমন আপনার বয়স যদি ৩০ এর ওপারে চলে যায় তবে আপনার বাচ্চা নেওয়ার ক্ষমতা আস্তে আস্তে কমে যেতে শুরু করবে এবং ৩৫ হতে গেলে বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক দ্রুত ক্ষমা শুরু করে দিবে। তাই বাচ্চা নেওয়ার জন্য ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যেই উত্তম বয়স।

গর্ভধারণের সঠিক সর্বোত্তম ১০টি উপায়

গর্ভধারণের ক্ষেত্রে যে সকল পদ্ধতি গুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে সেই পদ্ধতির গুলো বা সেই উপায় গুলো ১০ টি বলা হলো:
  • জীবন যাত্রার মান উন্নত ও ভালো করা
  • বেশি বেশি যৌন মিলন করা
  • পিরিয়ড চক্র ওর ওপর খেয়াল রাখা।
  • অতিরিক্ত বয়সে বাচ্চা না নেওয়া।
  • সকল ধরনের ক্ষতিকর খাবার পরিহার করা।
  • ধূমপান, অ্যালকোহল না করা।
  • অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যায়াম না করা।
  • স্বাভাবিক ওজন রাখা।
  • সকল ধরনের রোগ নির্মূল করা।
  • সহবাসের পর শুয়ে থাকা।

প্রেগনেন্সি টেস্ট

প্রেগনেন্সি টেস্ট করা মাধ্যমে একজন নারী গর্ভধারণ করেছে কিনা সেটি ভালোভাবে বোঝা যায়। আপনি গর্ভবতী হয়েছেন কিনা সেটি পরীক্ষা করতে প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট ব্যবহার করে সেটি পরীক্ষা করতে। এই প্রেগনেন্সি টেস্ট গিফট আপনি বাজারে যেকোনো ফার্মেসিতে পেয়ে যাবেন।
প্রেগনেন্সি-টেস্ট
এবং এটি দেখতে হয় কিছুটা লম্বা আকৃতির বা একটি কাঠির মত দেখতে। সে কাঠের মধ্যে প্রস্রাব করার মাধ্যমে গর্ভধারণ বা প্রেগনেন্সি টেস্ট করা যায়। সেই প্রেগনেন্সি কাঠিতে দুইটি দাগ বা প্লাস মাইনাস চিহ্ন থাকতে পারে। প্রস্রাব করার পরে যদি দুইটি দাগ লাল হয়ে যায় বা দুটি দাগ দেখা যায় তবে ধরে নিতে হবে যে আপনি গর্ভধারণ করেছেন। 

আবার যদি একটি দাগ দেখা যায় তবে ধরে নিতে হবে আপনি গর্ভধারণ করে। আবার প্লাস মাইনাস এর ক্ষেত্রে একি যদি প্রস্রাব করার পরে যদি প্লাস চিহ্ন আসে তবে ধরে নিতে হবে আপনি গর্ভধারণ করেছেন। আবার প্রস্রাব করার পর যদি মাইনাস চিহ্ন আসে তবে ধরে নিতে হবে আপনি গর্ভধারণ করে। 

তবে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার সর্ব উত্তম সময় হলো যখন আপনার পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাবে তখন।

প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট ব্যবহারের নিয়ম

প্রেগনেন্সি টেস্ট কি ব্যবহার করার নিয়ম না জানার কারণে আমরা অনেকেই ভালোভাবে প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে পারি না। যে কারণে আমাদের প্রেগনেন্সি টেস্ট কিটে ভুলভাল রিপোর্ট দিয়ে দেয়। যে কারণে আমাদের প্রেগনেন্সি টেস্ট কি ব্যবহার করার নিয়ম জানতে হবে। যদি আপনি না এর প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট টি কাঠির মত হয়ে থাকে। 

তবে সেটি আপনার প্রস্রাব এর স্রোতের সামনের দিকে ধরুন যেন আপনার প্রস্রাব সরাসরি সেই কিটের ওপরে বা যেখানে প্রস্রাব ফেলানো উচিত কিটের সেখানে পড়ে। আবার আপনি প্রস্রাব সংগ্রহ করে সেটি কিট যতটুকু ডোবানো উচিৎ সেই অবধি ডুবিয়ে পরীক্ষা করতে পারেন। 


আবার যদি কিট এর মাঝখানে ড্রপার দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জায়গা থাকে তবে আপনি সেখানে ড্রপার দিয়ে কয়েক ফোটা প্রস্রাব সেখানে দিতে পারেন। এবং সেই প্রেগনেন্সি কিট এর মধ্যেই একটি নির্দেশনা দেওয়া থাকবে আপনি চাইলে সেই নির্দেশনা অনুযায়ী ভালোভাবে পরীক্ষা করতে পারবেন।

 আপনি প্রেগনেন্সি টেস্ট পরীক্ষা যে কোন সময় করতে পারবেন তবে সকালের সময় করলে ভালো হয়।

আমাদের পরামর্শ

প্রিয় পাঠক ওপরে বাচ্চা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি ও আরো অনেক ধরনের পদ্ধতি এবং প্রেগনেন্সি টেস্ট এর পদ্ধতি নিয়ম সকল কিছু ভালোভাবে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। আপনি যদি কোন কিছু উপরে বুঝতে না পারেন তবে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন।

 আমরা আপনাকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। আর আমাদের সুস্বাস্থ্য বজায় রেখে বাচ্চা নেওয়া উচিত। এবং সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url