কষ্টের স্ট্যাটাস - ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস-ইমোশনাল ক্যাপশন বাংলা

কষ্ট বেড়ে যায় ভালোবেসে অবহেলিত হওয়ার কারণে। মন ভেঙে যায় তাকে না পাওয়ার কারণে। তাই আপনাদের জন্য কিছু কষ্টের স্ট্যাটাস - ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস-ইমোশনাল ক্যাপশন বাংলা নিচে পড়ুন।
কষ্টের-স্ট্যাটাস--ছেলেদের-কষ্টের-স্ট্যাটাস-ইমোশনাল-ক্যাপশন-বাংলা
সূচিপত্র: না পাওয়া ভালোবাসার কষ্টের স্ট্যাটাস ও গল্প  

কষ্টের স্ট্যাটাস - ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস-ইমোশনাল ক্যাপশন বাংলা

ভালোবেসে পাওয়া যায় পাওয়ার গল্প সবারই থাকে। কেউ হয়তো বা প্রকাশ করতে পারে আবার কেউ প্রকাশ করতে পারে না। তাই অনেকেই ক্যাপশন এর মাধ্যমে প্রকাশ করার চেষ্টা করে। facebook কিংবা যেকোনো শর্ট স্টোরি কিংবা কাউকে কষ্টের ক্যাপশন বা উক্তির মাধ্যমে অনেক কিছু বোঝানো সম্ভব।

 ভালবাসতে গিয়ে হেরে যাওয়া মানুষগুলো শুধু কষ্টের এবং অবহেলিত ক্যাপশন খুঁজে যে ক্যাপশন গুলোর নিচে দেওয়া রয়েছে। ভালোবাসলেই কি শুধু তাকে পেতে হবে? তাকে যদি পেলেই শুধু ভালোবাসা যায় তবে সেটা কিসের ভালোবাসা। ভালোবাসার মূল্য ও সম্মান সবটুকুই তার জন্য রেখে দিও।

আপনি এই কষ্টের স্ট্যাটাস - ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস-ইমোশনাল ক্যাপশন বাংলা গুলি সব জায়গাতে ব্যবহার করতে পারবেন। ক্যাপশন গুলো হলো:
  • :⁠-⁠)আমাকে আর জিজ্ঞেস করিও না,
  • তার বিষয়ে আর কিছু মনে আছে।
    আমার শুধু এতটুকুই মনে আছে
    সে শুধু আমার কাছে এসেছে।1
  • তুমি দেহ বিলিয়ে বেড়াও আমি মন তোমাকে দিলাম।
  • তোমার যৌবন তোমাকে মোবারক তুমি বিলিয়ে বেড়াও।
    ফুরালে আইসো ভালোবাসা তোমারে দিলাম।
  • তারপরে আর কাউকে পছন্দ হলো না,
  • সে দেখালো সংসার সাজানোর স্বপ্ন আমারে,
    সাজালো অন্য কারো সাথ। আমি তারে ভালোবাসা শিখালাম।
    সে দেখালো ভালোবেসে অন্য কাউকে।
  • তাকে না পেয়ে আমি আমি হাসা বলে গেলাম।
  • মন ভেঙ্গে গেল এত ভালোবাসা ছেড়ে দিলাম।
    সে করছে এই পৃথিবীতে আমার থেকে ভালো কাউকে।
    যার জন্য আমি পৃথিবী ছেড়ে দিলাম।
  • ইচ্ছে যতটুকু ছিল তোমাকে পাবার।
  • ইচ্ছে গুলো শুধু ইচ্ছে থেকে গেলো।
  • তোমাকে তো অবশ্যই কেও পাওয়ার জন্য দেখবে।
  • কিন্তু তোমাকে দেখার মত আমার চোখগুলো
    সে কোথায় থেকে নিয়ে আসবে।
  • ওহে মায়াবতী 
  • তুমি আমাকে ভালোবাসার অবহেলা দিলে,
    ভালোবাসা দিলে না কেন?
  • একজনকেই শুধু পাওয়ার ইচ্ছে ছিল খুব, 
  • তাকে যখন পেলাম না।
    দোয়া থেকে হাত নিচে পড়ে গেল
    ভুলে গেলাম তাকে পাওয়ার প্রশ্ন গুলো।
  • জানো মায়াবতী, 
  • তুমি আমার জীবনের প্রথম ফুল,
    আর তুমি আমার জীবনের প্রথম ভুল।
    আর সেই ভুল গুলোই আমাকে কুরে কুরে খাই।
  • এই জনমে তোমারে আর ভালবেসে
  • পাওয়া হবে না, ভালো থেকো মহারানী।
প্রিয় পাঠক এতক্ষণ আমরা কষ্টের স্ট্যাটাস - ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস-ইমোশনাল ক্যাপশন বাংলা পড়লাম। ওপরে সকল উক্তি গোল হয়ে এবং ক্যাপশন গুলোই নতুন ও ইউনিক। আপনি যদি আরো এমন উক্তি ক্যাপশন ও গভীর ভালোবাসার গল্প পড়তে চান তবে নিচে থেকে পড়ে আসুন। এমন ধরনের আরও সুন্দর সুন্দর উক্তি ও স্ট্যাটাস রয়েছে।

মন খারাপ নিয়ে উক্তি

মন খারাপ নিয়ে উক্তি এখন কম বেশি সকলেই তার ফেসবুক স্ট্যাটাস, টিকটক স্ট্যাটাস, ইন্সটাগ্রাম স্ট্যাটাস সকল স্ট্যাটাসে ব্যবহার করে। কখনো কখনো এমনটা মনে হয় যদি নিজে এমন ধরনের স্ট্যাটাস না দেই তবে মনে হয় নিজেকে একটু কমা কমা মনে হয়। 

এর জন্য নিজেকেও এমন ধরনের স্ট্যাটাস দেওয়া লাগে অনেকের। তাই মন খারাপ নিয়ে উক্তি এই স্ট্যাটাস গুলো আমরা সকল জায়গায় ব্যবহার করতে পারব। এবং এই স্ট্যাটাস গুলো খুবই সুন্দর ও কষ্টদায়ক স্ট্যাটাস। 

