দুবাই ভিসা কবে খুলবে -ভিসা আবেদন করার নিয়ম- আজকের আপডেট
প্রিয় পাঠক নিচে থেকে দুবাই ভিসা কবে খুলবে -ভিসা আবেদন করার নিয়ম-আজকের আপডেট জেনে নিন। আপনি এই পোস্টে দুবাইয়ের সকল ধরনের সুবিধা ও কাজ সম্পর্কে জানতে পারবেন।
সূচিপত্র :দুবাই ভিসা কবে খুলবে -ভিসা আবেদন করার নিয়ম
দুবাই ভিসা কবে খুলবে -ভিসা আবেদন করার নিয়ম-আজকের আপডেট
বর্তমানে দুবাইয়ের ভিসা নিয়ে আমাদের মনে অনেক ধরনের প্রশ্ন আছে যে দুবাই ভিসা কবে খুলবে নাকি খুললেই না। কেননা বাংলাদেশ সরকার পরিবর্তনের করার জন্য দুবাইতে প্রবাসীরা বিক্ষোভ করেছিল। সেজন্য এখন অনেকের মনে প্রশ্ন হচ্ছে যে দুবাইয়ের ভিসা সেই আন্দোলনের বা বিক্ষোভের কারণে পাওয়া যাবে কি।
এমনিতেই দুবাইয়ের কোন ভিসা এখন ঠিকমতো দিচ্ছে না সে আন্দোলনের কারণে। অনেকেই দুবায়ের ভিসার জন্য আবেদন করছেন কিন্তু সকলেই পাচ্ছেন না। হয়তোবা ১০০ জন আবেদন করলে ৫ জন সেই ভিসা পাইতেছে। তবে সে আন্দোলনের কারণে সবাইকে ভিসা দিচ্ছে না দুবাই সরকার।
তবে সকল মানুষ দুবাইয়ে কাজের জন্য যায় সে সকল ভিসা এখন পুরোপুরি ভাবে বন্ধ রয়েছে। কেউ যদি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা প্রসেসিং করতে চাই তবে তার সেই ভিসা পাবে না। টুরিস্ট ভিসা এখন বন্ধ রয়েছে। টুরিস্ট ভিসা খোলার সম্ভাবনা রয়েছে 2025 সালের march মাসে। আর দুবাই ভিসা কবে খুলবে জানতে ভিসা অফিসে খোঁজ রাখুন।
কিন্তু আপনাকে প্রত্যেকদিন এর খবর রাখতে হবে কেননা এই তারিখ আরো এগিয়েও আসতে পারে। তাই দুবাই ভিসার ওয়েবসাইটে এবং ভালো এজেন্সির সাথে যোগাযোগ রাখুন।
ভিসা আবেদন করার নিয়ম
আমরা যদি ঠিক মত ভিসা আবেদন না করতে পারি তবে আমরা কখনোই দুবাই কিংবা অন্যান্য দেশের ভ্রমণ কিংবা কাজের জন্য কোন কিছুতেই যেতে পারবো না। এর জন্য সর্বপ্রথম আমাদের ভিসা আবেদন করার প্রক্রিয়া জানা প্রয়োজন। যেনো দুবাই ভিসা কবে খুলবে জানতে পারলেই যেনো আবেদন করতে পারি।
নিচে ভিসা আবেদন করার সকল প্রক্রিয়া জানানো হলো:
- সর্বপ্রথম আপনাকে অনলাইন থেকে ভিসার আবেদন করার ফরম পূরণ করতে হবে।
- তারপরে সেই ফর্মটি আপনার নিকটস্থ দূতাবাসের কাউন্টারে জমা দিতে হবে।
- ভিসা আবেদন করার জন্য যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগে সেগুলো সঙ্গে করে নিয়ে যেতে হবে।
- ভিসার কাজ শেষ হলে সরাসরি দূতাবাস থেকে আপনার পাসপোর্টটি নিতে পারবেন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- আপনার মূল পাসপোর্ট পেয়ে প্রয়োজন ভিসা আবেদন করার জন্য। এবং পাসপোর্ট এর ফটোকপি।
- আপনার যদি পুরনো কোন পাসপোর্ট থেকে থাকে তবে সেই পাসপোর্ট।
- এবং আপনার পুরো মুখমণ্ডল সহকারে পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
- আপনি যদি টুইট ভিসা জন্য আবেদন করেন তবে আপনার রিটার্ন টিকিট থাকতে হবে।
- কিংবা ভ্রমণের যে সকল পরিকল্পনা করেছেন সেই সকল পরিকল্পনার প্রমাণ থাকতে হবে।
- এবং ভিসা আবেদন করার জন্য যে ফ্রি প্রয়োজন হয় সেটি দিতে হবে এবং পরিষেবা ফি আপনাকে সেই কাউন্টারে জমা দিতে হবে।
এ সকল নিয়ম অনুসরণ করে আপনি আপনার ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন খুব সহজেই।
দুবাই ইন্টারভিউ পদ্ধতি?
