হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করণীয়- প্রেসার কমানোর উপায় জানুন

প্রিয় পাঠক নিচে হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করণীয়- প্রেসার কমানোর উপায় ও বিস্তারিত সম্পর্কে জানুন। নিচে হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করণীয় ও লক্ষণগুলো কি ও কি কি কারণে প্রেসার বেড়ে যায় সে সকল বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
হঠাৎ-হাই-প্রেসার-হলে-করণীয়--প্রেসার-কমানোর-উপায়-জানুন
সূচিপত্র:হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করণীয়-লক্ষণ-কারণ ও প্রতিকার  

হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করণীয়- প্রেসার কমানোর উপায় জানুন

কখনো কখনো কারো পেশার হঠাৎ করে কমে যায় হঠাৎ করে বেড়ে যায়। এমন সমস্যা ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে বড় মানুষ পর্যন্ত এমন সমস্যায় ভুগে। হঠাৎ করে প্রেসার বেড়ে যাওয়ার কারণে আমাদের শরীরে অনেক ধরনের ক্ষতি হয় এর জন্য হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করণীয় কি জানা আমাদের প্রয়োজন। এবং আমরা যদি এ বিষয়ে না জানি তবে কোন কোন সময় আমাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যেও পড়তে পারে।

এর জন্য হঠাৎ হাই পেশার হলে করণীয় ও প্রেসার কমানোর উপায় আমাদের জেনে রাখা ভালো এতে করে আমরা সঠিক সময়ে এটি কাজে লাগাতে পারব। হঠাৎ করে যদি আপনার হাই প্রেসার হয় তবে এই কাজগুলো করবেন তা হলো:
  • সর্বপ্রথম আপনার যদি হাই প্রেসার হয়তো হবে অবশ্যই মাথায় পানি দিবেন ঠান্ডা পানি। এতে করে আপনার পেশার ওঠার পরে আপনি অনেক আরাম অনুভব করবেন পানি দেয়ার মাধ্যমে।
  • যদি আপনার হঠাৎ করেই হাই প্রেসার হয়ে যায় তবে অবশ্যই এক জায়গাতে বসে পড়ুন। এবং নিজেকে শান্ত রাখুন এতে করে আপনার পেশার বাড়বে না আস্তে আস্তে কমবে।
  • হঠাৎ করে হাই প্রেসার হয়ে গেলে আপনার শরীর অনেক ক্লান্ত থাকে যে কারণে আপনার বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন। এবং কোথাও শুয়ে পড়ার ব্যবস্থা থাকলে সেখানে শুয়ে পড়া উত্তম হবে।
  • আপনার কাছে যদি প্রেসার এর ওষুধ থাকে তবে অবশ্যই সেটি খেয়ে নিতে হবে। ইচ্ছে করে আপনার পেশার কমবে।
  • এবং আপনার পেশার যদি সব কিছু চেষ্টা করার পরও না কমে তবে অবশ্যই আপনার কাছাকাছি কোন একটি ভালো ডাক্তারের কাছে যান।
এতক্ষণ আমরা জানলাম কিভাবে হঠাৎ করে প্রেসার হাই হয়ে গেলে করণীয়। প্রিয় পাঠক এখন আমরা জানবো কিভাবে আপনার পেশার একদম কমিয়ে ফেলতে পারবেন এবং সাধারণভাবে জীবন যাপন করতে পারবেন। পেশার কমানোর উপায় হলো:
  • নিয়ম অনুযায়ী পানি পান করতে হবে।
  • নিয়মিত স্বাস্থ্য ব্যায়াম করতে হবে।
  • পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। যেমন ফলমূল শাকসবজি।
  • প্রত্যেকদিন আদা চা খাওয়া ভালো।
  • ডিপ্রেশন থেকে দূরে থাকতে হবে।
  • ধূমপান একদমই করা চলবে না।

দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর উপায়

হঠাৎ করে দ্রুত রক্তচাপ বা প্রেসার যদি বেড়ে যাই। তবে আমরা অনেক সমস্যায় পড়তে পারি। তাই দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর উপায় জানতে হবে এবং এটি সঠিক সময়ের মতো ঠিক না করতে পারলে মানুষের জীবন হারানোর সম্ভাবনাও থাকে। যে কারণে আমাদের হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করণীয় কি ও দ্রুত পেশার কমানোর উপায় আমাদের জানা প্রয়োজন নিচে দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর উপায় জানানো হলো:
  • আপনি যখন দিনে 8 থেকে 10 ক্লাস পানি পান করবেন তখন আপনার প্রেসার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। এর জন্য দিনে ৮ গ্লাস হলেও পানি পান করুন।
  • আপনার ওজন বেড়ে যাবে এমন ধরনের খাবার কখনোই খাবেন না বিশেষ করে চর্বি জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকুন। এবং মাংস আপনি স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী খাবেন।
  • আপনি যখন রাতে সঠিক সময় ঘুমাবেন এবং ভালোমতো ঘুম হবে আপনার তখন আপনার প্রেশার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে এর জন্য আরামদায়ক ঘুম ঘুমান।
  • সাইকেল চালানো সাঁতার কাটা দৌড়াদৌড়ি করা হাটা এই সকল ব্যায়াম গুলো করার মাধ্যমে আপনার প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
  • প্রেসার বেশি হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ এর মধ্যে একটি কারণ হলো মানসিক চাপ। আপনি যখন অতিরিক্ত মানুষের চাপের মধ্যে থাকবেন তখন আপনার প্রেসার বেড়ে যাবে এর জন্য প্রেসার হলে কখনোই টেনশন করবেন না।
  • সকল সময় সবুজ শাকসবজি এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মধ্যে থাকুন।
  • সিগারেট, বিড়ি এবং অন্যান্য যেকোনো ধূমপান এবং যে কোন অ্যালকোহল সেবন করা থেকে দূরে থাকুন। এতে আপনার প্রেসার কমাতে সাহায্য করবেন।

হঠাৎ প্রেসার বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ

একেকজনের একেক ধরনের প্রেসার হলে একেক রকম লক্ষণ এর মাধ্যমে সেটি প্রকাশ পায়। আপনি যে লক্ষণগুলো দেখলে বুঝবেন আপনার হঠাৎ করেই হাই প্রেসার হয়েছে ও সেই অনুযায়ী হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করণীয় যে সকল কাজ বলা হয়েছে তা করবেন।

হঠাৎ হাই প্রেসার এর লক্ষণগুলো হল:
  • মাথা ঘোরা: কখনো কখনো অনেক মাথা ঘোরার মতন সমস্যা দেখা দিলে হাই প্রেসার এর সমস্যা হয়। এটি হাই প্রেসার এর অন্যতম লক্ষণ।
  • বুক ধরফর: স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে আপনার হার্টবিট অনেক দ্রুত বিট করবে। এবং সেটি স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি জোরে জোরে বিট করবে।
  • বমি বমি ভাব: আপনার যখন মাথা ঘোরার মতন সমস্যা দেখা দিবে প্রেসারে কারণে তখন বমি বমি ভাব হওয়াটা স্বাভাবিকের জন্য এটি সকলের ক্ষেত্রেই হয়।
  • দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা: একেকজনের ক্ষেত্রে দৃষ্টি শক্তি ঝাপসা এবং চোখে ঝাপসা দেখার মত সমস্যা দেখা দেয় প্রেসার হাই হলে।
  • খিটখিটে মেজাজ: অনেক সময় দেখা এই হাই প্রেসার বা প্রেসার এর সময় মানুষের মেজাজ অনেক খিটখিটে এবং রাগালো হয়ে যায়।
  • অজ্ঞান: কখনো কখনো অন্যজন হাই প্রেসার হয়ে যাওয়ার কারণ নিয়ে অজ্ঞান হয়ে যাই কেননা মাথা ঘোড়া বমি বমি ভাব, ও আরো অন্যান্য সমস্যা একসাথে হওয়ার কারণে অজ্ঞান হয়ে যাওয়াটা কমন বিষয়।
  • শ্বাস নিতে সমস্যা: কখনো কখনো হাই প্রেসার হয়ে যাওয়ার কারণে শ্বাস নিতে সমস্যা হয় যে কারণে প্রেসার দ্রুত কমিয়ে ফেলা উচিত।
আপনার যদি এই লক্ষণগুলো হয়ে থাকে তবে অবশ্যই হঠাৎ হাই প্রেশার হলে করণীয় যে কাজগুলো রয়েছে সেগুলো করুন এবং আপনার প্রেসার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসুন।