আপনি যদি কাউকে এমন ধরনের স্ট্যাটাস দেন এবং ভালভাবে গভীরভাবে তাকে আপনার আবেগ বোঝান তবে সে বুঝবে। মন খারাপ নিয়ে উক্তি গুলো হল:
  • আমার ভাগ্যকে নিয়ে আমার খুবই ভয় লাগে, 
  • কেননা আমার যেটাই পছন্দ সেটাই
    আমি হারিয়ে ফেলি।
  • আমি তোমাকে ভুলে যাব কিন্তু 
  • কারণ একটাই, কিভাবে কাটাবো
    সারাটা জীবন তোমার স্মৃতি ছাড়া।
  • এইবার আমি তোমাকে ভুলতে চাই, কিন্তু এটা সম্ভব হচ্ছে না।
  • তোমার স্মৃতি থেকে আমি দূরে কোথায় যাব, কোন রাস্তা আমি খুঁজে পাচ্ছি না।
    তোমার আমাকে এমন সময় ছেড়ে যাওয়া আমাকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
  • সিজদা করলে ওইটা আল্লাহর জন্য হয়ে যাবে।
  • সিজদা করলে ওইটা আল্লাহর জন্য হয়ে যাবে।
    এতটাও চাইও না তাকে সে তোমাকে ভুলে যাবে।
  • আমিতো তোমার কাছ থেকে ভালোবাসার আশা করেছিলাম।
  • তুমিও তো সেটাই করলা যেটা হাজার লোক করে আমাকে
    ভালোবাসার লোভ দেখিয়ে ছেড়ে গেলে।
  • ভালোবাসা আছে বলেই পূর্ণতা এতো কদর…!!
  • সবাই যদি পূর্ণতা পায় !
    তাহলে না পাওয়ার গল্প লিখবে কে...!!

ইমোশনাল ক্যাপশন বাংলা

ইমোশনাল ক্যাপশন বাংলা এগুলো আপনি পড়ে এবং কাউকে দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ভালো এবং সুন্দর ক্যাপশন রয়েছে। 
ইমোশনাল-ক্যাপশন -বাংলা-পড়ুন
ক্যাপশন গুলো হলো:
  • পাওয়া না পাওয়ার গল্প মনে পড়ে গেলেই মনে পরে
  • তুমি কিছু দিনের জন্য হলেও আমার ছিলে😅🖤
  • তোমারে আমি যে পরিমাণ আগলাইয়া ভালোবাসিলাম 
  • তার একটুও আমি নিজের বাসি নাই।😊💔
    এতকিছুর পরেও তুমি অন্য কারো হয়ে গেলে।
  • ভালোবেসে শুধু আমি তোমাকে হারাইলাম 
  • কত লোকে তার ভালোবাসা পাই।
  • তুমি না হয় বৃষ্টি হয়ে আসো! 
  • যাকে পাওয়াটা হবে আল্লাহর কাছ থেকে
    আর ছোঁয়াটা হবে সুন্নত হিসেবে!
  • তুমি যদিও আমার কল্পনাতেই থাকো 
  • তাহলে শরীরের কি প্রয়োজন
    আমি তোমাকে শরীর ছাড়াই
    অমৃত্যু ভালোবাসি।

Short sad captions bangla

আরো কিছু কষ্টের স্ট্যাটাস - ছেলেদের কষ্টের স্ট্যাটাস-ইমোশনাল ক্যাপশন বাংলা পড়ুন যেগুলো আপনার খুবই ভালো লাগবে এবং খুবই কষ্টদায়ক এগুলো। এগুলো আপনি সকল জায়গাতে ব্যবহার করতে পারবেন। এগুলো আপনি কোন স্টোরিকিংবা কাউকে দিয়ে আপনার আবেগ বোঝাতে পারবেন। Short sad captions bangla গুলো হল:
  • আমি তাকে এটা কখনোই বোঝাতে পারিনি
  •           যে আমি তাকে ভালোবাসি।
    আফসোস তুমি যদি আমাকে ভালবাসতে।
  • এটাই ভালো হয়েছে যে তুমি আমাকে ভুলে গেছো, 
  • কেননা আমার অহংকার ছিল যে
    তুমি আর কয়েকটা মেয়ের মত না।
  • মেনে নিলাম তোমার থেকে আমার দূরত্বটা 
  • অনেক বেশি বেড়ে গেছে।
    তাই বলে কি ভালোবাসাটা কমে গিয়েছে।
  • কতটা বেহায়া আমি এতটা
  • অপমান অপবাদের পরেও
    আমি তোমাকে চাই।
  • আমি তোমাকে এর জন্যই যেতে দিয়েছি কারণ,
  • তোমাকে তো আমি চাই কিন্তু জোর করে না।

চাপা কষ্টের স্ট্যাটাস

চাপা কষ্টে সকল স্ট্যাটাস দেওয়া হল:
  •  যদি সে আমার না হয় তো কি, 
  • ভালো তো আমি বেসেছি।
  • তুমি শুধু চোখ দেখেছো, 
  • তুমি আমার চোখ খুলে দেখোনি‌‌!
    দেখলে হয়তো এভাবে ছেড়ে যেতে না।
  • ভালোবাসা টা খুব সহজ তবে 
  • ভালোবাসা পাওয়াটা খুব কঠিন।
  • রাত গুলো খুব নির্ঘুম কাটছে তোমার স্মৃতিতে, 
  • তোমাকে ভুলতে দাও, আমি ভুলতে চাই তোমাকে।
  • আমাকে ভাগ্যের ওপরে ছেড়ে দিয়ে
  • সে অন্য কারো ভাগ্য হওয়ার
    চিন্তাই মেতে ছিল।
  • আমি যদিও চাই তবুও তোমাকে আমি পাবো না !
  • আর এই কথা আমি তোমাকে কখনো বোঝাতে পারবো না!
  • যখন ভালোবাসার মানুষটাই পাওয়া হলো না!
  • এখন কি কি পেলাম আর কি পেলাম
    না কিছুই যায় আসে না।

Fb sad Caption Bangla

FB sad caption Bangla দেওয়া হলো:
  • তুমি কখনোই জানবে না তোমার জন্য আমার ভালোবাসাটা কতটুকু। 
  • তুমি কখনোই জানবে না তোমার জন্য রাত হলে কতটুকু বুক তিলে তিলে পুড়ে।
  • তুমি যখন আমার হাত ছেড়ে দিয়ে বলে দিলে ভালোবাসা শেষ! 
  • আমি চোখ ভেজা চোখে তোমার দিকে নির্বাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম।
    এমনটাই কি হওয়ার কথা ছিল?
  • যাও তোমাকে মুক্তি দিলাম নিজের মতো করে বাঁচ
  • আর অন্যের জন্য সারারাত ধরে সাজো।
    আমার ঘুম হয়তো উড়ে যাবে,
    তুমি তোমার ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে বাঁচ।
  • যাকে ভালোবাসা যায় তাকে দেখেই ভালোবাসা যায়। 
  • পেতে হবে এমন কোন শর্ত তো আমি তোমার
    ভালবাসার সময় দেইনি।

গভীর ভালোবাসার গল্প

 অসমাপ্ত গল্প  Jahid

এই প্রেম এই প্রিয়তমা ,বুকে চির মেঘ রৌদ্র জমা দুই মেরু আলিঙ্গনে বাঁধা দিনে হাসি ,রাতে চুপে কাদা (২০০৬)
গভীর-ভালোবাসার-গল্প
আমি আপনাদের আমার আর তার কথা বলতে চাই জানি না কেমন ছিল আমাদের কাহিনী টা সবার মতো আমার তার তার কপালেও ভালোবেসে একসাথে থাকাটা মিলে নি …

তাকে আমি প্রথম দেখেছিলাম যখন covid-19 চলছিল। তখন আমাদের স্কুলে সপ্তাহে একদিন করে ক্লাস হতো আমি স্কুলের মাঠের মধ্যে বন্ধুদের সাথে বসে ছিলাম। তখন সে assignment জমা দেবার জন্য স্কুলের গেট দিয়ে ডুকে। তখন আমি শহীদ মিনারের কাছে একটি মেয়ে কে লাল জামা পরা দেখেই, আমি সেই দিনই পাগল হয়ে গেলাম …. 