দুবাই ভিসা কবে খুলবে জানার পরেই আবেদন করে চলে জানান দুবাই আর গিয়ে দুবাইতে চাকরি পাওয়ার বা কাজ পাওয়ার বিষয়টি অনেক জটিলের কাজ। কেননা এটি একটি উন্নতশীল দেশ এখানে অন উন্নত দেশের সকল নাগরিককেই চাকরি দেওয়া হয় না। তবে আপনি দুবাই ইন্টারভিউ পদ্ধতি জেনে সময়মতো কিছু কথা বলার মাধ্যমে এবং আপনার কাজের দক্ষতার মাধ্যমে আপনি দুবাইতে চাকরি বা কাজ হতে পারেন।
যখন তারা আপনাকে প্রশ্ন করবে যে আপনি কেন দুবাইতে চাকরি করতে চান। তখন আপনি দুবাই এর উন্নত মানের জীবন ও উন্নতমানের দুবাইয়ের সুযোগ সুবিধা বিষয়ে তুলে ধরতে পারেন। আপনি বলতে পারেন আপনি এখানে থেকে আপনি আপনার ভালো ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন।
আরো বলতে পারেন আপনি দুবাইয়ের সাংস্কৃতিক কাজকর্ম অনেক ভালো। এখানকার মানুষজনের অনেক নিরাপত্তা থাকে। এবং জীবন যাত্রা অন্যতম মানের। এমন ধরনের উত্তর দিতে পারেন এবং আপনার যে সকল দক্ষতা রয়েছে সেগুলো প্রকাশ করবেন।
এবং আপনার যদি দুবাইয়ে কোন ফ্যামিলি বা কোন রিলেটিভ থাকে তবে আপনি তার বিষয়ে বলতে পারেন যে আমি আমার ফ্যামিলির সাথে সংযুক্ত থাকতে চাই বা আপনি বলতে পারেন যে দুবাইয়ে থাকার কারণে আপনি আপনার সন্তানের ভালো সুশিক্ষা ও আরো অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিতে পারবেন আপনার সন্তানকে এবং দুবাইয়ের একজন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন। ইত্যাদি আরো বিষয় বলতে পারে। দুবাই ইন্টারভিউ পদ্ধতি এমনি হয়।
দুবাই ভিসা কিভাবে পাওয়া যায়
উপর থেকে জেনে আসুন দুবাই ভিসা কবে খুলবে আর পরে সেই অনুযায়ী আবেদন করুন। কেননা দুবাই ভিসা পাওয়া মানে একটি ভাগ্যের বিষয়। কেননা খুব কষ্ট করে দুবাইয়ের ভিসা পাওয়া যায়। দুবাই ভিসা পাওয়ার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে দুবাই ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এবং আবেদন করার সাথে সাথে আপনার যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রয়োজন হিসেবে আবেদন করার জন্য সেগুলো দিয়ে আবেদন করতে হবে।
এবং তারা আপনার ভিসার বিবরণ হিসেবে এবং আপনার ভ্রমণ করলে ভ্রমণের মেয়াদ হিসেবে এবং পাসপোর্ট এর বিবরণের ভিত্তিতে আপনার দুবাইয়ের যে ভিসাতে যাবেন সেই ভিসার খরচ কত হবে তা নিশ্চিত করবে। এবং আবেদন করতে হলে আপনাকে আপনার পাসপোর্ট এর সকল তথ্য তাদের দিতে হবে।
যদি এর আগে কোন দেশে ভ্রমণ করে থাকেন তবে সেই দেশের ভিসার স্ক্যান কপি দিতে হবে। এবং তিন মাস এর মধ্যে তোলা সমস্ত মুখমণ্ডল সহ পাসপোর্ট সাইজের আপনার ছবি দিতে হবে। এবং ভালোভাবে আবেদন করার পরে তারা আপনাকে নিশ্চিত করবে আপনি ভিসা পাবেন কিনা।
দুবাইতে কি কাজের সুবিধা পাওয়া যায়?