হঠাৎ প্রেসার বেড়ে যাওয়ার কারণ

অনেকগুলো কারণের মাধ্যমে হঠাৎ করে প্রেসার বেড়ে যায়। আমাদের যদি হাই প্রেসার ঠিক করতে হয় তবে অবশ্যই আমাদের এই কারণগুলো মেনে চলতে হবে এবং এই কারণের কোনটাই কখনো করা যাবে না।
এই কারণগুলো যদি আমরা না করি তবেই আমরা আমাদের এই প্রেসারে অসুখটি ঠিক করতে পারব। হঠাৎ প্রেসার বেড়ে যাওয়ার কারণ হলো:
  • শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়া: হঠাৎ করে সে প্রেসার বেশি হওয়ার কারণ হলো ওজন বেড়ে যাওয়া। আপনার যখন ওজন বেড়ে যাবে তখন আপনার শরীরের একটুতেই ক্লান্ত হয়ে যাবে যে কারণে আপনার হঠাৎ করেই প্রেসার হয়ে যায়।
    হঠাৎ-প্রেসার-বেড়ে-যাওয়ার-কারণ
  • ধূমপান: আপনি যখন অতিরিক্ত পরিমাণে ধূমপান এবং অ্যালকোহল গ্রহণ করবেন তখন আপনার শরীরে প্রেসার এর পরিমাণ বেড়ে যাবে এবং হাই প্রেসার হয়ে যাবে।
  • ঠিকমতো না ঘুমানো: আপনি যখন ঠিকমতো না ঘুমাবেন তখন আপনি মানুষের সমস্যায় ভুগবেন এবং মানসিক সমস্যায় ভোগার কারণে আপনার হঠাৎ করে হাই প্রেসার হয়ে যাবে।
  • অতিরিক্ত কিছু খাওয়া: আপনি যদি অতিরিক্ত কোন কিছু খান চা কফি বা অন্যান্য ক্যাফিন যুক্ত পানিও তবে আপনার পেশার হঠাৎ করে বেড়ে যাবে।
  • কিডনির অসুখ: আপনার যদি কিডনির অসুখ হয়ে থাকে তবে হঠাৎ করেই আপনার প্রেসারে সমস্যা দেখা দিবেন।
  • সবজিও ফলমূল না খাওয়া: আপনি যখন নিয়ম অনুযায়ী সবজি এবং ফলমূল না খাবেন তখন হঠাৎ করে আপনার প্রেসার এর পরিমাণ বেড়ে যাবে।
  • জন্মগত রোগ: এমনটি হতে পারে আপনার জন্মগত কোন রোগের কারণেও আপনার পেশার হঠাৎ হঠাৎ করে বেড়ে যেতে পারে। বা আপনার পারিবারিক এবং বংশগত এমন রোগের কারণ নেই আপনার পেশার হঠাৎ হঠাৎ করে বেরিয়ে যেতে পারে।

হাই প্রেসার হলে কি খাওয়া উচিত না

হাই প্রেসার হলে কিছু ধরনের খাবার খাওয়া আমাদের কখনোই উচিত নয়। এবং আমাদের প্রেশার ঠিক হয়ে যাওয়ার পরেও এগুলো খাবার খাওয়ার তেমন কোন প্রয়োজন নেই কেননা এই খাবারগুলো খাবার মাধ্যমেই আমাদের প্রেসার হাই হয়ে আমাদের জীবনের সমস্যা হয়। নিচে যে সকল খাদ্যের কথা বলা হয়েছে সে সকল কাজে থেকে যতটুকু এবং হঠাৎ করে হাই প্রেসার হলে করণীয় অনুযায়ী চিকিৎসা করুন খাবারগুলো আপনি হাই প্রেসার হলে কখনোই খাবেন না তাহলে:
  • ডিমের কুসুম: ডিমের মধ্যে গোল হলুদ যেটি হয় সেটি হল ডিমের কুসুম। সেই ডিম এর কুসুম কখনোই আমাদের হাই প্রেসার হলে খাওয়া উচিত না। আমরা ডিমের যে সাদা অংশ গুলো থাকে সেটি খেতে পারি।
  • লবণ: হাই প্রেসার হলে কখনোই আমরা কাঁচা লবণ খাব না। এতে করে আমাদের প্রেসার আরো বেড়ে যেতে পারে। এর জন্য আমরা তরকারি সাথে রান্না করা লবণ খেতে পারি। আর যদি লবণ খাওয়ার প্রয়োজন হয় তবে সে টিম ভেজে নিয়ে খেতে পারি।
  • মাংস: হাই প্রেসার বা প্রেসার হলে কখনোই আমাদের মাংস যেমন গরুর মাংস খাসির মাংস এবং অন্যান্য চর্বি জাতীয় কোন খাদ্যই খাওয়া উচিত না।
  • ভাত খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে এবং ভাতে বললে অন্যান্য শুকনো খাবার খেতে হবে। যেমন রুটি খেতে পারেন।