সে যখন assignment জমা দিয়ে আসলো। তখন আমি তার পিছে পিছে আসলাম তার বাসা চেনার জন্য।  রাস্তায় যাওয়ার পথে দেখি আমার আগেও একটা ছেলে তার পিছে লেগে আছে। তখন আমি থাপরাইয়া ছেলেটাকে সরাইলাম। তারপরে একদিন সপ্তাহে তাদের আর আমাদের স্কুল একদিনে পরলো। 

তখন আমার বন্ধু বান্ধবী  জানে যে আমি ওই মেয়েকে পছন্দ করি। তখন আমার বন্ধু নাহিদ বলবো যে তুই যদি ওই মেয়েকে প্রপোজ করতে পারিস। তাহলে তোকে পটেটো খাওয়াবো।  আমি আর লোভ সামলাতে পারি নি। তাদের ক্লাস রুম ছিল ওপরে আর আমাদের টা ছিল নিচে তাই আমি ক্লাস থেকে স্যার বের হবার আসায় ছিলাম। 

যখনই স্যার বের হলো আমি সাথে সাথে ওপরে চলে গেলাম দিয়ে তাদের ঘরে ডুকলাম।  তাদের ঘরে অনেক ছেলে মেয়ে ছিল বললে চলে যে সবাই ঘরেই ছিল।  আমি তার নাম টা জানতাম না তাই তার কাছে গিয়ে জোরে করে বললাম:  হে listen তোমাকেই বলছি I i love you forever and ever and ever।

এইটা বলার পরে তো সবাই আমার দিকে এমন ভাবে তাই আছে যেনো আমি ভূত। তারপরে আমি এই খান থেকে চলে আসি আমিতো অনেক ভয়ে ছিলাম। যদি যে তার বাসায় বলে দেই ! তারপরে তার সাথে আমার প্রায় একমাস কোনো দেখা হয় নি। তার পরে রেগুলার স্কুল চালু হলো তো আমি ক্লাস থেকে বেরই হয় নি। 

তারপরে সে টিফিন টাইমে আমাকে ডেকে পাঠায় একটা মেয়ে কে দিয়ে। তো আমি তো অনেক ভয়ে ছিলাম যে কি বলে ফেলে সে আমাকে তো আমি অনেক সাহস করে তার কাছে গেলাম। তো সে বললো প্রপোজ করেছিলে কেন? আমি বললাম বাজি ধরে করেছিলাম তো সে বললো ও ঠিক আছে তাহলে আমি বললাম ok। 

তো সে তার হাত টা আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললো হাতটা ধরো। তখন আমি হাত টা ধরলাম আর সে বললো আমি এই সব রিলেশনে থাকতে পারবো না। আমি ভাই বোনের মতো থাকবো ok। আর আমি তাকে বললাম আমার না অনেক বোন আছে, তাই তোমাকে বোনের জায়গাটা দিতে পারলাম না। 

এই বলেই আমি বাসায় চলে আসলাম আর বাসায় আসার পথে শুধু আমি আমার হাতটা দেখতে, দেখতে আসছিলাম। আর ভাবছিলাম কার হাত ধরলাম আমি। তার একটা ভুল ছিল যে সে আমার হাতটা ধরেছিল। আমি তখনি তার প্রেমে পরে জাই তার পরের দিন অনেক আসা নিয়ে স্কুলে গেলাম তার সাথে কথা বলবো। অনেক খোঁজার পরে দেখলাম সে একটা জায়গায় একা একা বসে ছিল। 

একটা রুমে দিয়ে আমি তাকে বললাম আমি তোমাকে সত্যি ভালো বাসি। সে বললো তুমি না আমাকে বাজি ধরে প্রপোজ করেছো আমি তখন বললাম না তো যেই দিন তোমার থেকে বাঁচার জন্য আমি মিঊথা বলে ছিলাম। তারপরে আমি বললাম তোমার নাম টা তো জানা হলো না। সে বললো জানতে হবে না।

দিয়ে সে চলে গেলো ওই খান থেকে। তারপরে আমি তার বান্ধবী কে তার নাম টা জিজ্ঞাস করলাম। তো সে বললো ওর নাম ফারিয়া ওর আব্বুর নাম মনোয়ার। তার পরে যেটা বললো সেই টা আমি শোনার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। তার বান্ধবী তার পরে বললো ওর বাবা নাকি মেয়র। এই টা শোনে তো আমি অবাক তাই তো বলি প্রপোজ করার সময় সবাই আমার দিকে এই ভাবে তাকায় ছিল কেন!

এই কথা শুনে আমিতো একটু ভয় পেতে লাগলাম তো কয়েক দিন পরে তার সব বান্ধবীর সাথে আমার সম্পর্ক হয়ে গেলো।  সবাই আমাকে ভাই বলে ডাকতো । দিয়ে পরে আমি দেখলাম যে তার বাসা আর আমার খালাদের বাসা তেমন দূরে না। তো আমি খালাদের বাসায় ঘুরতে গেলাম। তো সেইদিন ছিল শুক্রবার তো আমি যখন খালাদের বাসায় জাই তখন দেখলাম। 

সে একটা কোচিং পরে তো আমি তার কোচিং এ ভর্তি হয়ে গেলাম। তখন তাদের বিকালে পড়া আমাদের ও বিকালে পড়া হতো। তো আমি কোচিং এ ভর্তি হওয়াতে কেন জানি একটু রেগে গিয়ে ছিল আমার ওপরে। এই ভাবেই কোচিং আসতাম কিন্তু পড়া হতো না আমার , তো সে আমার সাথে কথা বলতো না ঠিকি কিন্তু সে সময় পেলেই আমার দিকে তাকায় থাকতো। 