আপনি দুবাইতে অনেক ধরনের কাজ করতে পারবেন সুযোগ রয়েছে। এরমধ্যে বিশেষ কয়েকটি কাজের সুযোগ নিচে বর্ণনা করা হলো:
- দুবাইতে আপনি যে কোন কোম্পানিতে আবেদন করে আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন।
- দুবাইতে আপনি যদি কোন ধরনের ব্যবসা শুরু করতে চান তবে সেখানে সরকারের অনুমতি নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
- কিংবা আপনি যদি সেখানে বসবাস করতে চান তবে আপনি আপনার পুরো পরিবার নিয়ে সেখানে বৈধভাবে বসবাস করতে পারেন।
- আপনি দুবাইতে গিয়ে জিম ও দিতে পারেন। সেখানে জিম এর চাহিদা মোটামুটি ভালই। এবং আরো অন্যান্য সকল ধরনের ব্যবসা করতে পারেন।
দুবাই ন্যূনতম বেতন কত?
আপনি যদি কাজ করতে চান প্রবাসী হয় তবে অবশ্যই আপনি প্রবাসী যাওয়ার পরিকল্পনা করবেন তবে দুবাই ভিসা কবে খুলবে ভালো করে জেনে পরিকল্পনা করুন। কেননা দুবাইয়ের কাজ করলে সর্বনিম্ন বেতন হবে আপনার ১২ দিরহাম থেকে ২০০০ দিরহাম পর্যন্ত। আপনি যদি কোন হোটেলের ওয়েটার এর কাজও করেন তবুও আপনি প্রত্যেক মাসে ৪০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।
আবার আপনি জল দিন ইলেকট্রিক এর কাজ জানেন তবে আপনি সেখানে গিয়ে ইলেকট্রিক এর কাজ করে সর্বনিম্ন বেতন পেতে পারেন প্রতি মাসে ৬০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। সেখানে গিয়ে আপনি যদি কোনো কম্পানিতে ডেলিভারি এর কাজ করেন তবুও আপনি প্রতি মাসে ৪৫ থেকে ৫৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।
তবে সেখানে সবকিছুই আপনার কাজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অপর ভিত্তি করে আপনার ভিতরে নির্ধারিত করা হবে এবং কাজের সেক্টর করে দেওয়া হবে।
দুবাই কাজের ভিসায় যেতে কি কি লাগে?
অনেক মানুষ এই দুবাইয়ে কাজ করতে যেতে ইচ্ছুক। তবে দুবাই কাজের হিসাব পাওয়ার জন্য কিছু ধরনের শর্ত রয়েছে। আপনি যদি দুবাইয়ের কাজের ভিসা পেতে চান তবে আপনার এই শর্তগুলো অবশ্যই তাহলে মানতে হবে।
- আপনি তখন দুবাইয়ের ভিসা পাবেন যখন আপনাকে দুবাইয়ের কোন কোম্পানি বা কোন কাজের জন্য আপনাকে সেখান থেকে প্রস্তাব দেওয়া হবে।
- বা আপনি যেখানে কাজ করবেন সেখানকার কেউ আপনার কাজের জন্য সুপারিশ করতে হবে।
- এবং আপনাকে সঠিকভাবে কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
- এবং ভিসা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে এবং ভিসা অনুমোদন হলে আপনি কাজের ভিসা পেয়ে যাবেন।
- এর সাথে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা এর সার্টিফিকেট লাগবে।
- আপনার মেডিকেল ফিটনেস আপনি কি সুস্থ নাকি অসুস্থ এর প্রমাণ লাগবে।
- এবং আপনি যেই কাজ করতে চান সেই কাজের আপনার অভিজ্ঞতার প্রমাণ লাগবে।
দুবাইতে চাকরি পেতে কতদিন লাগে?