  • বাইরের তেলে পোড়া খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

প্রেসার হাই হলে কি খেতে হবে

আপনার প্রেসার হাই হয়ে যাওয়ার কারণে আপনি অনেক ধরনের খাবার খেতে পারবেন না আবার অনেক ধরনের খাবার খেতে পারবেন সেই খাবারগুলো আপনি যদি নিয়মিত খান তবে অবশ্যই আপনার প্রেসার একটু হলেও কমবে। আপনি যদি এই সকল খাবার নিয়মিত ঠিকমতো খান তবে আপনার হাই প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং হঠাৎ করে যদি এমন সমস্যা হয়ে যায়।
প্রেসার-হাই-হলে-কি-খেতে-হবে
তবে উপরের হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করণীয় যে সকল কাজ বলা আছে সেগুলো অনুযায়ী কাজ করুন। ও  যে  খাবারগুলো খাবেন তাহলো:
  • মটরশুটি।
  • বাঁধাকপি।
  • বেগুন।
  • কুমড়ো।
  • টমেটো।
  • সকল ধরনের শাক।
  • শসা।
  • লাউ।
  • কলা।
  • দই।
  • বাদাম ইত্যাদি।
এক কথাতে আপনাকে সকল ধরনের ঠান্ডা বা আরামদায়ক খাবার খেতে হবে।

হাই প্রেসার কমানোর ঔষধের নাম

হাই প্রেসার হলে আমরা কিছু ধরনের ওষুধ খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের প্রেশার কমাতে পারে। তবে আমাদের অবশ্যই চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়ার নিয়ম গুলো জেনে তারপরে ওষুধ খাওয়া উত্তম হবে। এবং আপনি যদি ওষুধ খাওয়ার নিয়ম গুলো জেনে থাকেন তবে সেই নিয়ম অনুযায়ী ওষুধগুলো খেতে পারেন। আমি পেশার কমানোর কিছু ওষুধের নাম নিচে উল্লেখ করছি।
  • Olmetrack (20 mg)
  • Olmighty (20 mg)
  • Olarbi (20 mg)
  • Olmark (20 mg)

প্রেসার কত হলে হাই?

বয়স অনুযায়ী পেশার হয় নাকি নির্ণয় করা হয় এর জন্য আমাদের বয়স অনুযায়ী প্রেসার নির্ণয় করতে হবে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ১২০ থেকে ৮০ মিলিমিটার পারদ এর বেশি হলে তাকে হাই প্রেসার বলা হয়। আর হাই প্রেসার হলে করণীয় যে সকল কাজ রয়েছে সেগুলো দ্রুত করতে হবে।

কোন বয়সে প্রেসার কত থাকা উচিত

যেকোনো বয়সেরই মানুষের পেশার হাই হতে পারে তাই উপরের হাই প্রেসার হলে করণীয় বিষয়গুলো জানা উচিত। কোন বয়সে প্রেসার কত থাকা উচিত সেটি নিচের টেবিলে দেওয়া হল:

বয়স

সিস্টোলিক (mmhg)

ডায়াস্টোলিক (mmhg)

18

120 ( mmhg)

80 (mmhg)

18-59

120 (mmhg)

80 (mmhg)

60-69

140 (mmhg)

90 (mmhg)

70

150(mmhg)

90(mmhg)

আমাদের পরামর্শ

প্রিয় পাঠক এতক্ষণ আমরা হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করণীয়- প্রেসার কমানোর উপায় জানলাম আপনার যদি হাই প্রেসার হঠাৎ করে হয়ে যায় তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করবেন এবং যদিও ঈদ সাথে সাথে চিকিৎসকের কাছে যেতে পারেন তবে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাবেন। এবং ডাক্তারের কাছে যদি চাওয়ার মত সময় না থাকে তবে আমাদের কৌশল অবলম্বন করতে পারেন। প্রিয় পাঠক সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url