আামি অনেক সাহস করে তার কাছে গেলাম আর সে প্রথমেই বললো ভাই কিছু বললেন। আমি রেগে একটু কেমন যেনো করে বললাম আমি তোমাকে ভালো বাসি সে জিজ্ঞাস করলো তোমার বয়স কত আমি বললাম ১৫ চলছে কেন? সে বললো আমি তোমার ১ বছর ৩ মাসের বড় আমি তো তখন এই সব বিশ্বাস করি নি, 

পরে জানতে পালাম হুম সত্যি ,তো আমি বয়স নিয়ে কিছুই ভাবি নি পরের দিন স্কুলে গিয়ে তার ভাইয়া নামেরপুনরুপ বানিয়ে নিয়ে তার কাছে গিয়ে বললাম তুমি যে আমারে ভাই বলে ডাকো তো ভাই এর পুনরুপ জানো v তে ভালো বাসি ,a তে আপনাকে, i এ আমি,,, তার পরে থেকে সে আর আমাকে ভাই বলতো না।  

তারপরে কয়েক দিন পরে থেকে তাদের কোচিং ২ টা থেকে শুরু হয় ও আমাদের টা ৪ টা থেকে হয়। তো তার সাথে তো আমাকে দেখা করাই লাগবে তাই  প্রত্যেক দিন বাসা থেকে কোচিং জাব বলে বের হতাম। কিন্তু আর কোচিং যাওয়ার হতো না। সে প্রত্যেক দিন তার কোচিং শেষ হলে আমাকে ইশারা করে ডাকতো আর আমি তার পিছে পিছে তার বাসার একটু আগে পর্যন্ত রেখে আসতাম। 

ওই করতে করতে রোজার মাস আসলো তাই একটু কথা কম বলতাম একটা কথা বলা হয় নি তা মা ছিল না মারা গেছেন। তার সত্য মা ছিল খুব খারাপ। তো রোজার শেষের দিকে স্কুল তো বন্ধ করে দিবে সামনে ঈদ তাই তার জন্য একটা সেট চুরি কিনে আনলাম। তারপরে সে কোনো মতেই সেই টা নিতে চাইছিল না। 

সে বলছিল আমার মা দেখলে মেরেই ফেলবে তাই সে নিতে চাইছিল না। তাকে বোঝাতে বোঝাতে তার ঠোটের একটু কাছে চলে গিয়ে ছিলাম। সেই দিন তাও কিছু করি নি তারপরে অনেক বোঝানোর পরে সে ওইটা নিল আর বললো ভাই হিসেবে বোনকে দিলে তো তাই না।  আমি কিছু মনে না করে চলে আসলাম পরে দিন তার জন্য কোচিং এ সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। 

সে একটা বেগ হাতে দিয়ে আর একটা কাগজ দিল আমাকে,,, আমি একটু এই খান থেকে সরে এসে কাগজ টা খুলে দেখলাম যে অনেক সুন্দর করে ডিজাইন করে লিখা। sorry ভাইয়া হাতে হয় নি বড় লাগবে।  তারপরে ভাই বলার জন্য রেগে গিয়েছি। তখনি দোকান দারের কাছে গিয়ে চিলিয়ে। বলছি কি চুরি দিয়েছেন মিয়া আমার তো আর একটুর জন্য সব শেষ হতে লেগে ছিল। 

তারপরে সে চেঞ্জ করে দিল ও পরে দিন তাকে চুরি গুলা দিতে গেলাম আর সে বললো। ঈদের দিন নদী আসবেন বিকাল ৩:৩০ টায় আমি বললাম ok । দিয়ে কয়েক দিন পরে ঈদ আসলো তো নামাজ পরে এসে আমি একটু শুয়েছি আর উঠে দেখি ৪:২০ বাজে। 

আমি অনেক তারা তারি করে রেডি হয়ে নদীতে গিয়ে দেখি ৫:5 বাজে কিন্তু সেই এই জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিল ৩:৩০ থেকে আমি তার কাছে গেলাম। আর সে হাঁটতে শুরু করলো আমি বললাম কোথায় যাচ্ছ। সে বললো বাসায় আমি বলছিলাম যেওনা সে তাও চলেই গেলো। তার হাতে খেয়াল করে দেখলাম আমার দেয়া চুরি গুলো পরে আছে। 

এই করে ঈদ পার হলো তারপরে স্কুল খুললো তার সাথে একটু করে কথা হতো আরকি। এই করে কয়েক দিন পার হলো আমি ওর জন্য একটা লাভ লেটার লিখলাম। ও তার মাঝে একটা অঙ্গটি দিয়ে ছিলাম। তারপরে স্কুল ছুটির পরে তার পিছে পিছে গিয়ে যখনি তাকে সেই চিঠিটা দিলাম তখনি তার চাচাতো নানি দেখে দেয় ও কিছু বলেনি সেই দিন। 

তাকেও বললাম কিছু হব না তো সেও বললো না কিছু বলবে না ওই মহিলা , আমি ও তার কথা বিশ্বাস করে বাসাই। চলে আসলাম তার পরের দিন স্কুলে গেলাম। সে তার বোন কে দিযে আমাদের প্রাইমারি স্কুলে ডাকে আমাকে ,আমি তখন তার কাছে গেলাম সে দেখি তখন কাঁদা কাঁদা মুখ নিয়ে আমাকে বলে।

 তার নাকি বিয়ের জন্য ছেলে দেখছে বাসা থেকে তো আমি তো কিছুই বলতে পারছিলাম না। কারণ তখন আমি অনেক ছোট ছিলাম তাই তাকে কিছু বলতে পারিনি। যে আমি কি করবো না করবো কিছুই ভাবতে পার ছিলাম না। তখন সে আমাকে বললো যে আমার বাসার মানুষ নিয়ে তাদের বাসায় জেতে হবে ,আমি তখন বলি এইটা এখন সম্ভব না তখন সে বলে যে এই পৃথিবীতে সব কিছুই সম্ভব।

তখন আমি তাকে অনেক বুঝিয়ে একটা বছর পরে তার বাসায় জাব বলে তাকে কথা দি। তার কয়েক দিন পরেই তার আর আমার অধ্য বার্ষিক পরিক্ষা শুরু হয়। তো প্রথম দিন পরিক্ষা দিয়ে বাসায় জাই আমি পরের দিন ছিল শুক্রবার সেই দিন সকালে আমি তার জন্য কোচিং এর সামনে গিয়ে দাঁড়ায় ছিলাম। 

একটু পরে দেখি যে তার বড় বোন আর ছোট বোন ও কোচিং এর সামনে দাড়ায় আছে। ভয় করে আমি একটা আড়়ালে লুকিয়ে পরেছি। একটু পরে তার কোচিং ছুটি দিল। সে কোচিং থেকে বের হয়ে আমার দিকে ইশারা করে বলছে এই খানে ওর আপুরা আছে আজকে আর আমার পিছে এসো না। 