এখন সব জায়গাতেই চাকরির বাজারটি হয়ে উঠেছে প্রতিযোগিতামূলক বাজার। কেননা সকলে এখন চাকরি করতে চাই শুধু। তাই সকল দেশের বাজারটি হয়ে রয়েছে গরম। আর যদি কথা ওঠে দুবাইয়ের মত এমন দেশে তবে তো চিন্তাই করা যায় না।
কেননা দুবাইয়ের দেশে দক্ষ শ্রমিক ও দক্ষ চাকরিজীবী তারা গ্রহণ করে। তাই সেখানে চাকরি পেতে পেতে অনেক মানুষের কয়েক সপ্তাহ কয়েক মাস কিংবা কয়েক বছরও লেগে যেতে পারে। এটি পুরোটাই নির্ভর করতেছে আপনার দক্ষতা আপনার কনফিডেন্স এবং আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী।
দুবাইয়ে চাকরির জন্য আবেদন করার সর্বনিম্ন বয়স হলো ১৮ বছর এর বেশি। তাই আপনি যদি ১৮ বছর হয়ে থাকেন তখন বিন দুবাইয়ে চাকরির আবেদন করার আগে একটি ভাল দক্ষ শ্রমিক হয়ে তারপরে আবেদন করার চেষ্টা করুন।
দুবাই ভিসার জন্য কি হোটেল বুকিং লাগে?
আপনি যদি দুবাইয়ে টুরিস্ট ভিসায় ভ্রমন করতে চান তবে অবশ্যই আপনাকে ভিসা আবেদন করার সময় আপনার হোটেল বুকিং এর নথি এবং আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনার প্রমাণ দিতে হবে।
এবং আপনি যদি সেখানে কাজ বা চাকরির উদ্দেশ্যে বা পড়ালেখার উদ্দেশ্যে জান তবে আপনাকে কোন হোটেল বুক করতে হবে না। তারপরেও আপনি এই বিষয়টি নিয়ে ভালোভাবে দূতাবাসে গিয়ে বিস্তারিত ছিনিয়ে নেয়া ভালো।
দুবাই কি কাজের জন্য উপযুক্ত?
দুবাই হল একটি বাণিজ্য পূর্ণ দেশ। এখানে অনেকে ভ্রম করতে আসে আবার অনেকে কাজ করতে আসে। দুবাই শহরে বছরে হাজার হাজার মানুষ কাজের জন্য যায়। এর জন্য এই শহরটি এবং এই দেশটি অনেক উন্নত কাজের জন্য এবং উপযুক্ত।
আপনি এখানে গিয়ে চাকরি করতে পারবেন কিংবা ব্যবসা করতে পারবেন আবার আপনি কোন কোম্পানিতে কাজও করতে পারবেন। এখানকার জীবনযাত্রার মান এবং নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান অনেক ভালো ও অবকাঠামোর মান ভালো।
তাই যেমন এখানে বসবাস করে শান্তি তেমন এখানে কাজ করেও মিলে শান্তি এবং টাকাও মেলে অনেক।
আমাদের পরামর্শ
দুবাইয়ে কাজ বা চাকরির জন্য যাওয়ার যদি আমরা পরিকল্পনা করি তবে অবশ্যই বৈধ ভাবে যাওয়ার চিন্তা করব। কেননা অবৈধভাবে আমরা যদি যাই তবে আমাদের জীবন এর ঝুঁকি নিয়ে ও অপরাধ এর মাধ্যম দিয়ে যাব। তাই এমন খারাপ কাজ থেকে আমরা দূরে থাকি সুস্থ থাকি ভালো থাকি।
এবং দুবাইয়ে যাওয়ার জন্য কোন ভালো এজেন্সির সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে সব সময় কোন দালাল এর হাত ধরে যাওয়া উচিত নয়।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url