পরে সে বাসায় চলে গেলো পরে দিন ও সকালে কোচিং ছিল আমি তার জন্য তার জাবার রাস্তায় বসেছিলাম পরে দেখলাম তাদের ব্যচের ছুটি দিয়ে দিয়েছে। একটু পরে দেখি সে আসছে না তাই আমি তাকে খুঁজ ছিলাম। পরে দেখি তার কোচিং এর স্যার আমার কাছে আসে বলে চল আমার সাথে দিয়ে আমাকে কোচিং এর অফিসে নিয়ে গেলো।

পরে আমাকে বললো বিয়ে করবি আমি বললাম কি সব বলছেন পরে বলছে যে তুই বলে এই মেয়েটাকে বিরক্ত করিস। আমি বললাম না তো সেই স্যার বললো যে ওই মেয়েই তো তার বাসায় বলেছে যে তুই নাকি ওরে বিরক্ত করিস। তাই তো তার বোন তোকে ধরতে কালকে আসছিলো তোর কপাল ভালো যে তোকে তারা পাই নি,,, একে তো ওর চাচা মেয়র এই টাই ভয় ছিল।

এই বলে আমার আব্বুর নাম্বার নিলো সেই স্যার দিয়ে আমাকে ছেরে দিল পরে আমি বাসায় এসে আমার আম্মু কে অনেক কষ্ট করে বলি সবকিছু তখন আমার আম্মু অনেক বকে আমাকে। তারপরে রাতে আমার খালাতো ভাই আসে আমাদের বাসাই আমার খালাতো ভাই ছিল ওর চাচা মেয়রের বডি গার্ড তাই সে আমার বাসায় এসে আমাকে বলে যে তুই কি এইবার ভালো হয়ে জাবি।

আমি বলি হুম, তখন আমার ভাই বলে কোনো চিন্তার কারণ নাই আমি সব সামলাছি তখন আমার আব্বু তো অনেক রেগেছিল আমার ওপরে। তাও কিছু বলেনি তারপরে আমার কাছে থেকে আমার ফোন টেন সব নিয়ে নিল সেই দিন রাতে। ওই মেয়ে আমার সাথে যে এই রকম বেইমানি করেছে এই কথা ভেবে আমি ৫-৬ টা নকটেন (ঘুমের ওষুধ) খাই ও ১দিন আমার ঘুম ভাঙেনি তার পরে তো ছিল পরিক্ষা তাই পরিক্ষা দিতে স্কুলে জেতে হবে।

 কিন্তু তার সাথে কথা বা তাকানো হতো না। তার ষ সাথে দেখা করার জন্য আমি কোচিং ও আসতাম না। কিন্তু সে আমার সাথে দেখা করতে আসতো আমাদের মোড় দিয়ে। আমি একটা দোকানে থাকতাম আর সে ওই পার দিয়ে যাতাায়ে শুরু করে দেয়। আমি তার সাথে তাও কথা বলতাম না তার পরে কয়েক দিন পরেই নাকি বিয়ে তার বড় বোনের , তার বড়বোনের বিয়ের দাওয়াত কিন্তু আমাকে সে দিয়ে রেখেছিল পরে আমি যেতে পারি নি কিন্তু তার বাসার পাসে আমার একটা বন্ধু বাসা ছিল। সে সবকিছুর ছবি দিয়ে ছিল পরে যখন স্কুল খুললো তখন জানতে পারলাম যে সে কিছুই বলেনি তার চাচাতো নানি নাকি সব কিছু তার মাকে বলে দেয়।

তাই সে বাঁচার জন্য আমার নাম নেয়। তারপরে কয়েক দিন গেলো সে আমার দিকে তাকায় থাকে আমিও তাকায় থাকতাম কয়েক দিন পরে আমি সাহস করে তার সাথে কথা বলতে জাই। পরে সে আমার সাথে কথা বলতে চাচ্ছিল না কারন তার চাচা জদি এই বার জানতে পারে তাহলে নাকি আমাকে সে মারবে। দিযে আমি কয়েক দিন পরে আবার কথা বলতে জাই। তখন সে বলে তোমার কি ভয় নাই আমার চাচা জানতে পারলে এই বার অনেক কিছু হয়ে জাবে কিন্তু। আমি তখন গালি দিয়ে চলে আসি।

তখন সে আমার রুমের কাছে আসে তখন আমি আবার তার কাছে জাই আমি আর বলি (সে আবার BTS fan ছিল অনেক বড়) তোমার আমার সাথে রিলেশনে না আসার কারন আমি বুঝতে পেরেছি bts তাই না ওকে তোমার সাথে আমাকেও তাহলে জাহান্নামে নিয়ে জেও তাও আমার সাথে থেকো তুমি। সে তখন বলে আমি তোমাকে দিয়ে জেতে পারবো না তখন আমি তাকে শেষ কথা বলি তুমি কি আমাকে চাও হুম কি না। 

যে কোনো একটা বলবা তার বেশি কিছু না তুমি ভেবে বলবা কিন্তু সে তার কিছুক্ষণ পরে বলে না‌। তখনি আমি চলে আসি। তখনি আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে প্রাই। তার কয়েক মিনিট পরে সে আমার বান্ধবীকে দিয়ে বলে পাঠায় যে হুম কিন্তু কেও যেনো না জানে ,দিয়ে স্কুল থেকে বাসায় আসলাম পরে দিন তো তার সাথে কথা বলতে হবে তো কি লিখে দিব ভেবে পারছিলাম না।

তো আমার হাতের লিখা ভালো না তাই কেমন আছো এই টাই লিখবো ঠিক করেছি পরে লিখলাম কেমন আছো দিয়ে দেখি ,না ভালো হচ্ছে না ,দিয়ে সারা রাত শুধু এটাই লিখেছি যে কেমন আছো প্রায় ৩০ বার। শেষে একটা বার শুধু ভালো হয়ে ছিল তাও খারাপ পরে স্কুলে গিয়ে তার কাছে চিঠিটা পাঠালাম। ,দেখি সেও আমাকে চিঠি দিয়েছে তো আমি তো অনেক খুশি আমি তখন তার চিঠি টা পড়লাম।

এই ভাবেই কয়েক দিন গেলো একদিন বললো তোমার Facebook ID টা দাও তো ওই খানেই কথা বললো। তখন আমি বললাম কি করবা নিতে হবে না। তখন সে বলো আগে যে কোনো কিছু না চাইতেই দিয়ে দিতা এখন কি হলো আমাকে কি আর ভালো লাগে না, তখন অনেক বিপদে পরে তাকে আইডিটা দিলাম। সেই দিন রাতে পরতে বসেছিলাম তো দেখি একটা ছেলে মেসেজ দিয়েছে তো আমি মেসেজের রিপ্লেতে বলি কে তুমি তখন, সে বলে সকালে যাকে আইডি দিলা সে আমি ,তখন আমি বলি আমি তো কাওকে আইডি দেয় নি তখন ,সে বলে আমি রোহানের বোন 

তখন, আমি চিনতে পারি যে সেই। তখন থেকে তার সাথে কথা বলা হয় রাত ১২ টা পর্যন্ত। তার পরের দিন নাকি তার বড় আপু তার শশুর বাড়ি থেকে এসেছে তাই নাকি সে একদুই দীন কথা বলতে পারবে না। দুইদিন পরে আবার সে আমাকে মেসেজ দিল রাতে তো সেই দিনও রাতে কথা বলতে বলতে ১ টা বেজে গেলো (সে তার চাচাতো ভাই এর ফোন থেকে চুরি করে কথা বলতো )দিয়ে রেখে দিলাম। 

পরের দিন দেখি সে আমাকে ব্লক করে রেখেছে আমি তো অনেক রেগে গেছি পরে সে বলে তার চাচাতো ভাই নাকি বুঝতে পরেছে যে সে কারো সাথে কথা বলে। তার কয়েক দিন তার সাথে ফোনে কথা হতো না দিয়ে অনেক দিন পরে সে আমাকে একটা। ভয়েজ দিল আর গালি দিয়ে বললো ওই কুতা তুই এতো দিন ধরে আমার সাথে দেখা করতে আসিস নি কেন?

তখন তার সাথে কিছু কথা হলো তখন কোরবানি ঈদ এর ছুটি ছিল স্কুল এই জন্য। ফোনেও কথা বলা আর হতো না তো কোচিং এ তার সাথে আবার দেখা করতে আসি তো তার পিছে পিছে যাওয়ার সময় দেখি সে আমকে একটা পেকেট দিল আমি পেকেটটা নিয়ে বাসায় আসলাম। দিয়ে দেখি পেকেটের ভেততে একটা আংঙ্গটি আর একটা বেস লাইট দিয়েছে।  

আমিও তাকে একটা পায়েল দিলাম আরকি তো কয়েক দিন পরে ঈদ হলো ঈদের দিন বিকালে তার সাথে দেখা করতে গেলাম। এই করে কয়েক দিন কেটে গেলো ঈদ ও শেষ হলো কোচিং খুলে দিল কয়েক দিন পরে আমাকে আমার একটা ভাই বললো yasmin এর তো বিয়ে রে তো আমি বললাম ইয়ার্কি করো না তো। 

তখন সে বললো তার চাচাতো ভাই এর সাথে নাকি তার বিয়ে ঠিক করেছে তার আব্বু আর ছেলেটার আব্বু।  তো তখন তো আমি পুরাই শেষ কিন্তু ছেলেটা একটা মেয়েকে অনেক ভালো বাসতো এই নিয়ে yasmin এর সাথে আমার অনেক ঝামেলা হলো আমি জানতাম। যে সেও নাকি এই বিয়েতে রাজি ছিল তাই আমি অনেক রাগে ছিলাম। 

তার পরে জানতে পারি তার চাচাতো ভাই ওই মেয়েটা কে নাকি বিয়ে করে ফেলেছে। তার পরেই তার সাথে সব কিছু স্বাভাবিক হলো আমার। তার পরে আবার কথা বলা শুরু হলো চিঠিতে আমার রিলেশনে ছিলাম তেমন কেও জানতে না স্কুলেই কথা হতো। তারপরে September ১০ তারিখে তার birthday ছিল।

তো সেই দিন টা শুক্রবার ছিল তো তার সাথে তো আর আমি দেখা করতে পারবো না তাই তার বান্ধবীকে একটা ঘড়ি র‍্যাপিং করে তাকে দেই। তো সে তাকে দিয়েছিল তার কয়েক দিন পরে সে আমাকে একটা চিঠি লিখলো যে তার বাসায় নাকি আবার যেনে গেছে আর তার কারণে কিছু বলেনি তাকে তাই সে আর কথা বলতে পারবে না। সে নাকি তার পরিবারকে ,আমার বিষয়ে বোঝাবে তাই কথা বলতে পারবে না।

এই নিয়ে তার সাথে ঝামেলা হয়। দিয়ে আমি রাগ করে চলে জাই স্কুল থেকে বাসাই দিয়ে ১৫ টা নকটেন খেয়ে ফেলি দেয়ে ৪-৫দিন স্কুলে জাই নাই। তখন সে আমার বন্ধুকে দিয়ে দুইটা চিঠি পাঠায় তাতে অনেক কিছু লিখা ছিল আরকি sorry টরি আরকি দিয়ে ,আমি পরে দিন স্কুলে গেলাম তো সে কথা বলতে চাইছিল ,আমার সাথে আর ,আমি বললাম স্কুল শেষে তো ,সেই দিন বৃষ্টি হচ্ছিল। 

তাই আগেই সবাই চলে গেছিল পুরা স্কুল ফাঁকা শুধু সে আর আমি , ছিলাম তখন সে আমাকে বলে তুমি এই সব আর খাবা না ,,,না হলে তোমাকে মেরেই ফেলবো তো অনেক কান্না কাটির করে একটু নিস্তব্ধ হয়ে গেলো সে ,একটু পরে সে আমকে হঠাৎ একটা চুমু দিয়ে দৌড়ে চলে গেলো ।আমি তো পুরাই অবাক প্রথম প্রেম, প্রথম চুমু ছিলো সেই টা।

দিয়ে তার ,কয়েক দিন পরে যে বললো আমাদের নাকি তার বাসা থেকে মেনে নিবে কিন্তু শর্ত আছে শর্ত হলো আমাকে কিছু না কিছু কাজ করতে হবে। আর আমি রোগা ছিলাম তো তাই স্বাস্থ্যবান হতে হবে। এই গুলাই , আমি ভাবছিলাম যে বিয়ে তো এখন করছিনা যে এখনি কাজ করতে হবে তাই কাজ না করে সরিরের দিকে একটু দজর দিলাম১৬০০টাকার ওষুধ খাইলাম তাও কিছু হলো না।

তার পরে আমি বুঝতে পারলাম আমি তার জন্য পারফেক্ট হবো না। তাই আমি তাকে এই কথা বোঝানোর জন্য তাকে ডেকে বললাম। আমি তোমার জন্য পারফেক্ট না ,তাই তুমি আমাকে ভুলে জাও, না হয় তুমি বিয়ে করে না please দিয়ে স্কুল শেষ হয়ে গেলো সে কান্না করতে করতে বাসায় গেলো। পরের দিন স্কুলে এসে দেখি সে কান্না করছে। তার বান্ধবী বললো সে নাকি কালকে থেকেই কান্না করছে তার পরে সে আমার সাথে কথা বলতে লাগলো সবার সামনে। তো আমি বললাম যে সবাই দেখছে ঝামেলা হতে পারে, সে বললো হক ঝামেলা সমসা নাই, 

আমাকে বললো তুমি আমাকে চাও কি না আমি বললাম চাই কিন্তু, সামর্থ নাই আমার তোমাকে পাবার।  সে বললো তুমি যেমন করে পারবা আমাকে তোমার করে নাও , নয় তো আমি ভুল সিন্ধান্ত নিব জদি তোমায় না পাই ,তাকে অনেক বোঝানোর পরেও সে বুঝলো না। তার নাকি আমাকেই লাগবে,,,,, এই করতে করতে এক দিন আমার একটা চিঠি স্যার ধরে ফেললো তো সেই খানে সারেরা তেমন কিছুনা বলে আমাকে বললো এর পরে যদি এমন কিছু দেখি তো সমসা আছে। 

দিয়ে আমাকে কয়েকটা বেত দিয়ে মারলো আমাকে মারার কথা সবাই জেনে গেলো। আর আমরা এখনো রিলেশনে আছি এই কথা ও সবাই জেনে গেলো ,,,এই ভাবে আমার বাসাতেও সব জেনে গেলো পরে প্রত্যেক দিন আমার আম্মুকে আমাদের বিয়ের বিষয়ে বলতাম কিন্তু আমার পরিবারের তার পরিবার পছন্দ হচ্ছিল না কারণ তার পরিবার একটু খারাপ ছিল। 

এই করে আমার পরিবার কে অনেক কষ্ট করে বুঝালাম তার বিষয়ে তার পরে হটাৎ একদিন তার মা আমাদের স্কুলে আমাকে দেখতে আসে ও আমাকে চিনে জায়,, তার কয়েক দিন পরেই পরিক্ষা শুরু হবে বার্ষিক পরিক্ষা ,,,তো তার আগেই তার মা আমাকে তাদের বাসায় গিয়ে দেখা করে আসতে বলতো প্রত্যেক দিনই বলে পাঠাতো কাওকে না কাওকে দিয়ে,,, 

আমি ভয় করে জাই না ,,পরে পরিক্ষা শুরু হলো দিয়ে পরিক্ষার প্রথম দিন@অচীন পৃথিবী নামে আইডি থেকে সকাল বেলাই মেসেজ আসে তখন,, আমি পরিক্ষার প্রস্তুতি নিছিলাম তো তাকে বললাম যে আমি পরছি আপনার সাথে পরে কথা বলছি ,,,আমি জানতাম না তখন যে এই টা কে তো প্রথম ,,পরিক্ষা শেষ করে এসে তার সাথে কথা বলি পরে জানতে পারি এই টা yasmin। 

দিয়ে তার সাথে কথা বলি কথা বলতে বলতে তখন দেখি আমার খালা আসছে আমাদের বাসায় তো এসে বলে তুমি কি এই মেয়ে টার সাথে এখন ও কথা বলো। ,আমি বললাম হুম, বলি ,তখন আমার খালা বললো এই মেয়ের মা তোমাদের যেতে বলেছে তো আমরা বললাম যে হুম জাব দিয়ে ,তখনি আমি তার সাথে দেখা করার জন্য কোচিং জাই দিয়ে দেখা করি তার সাথে তো তাকে সব কথা বলি ,,

দিয়ে সে আমাকে বললো যেও না please ,,পরিক্ষার পরে জেও,, না হয় আমার পরিক্ষা বন্ধ করে দিতে পারে ,তো আমি বললাম জাই কিছু হবে না , তুমি শুধু আমার দিকে থেকে কথা বলো তাহলেই হবে ,তখন সে বললো ok বললো নি ,আর আমাকে বললো তোমার কাছে কি টাকা আছে; আমি বললাম নাই, তো তখন সে বললো কালকে একবার দেখা করতে এসো টাকা দিব নি ,মেয়ে দেখতে জাবা আর টাকা দিবা না নাকি ,তো আমি বললাম ok আসবো নি। 

তো পরের দিন এসে দেখি সে কোচিং আসে নি ,তো টাকাও পাঠাই নি ,তো পরের দিন ছিল শুক্রবার তো তাদের বাসায় জাবার কথা ছিল সেই দিন তো শুক্রবার্ নামাজ পরে , সন্ধ্যার দিকে আমাদের খালার বাসায় গেলাম ও একটু পরে তাদের কেও ডাকলাম ,তখন তার মা তার চাচা আর চাচি আসে শুধু। 

তার পরে আমাকে আমার নাম জিজ্ঞেস করে তখন আমি আমার নাম বলি তার পরে আমাকে জিজ্ঞেস করে যে তোমার বয়স কত? তখন আমি বলি ১৫ ,তখন তার মা বলে আমার মেয়ে যে তোমার থেকে বড় তা তুমি জানো না ? আমি বললাম জানি ১ বছর ৩ মাসের বড় , তার পরে জিগ্গেস করলো তুমি কি করো ,আমি বললাম আমি কিছুই করি না বেকার, তখন তার মা আমাকে জা তা বলতে লাগলো অনেক অপমান করে তার মা যা বলছিল অসহ্যকর একদম  ,,

তারা আমাদেরকে টাকার গরম দেখাতে লাগলো ,তার পরে আমি বললাম আপনার মেয়েকে ডাকেন ,তখন তাকে ডাকা হলো সে জখন দরজা দিয়ে ঘরের ভিতরে আসছিল‌। তাকে এমন ভাবে আমি আগে কখনো দেখিনি মনে হচ্ছিল তাকে একটা চুমু দেই দেখার পরে। তার মায়ের সব অপমানই তুুচ্ছ হয়ে হয়ে গেল তাকে দেখার পরে। 

এই করেই সে বসলো খাটের ওপরে একদম আমার সামনে আমি তাকে সরা সরি দেখতে পাচ্ছিলাম সে আমাকে দেখতে হলে একটু মাথা ঘোরানো লাগবে। তাই সে তেমন করে তাকাতে পারছিল না। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো এই ছেলেকে তুই চিনিস ,সে বললো হুম ,এর সাথে তুই রিলেশন করিস ,তখন সে বললো হুম ,তো তার মা আমাকে বললো তুমি কি বলছো আমি তখন বলছি যে আমি আপনার মেয়েকে বিয়ে করতে চাই কিন্তু ৪ বছর পরে। 

তখন তার মা বললো যে আমার মেয়েকে আমারা এতো দিন রাখতে পারবো না। জদি পরো তো এখনি নিয়ে জেতে হবে এই বলে আরো অনেক অপমান করলো তার পরে তাকে ,তার মা বললো যে তুই কি ওই ছেলেকে চাস এই ছেলে তোকে কিন্তু চাই না। ,তোকে জদি ভালোবাসাতো তো এখন তোকে নিয়ে জেতো, তখন আমি বলে ওঠলাম যে আমি ওকে ভালো বাসি না এমন তো না ,আপনারাই তো রাখছেন না ,দিয়ে তাকে তার মা ব্ল্যাকমেইল করতে লাগলো ,যে তুই জদি ও কে চাস তো তোর আব্বু বলছিল যে সুইসাইড করবে আরো কি কি। '

তখন আবার বলা হলো যে তুই কি চাস ওই ছেলে টা কে চাস নাকি আমাদের (সেই সময় আমার ফিলিংসটা কেমন ছিল আমি আজও বুঝতে ই পারি নি ) তখন সে অনেক খন চুপ করে থাকলো তখন অনেক বকর পরে সে বলতে লাগলো যে ওকে চাই এইটা বলে ফেলার আগেই তার মা তাকে অনেক মার ধর করে। অনেক মারার পরে বললো তুই কি চাস এই ছেলেকে না পরিবার  ও বললো পরিবার ,তখন আমি আর কিছু বলি নি চুপ করেছিলাম কেমন জেনো ,তার পরে তার মা আমাকে বললো নিজেক কানেই তো সব শুনলা এর পরে জেনো তোমাকে আমার মেয়ে কাছে না দেখি ,আমি বললাম ok ,

দিয়ে তারা চলে গেলো জাবার সময় আমার আম্মু তার হাত ধরে অনেক কান্না করে। আমি রাগের মাথায চলে আসি ওই খান থেকে দিয়ে ,এক পেকেট সিগারেট কিনি (তাকে কথা দিয়ে ছিলাম সিগারেট আর খাব না ,,)বাসায় এসে দরজা বন্ধ করে দিয়ে অনেক মানে অনেক কান্না করি। দিয়ে সিগারেটের পেকেট থেকে সব সিগারেট গুলি বের করে সাজিয়ে রাখি। আর দেখি সিগারেট গুলো ‘’তার পরে মনের জালা প্রকাশ কথার জন্য একটা পোষ্ট করি পোষ্টে লিখে ছিল এই গুলা

(তুমি আর আমি আর আমার হতে পারলাম না)
অনেক কিছু বলার ছিল তোমাকে যা আর হবে না কখনো বলা আমি জানি না এইটা তুমি দেখে পাবা কি না। তোমার মায়া কাটাতে আমার কতটা সময় লাগবে তা আমি জানি না কিন্তু ঠিকই পেরে উঠবো কোনো টেনশোন নাই আমার কিছু হবে না। তুমি তো ভালো করে জানো যে আমার হারানোর মতো তুমি টাই ছিলা আজকে সেটাও হারাই ফেললাম। আর কিছু হারাবার নাই আমার।

তুমি জানো আমি তোমাকে না চেয়ে তোমার সুখ চাইলাম কেন কারণ আমি তোমাকে ভালো থাকতে দেখেই খুশি হবো একটাই চাওয়া তুমি ভালো থাকো আমি তখন কোনো কথা বলি নি কেন জানো আমি চাইনি তুমি আরো মার খাও। তুমি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছো তাতে আমার কোনো রাগ নাই আর তুমি য দি অন্য টা বেছে নিতা তাহলে তোমাকে প্রতিনিয়ত ও মার খেতে হতো তাই আমি চাই নাই তুমি মার খাও।

আমি তোমাকে বলছিলাম যে তুমি আমার কপালে নাই কিন্তু তুমি মানতে চাও নি এখন প্রমান পাইলা তো। আল্লাহ চাই নি আমরা এক হয় নিজের ভাগ্য কে বিশ্বাস করতে পারলেই তুমি সুখি। আমাদের গল্প টা তাহলে এখানেই শেষ আমার কোনো অভিযোগ নাই তোমার ওপরে। আমি দোয়া করি তুমি অনেক সুখি হও। এই পৃথিবীতে তো কতই ভালোবাসা আছে যা এখনো পূর্ণতা পাইনি। 

আমাদের টা ও নাহয় এমনি অপূর্ণতা হয়ে থেকে যাক। এমন টা ভাবো আমাদের কখনো দেখাই হয় নি পারলে আমাকে মাফ করে দিও আমার ভাগ্য আমার তাকদীর আমার আল্লাহর লিখা কখনো খারাপ হতেই পারে না।  আমাদের গল্প টা আর পূর্ণতা পেলনা। ভালো থাইকো তুমি আমার একটা কথা রাখবা তুমি একটি ইসলামি মেয়ে হয়ে থেকো। আমার ইচ্ছা ছিল এটাই আল্লাহ ভালো রাইখো তুমি তারে মন থেকে ভালোবাসিলাম যারে।  I MISS YOU YASMIN
I am sorry

Love sad status Bangla

Love sad status Bangla এমন ধরনের কিছু স্ট্যাটাস এখানে দেওয়া হল যেগুলো খুবই কষ্টদায়ক।
  • আমি যার জন্য রাত ধরে জেগে থাকি। 
  • তার তো এমনটাই হবে যে ভালোবাসা
    দেখে এসে ভালোবাসা দেয় না।
  • আমার এই মনের মধ্যে তুমি ছাড়া তো আর কেউ নেই!
  • কিন্তু তুমি নাই তবে মনের মধ্যে কে?
  • আমি হলাম ভালোবাসায় হেরে যাওয়া একজন মানুষ। 
  • আর ভালবাসা পেয়ে গেল কে।
  • আমি প্রথম থেকেই জানতাম তুমি অবহেলায় রেখে দেবে আমায়। 
  • তারপরেও কেন জানি তোমায় ভালোবেসে ফেললাম।
  • এতটাও আমারে মনে কইরো না, 
  • ভালোবাসা মন থেকে হয়, মনে করাতে না‌।

আমাদের পরামর্শ

যার জন্য ক্যাপশন খুজছেন, সেতো আপনাকে খুজে না। যে চলে গেছে তাকে চলে যেতে দিন। নতুন করে বাঁচতে শিখুন। ভালোবাসার অক্লান্ত পরিশ্রম মনকে নষ্ট করে দেয়। ওপরে যদি কোথাও কোন ভুল হয়ে থাকে ক্ষমা করে দিবেন। ভালোবাসায় হারার পরে এমন ধরনের স্ট্যাটাস আছে মন থেকে। ভালো থাকবেন সবাইকে ভালো রাখার চেষ্টা করুন যে থাকতে চাই না তাকে রেখে তার মন খারাপ করবেন না।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url